<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>সম্পাদকীয় Archives - IM News</title>
	<atom:link href="https://imnews24.com/%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A6%95%E0%A7%80%E0%A6%AF%E0%A6%BC/feed" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://imnews24.com/সম্পাদকীয়</link>
	<description>Popular Bangla News Portal</description>
	<lastBuildDate>Tue, 18 Jul 2023 13:26:09 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=7.0</generator>

<image>
	<url>https://imnews24.com/wp-content/uploads/2023/03/cropped-logo-32x32.jpg</url>
	<title>সম্পাদকীয় Archives - IM News</title>
	<link>https://imnews24.com/সম্পাদকীয়</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>আইএম নিউজের সম্পাদক হীরার জন্মদিন আজ</title>
		<link>https://imnews24.com/archives/36898</link>
					<comments>https://imnews24.com/archives/36898#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আইএম নিউজ]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 18 Jul 2023 13:26:09 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[সম্পাদকীয়]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://imnews24.com/?p=36898</guid>

					<description><![CDATA[<p>অনলাইন সংবাদপত্র আইএম নিউজের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক খোকন আহম্মেদ হীরার জন্মদিন আজ মঙ্গলবার। এদিনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুভেচ্ছার জোয়ারে ভাসছেন হীরা। জন্মদিনের প্রথম প্রহর থেকেই সহকর্মী ও ভক্তরা ফেইসবুকে জানাচ্ছে জন্মদিনের শুভেচ্ছা। বরিশালের গৌরনদী উপজেলার গেরাকুল গ্রামে মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহন করেন। ছাত্রজীবনে থেকেই তার সাংবাদিকতা শুরু। সুদীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে অসংখ্য প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কজ করছেন [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://imnews24.com/archives/36898">আইএম নিউজের সম্পাদক হীরার জন্মদিন আজ</a> appeared first on <a href="https://imnews24.com">IM News</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>অনলাইন সংবাদপত্র আইএম নিউজের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক খোকন আহম্মেদ হীরার জন্মদিন আজ মঙ্গলবার। এদিনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুভেচ্ছার জোয়ারে ভাসছেন হীরা। জন্মদিনের প্রথম প্রহর থেকেই সহকর্মী ও ভক্তরা ফেইসবুকে জানাচ্ছে জন্মদিনের শুভেচ্ছা।<br />
বরিশালের গৌরনদী উপজেলার গেরাকুল গ্রামে মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহন করেন। ছাত্রজীবনে থেকেই তার সাংবাদিকতা শুরু। সুদীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে অসংখ্য প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কজ করছেন তিনি। নেতৃত্ব দিয়েছেন বেশ কয়েকটি সাংবাদিক সংগঠনের। বর্তমানে তিনি বহুল প্রচলিত জাতীয় দৈনিক জনকন্ঠ পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার পদে নিযুক্ত আছেন। পাশাপাশি অনলাইন সংবাদপত্র আইএম নিউজের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।<br />
খোকন আহম্মেদ হীরা একজন নির্ভীক সাংবাদিক হিসেবে দখিনের জনপদের সবার কাছে তিনি অতি প্রিয় পরিচিত মুখ। সাংবাদিকতার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা, দায়িত্ব, সততা ও সংবাদের বস্তুনিষ্ঠতা তাকে অন্য সাংবাদিকের চেয়ে করেছে আলোকিত । সাংবাদিকতা জীবনে কখনও তিনি অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেননি। স্বার্থ, প্রলোভন, অর্থবিত্ত তাকে কোনোদিন দমাতে পারেনি। রাজনৈতিক মতাদর্শে বিশ্বাসী হলেও পত্রিকার নীতিমালার অনুসরণে তিনি কঠোর নিরপেক্ষতা বজায় রাখে।<br />
গোটা দক্ষিণাঞ্চলের সমস্যা-সম্ভাবনা ও গণমানুষের কথাগুলোকে অবিরাম তুলে ধরেছেন তিনি। পাশাপাশি স্থানীয়, সামাজিক, সাংস্কৃতিক অঙ্গনে রয়েছে তার পদচারণা।<br />
খোকন আহম্মেদ হীরা সাংবাদিকতা জীবনে দক্ষিঞ্চলের নিপীড়িত, লাঞ্ছিত মানুষের ন্যায্য অধিকার নিয়ে সচিত্র প্রতিবেদন লিখে সহস্র মানুষের চিকিৎসার, ভাত কাপড়ের, পুঁজি, বাসস্থানের ব্যবস্থাসহ আর্থিক সাহায্য প্রদানে সহযোগিতা করাসহ মানুষের করুণ কাহিনী লিখে বিভিন্ন সময়ে তাদের চিকিৎসা বাবদ ও স্বচ্ছলভাবে চলার পুঁজির ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তিনি অনেক দুঃসাহসিক রিপোর্ট প্রকাশ করেছেন। তার লেখা একাধিক প্রতিবেদনই জনকণ্ঠের লিড নিউজ ছাপা হয়। অসংখ্য অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের ফলে একাধিক সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারী বদলি ও শাস্তি হয়েছে। তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে অসংখ্য অনিয়ম দুর্নীতির। সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশের পর নির্মিত হয়েছে বিভিন্ন ব্রিজ, কালভার্ট, রাস্তাঘাট ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ভবন ইত্যাদি।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>The post <a href="https://imnews24.com/archives/36898">আইএম নিউজের সম্পাদক হীরার জন্মদিন আজ</a> appeared first on <a href="https://imnews24.com">IM News</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://imnews24.com/archives/36898/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>আমাদের কি ভাষা আন্দোলন শেষ !</title>
		<link>https://imnews24.com/archives/17445</link>
					<comments>https://imnews24.com/archives/17445#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আইএম নিউজ]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 21 Feb 2023 14:02:50 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[সম্পাদকীয়]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://imnews24.com/?p=17445</guid>

					<description><![CDATA[<p>আমার বড় পাওয়া, আমি বাঙালি। বাংলায় কথা বলি। কোটি কোটি শ্রদ্ধা, যারা আমার ভাষার জন্য প্রাণ দিয়েছেন। একুশের চেতনা সর্বদা লালন করি নিজের মাঝে। বাঙালি জীবনে একুশে ফিরে ফিরে আসে নবজীবনের ডাক নিয়ে। একুশ আসে ভাষা চেতনায় গোটা জাতিকে শানিত, উদ্ধুদ্ধ করতে। কেননা একুশ আমাদের মননের বাতিঘর। একুশ মানে মাথা নত না করা। একুশ ডাক [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://imnews24.com/archives/17445">আমাদের কি ভাষা আন্দোলন শেষ !</a> appeared first on <a href="https://imnews24.com">IM News</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div dir="auto">আমার বড় পাওয়া, আমি বাঙালি। বাংলায় কথা বলি। কোটি কোটি শ্রদ্ধা, যারা আমার ভাষার জন্য প্রাণ দিয়েছেন। একুশের চেতনা সর্বদা লালন করি নিজের মাঝে। বাঙালি জীবনে একুশে ফিরে ফিরে আসে নবজীবনের ডাক নিয়ে। একুশ আসে ভাষা চেতনায় গোটা জাতিকে শানিত, উদ্ধুদ্ধ করতে। কেননা একুশ আমাদের মননের বাতিঘর। একুশ মানে মাথা নত না করা। একুশ ডাক দিয়ে যায় উদ্দীপনের, উজ্জীবনের।</div>
<div dir="auto">‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ আবার ফিরে আসায় নতুন করে শপথ নিতে হবে। রক্ষা করতে হবে মাতৃভাষার মান। এর মধ্য দিয়ে ভাষাশহীদদের সর্বোচ্চ আত্মত্যাগকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে সুমহান মর্যাদার আসনে। ফেব্রুয়ারি এলেই আমাদের মধ্যে নতুন করে ভাষাপ্রেম জেগে ওঠে। আমরা বলে উঠি.. ‘মোদের গরব, মোদের আশা, আমরি বাংলা ভাষা।’</div>
<div dir="auto">ইতিহাসে বাঙালি ছাড়া আর কোনো জাতি তার নিজের ভাষা প্রতিষ্ঠার জন্য আন্দোলন সংগ্রাম করেনি, অকাতরে জীবন বিলিয়ে দেয়নি। একারণে বাঙালির এই মহান আত্মত্যাগকে গোটা বিশ্ব স্মরণ করে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনের মাধ্যমে। এর মধ্য দিয়ে তারা জানবে আমাদের ত্যাগ-তিতিক্ষার কথা। তারা জানবে বাংলাদেশ নামক একটি স্বাধীন জাতিসত্তার অনন্য গৌরবের কথা। একুশের মূল চেতনা ছিল রাষ্ট্রের সর্বস্তরে বাংলা ভাষা চালু করা। দেশের সকল মানুষ যাতে নিজের ভাষায় লেখতে পড়তে পারে সেটি নিশ্চিত করা। কিন্তু বাস্তবে কি তাই হয়েছে? এখনও সর্বস্তরে বাংলা চালু হয়নি। উচ্চ আদালত, প্রশাসনসহ সর্বত্র এখনও ইংরেজির দাপট। এমনকি ডাক্তারের ব্যবস্থাপত্র পর্যন্ত লেখা হয় ইংরেজিতে। সাইনবোর্ড, ব্যানার, বিলবোর্ড, ফেস্টুন, বিজ্ঞাপন সব কিছুতে অপ্রয়োজনীয় ইংরেজির ছড়াছড়ি। যদিও এদেশের বিপুল সংখ্যক মানুষ এখনও অক্ষর জ্ঞানহীন। তাই প্রকৃতার্থে ভাষা আন্দোলন এখনও শেষ হয়ে যায়নি। যতদিন একজন মানুষও নিরক্ষর থাকবে ততদিন ভাষা আন্দোলন চলবে। এবারের একুশে এই বোধ জেগে উঠুক সকলের মধ্যে-এটাই প্রত্যাশা। সকল ভাষা শহীদ ও সৈনিকদের প্রতি রইল বিনম্র শ্রদ্ধা।</div>
<p>The post <a href="https://imnews24.com/archives/17445">আমাদের কি ভাষা আন্দোলন শেষ !</a> appeared first on <a href="https://imnews24.com">IM News</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://imnews24.com/archives/17445/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ডারউইরেন বিবর্তনের ভ্রান্ত ধারণা</title>
		<link>https://imnews24.com/archives/13570</link>
					<comments>https://imnews24.com/archives/13570#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আইএম নিউজ]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 27 Jan 2023 13:24:47 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[সম্পাদকীয়]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://imnews24.com/?p=13570</guid>

					<description><![CDATA[<p>আল্লাহর গ্রন্থ কোরআন যা কিনা আমাদের পথপরিচালিকা ও সাবধান বাণী হিসেবে প্রেরণ করা হয়েছে, সেটিরই কিছু অলৌকিক দিক আমরা আলোচনা করেছি। এই সমস্ত অলৌকিক বিষয়গুলো দিয়ে আল্লাহ আমাদের নিদর্শন প্রেরণ করেছেন যে এটি সত্যের গ্রন্থ এবং তিনি মানুষকে আহ্বান জানিয়েছেন যেন তারা এই বইটির ব্যাপারে বিবেচনা করে বা ভেবে দেখে। ভূ-পৃষ্ঠে সৃষ্টির নিখুত ডিজাইন সম্বন্ধে [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://imnews24.com/archives/13570">ডারউইরেন বিবর্তনের ভ্রান্ত ধারণা</a> appeared first on <a href="https://imnews24.com">IM News</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<header></header>
<article class="TextContentArticle dr tr c85 lh2-5 mt10">
<div id="content">
<p>আল্লাহর গ্রন্থ কোরআন যা কিনা আমাদের পথপরিচালিকা ও সাবধান বাণী হিসেবে প্রেরণ করা হয়েছে, সেটিরই কিছু অলৌকিক দিক আমরা আলোচনা করেছি। এই সমস্ত অলৌকিক বিষয়গুলো দিয়ে আল্লাহ আমাদের নিদর্শন প্রেরণ করেছেন যে এটি সত্যের গ্রন্থ এবং তিনি মানুষকে আহ্বান জানিয়েছেন যেন তারা এই বইটির ব্যাপারে বিবেচনা করে বা ভেবে দেখে। ভূ-পৃষ্ঠে সৃষ্টির নিখুত ডিজাইন সম্বন্ধে মানুষ স্বীকৃতি দান করবে আর এগুলো স্মরণের মাধ্যমে তারঁ শক্তির গুণগান করবে-এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি কোরআনে নির্দেশ করেছেন আল্লাহ তাআলা। কিন্তু আজ এমন কিছু ভাবাদর্শ বিদ্যমান যেগুলো মানুষের মন থেকে সৃষ্টির সত্যের বিষয়টিকে ভুলিয়ে দিতে চায় এবং ভিত্তিহীন কিছূ ধারণা দ্বারা এ বিষয়টিকে দূরে ঠেলে দিতে চায়।</p>
<p>এগুলোর মাঝে সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হলো বস্তুবাদ। বস্তুবাদ যেটিকে নিজের জন্য তথাকথিত বৈজ্ঞানিক ভিত্তি হিসেবে ধরে নেয় সেটিই হল ডারউইনবাদ। প্রাণ অজৈব বস্তু থেকে যুগপৎ সংঘটনের মাধ্যমে উষ্মেষিত হয়েছে বলে যুক্তি প্রদানকারী এই থিওরিটি নস্যাৎ হয়ে গিয়েছে তখনই, যখন স্বীকার করে নেয়া হয়েছে যে একমাত্র আল্লাহ তা’আলাই এই বিশ্বচরাচর সৃষ্টি করেছেন।</p>
<p>তিনি আল্লাহ যিনি মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেছেন আর ক্ষুদ্রতম ও পুংখানুপুংখ ডিজাইন তৈরী করেছেন । বিবর্তনের যে থিওরীটি পোষণ করে যে জীব জগৎ আল্লাহর সৃষ্টি নয় বরং যুগপৎ সংঘটনের ফলাফল সেই থিওরীটি সত্য হতেই পারে না।</p>
<p>আশ্চর্য নয় যে, যখন আমরা বিবর্তন মতবাদটির দিকে দৃষ্টিপাত করি, তখন দেখতে পাই যে এটা বৈজ্ঞানিক তথ্যগুলো দ্বারাই বাতিল হয়ে যায় । প্রতিটি জীবের ডিজাইন অত্যন্ত জটিল আর চিত্তাকর্ষক । উদাহরণস্বরূপ, জড় জগতে অনুসন্ধান করে আমরা দেখতে পাই যে কি এক সূক্ষ্ম ভারসাম্যের উপর পরমাণুগুলো অবস্থান করে আছে এবং জীব জগতে আমরা লক্ষ্য করি যে, কেমন জটিল ডিজাইনের মাধ্যমে পরমাণুগুলো একএিত হয় আর কেমন অসাধারণ সেই পদ্ধতিসমূহ; আর আমিষ, এনজাইম আর কোষসমূহের গঠন যেগুলো এই পদ্ধতিগুলোর মাধ্যমেই উৎপন্ন হয়ে থাকে ।</p>
<p>বিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে জীবে বিদ্যমান এই বিস্ময়কর ডিজাইন ডারউইনবাদকে অসিদ্ধ প্রমাণ করেছে ।</p>
<p>আমরা এই বিষয়টি নিয়ে আমাদের অন্যান্য গবেষণাগুলোয় সবিস্তরে আলোচনা করেছি এবং এভাবেই তা করে যাওয়া অব্যাহত রাখব। অবশ্য আমাদের ধারণা, বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনায় এনে এখানেও এর উপর একটি ছোট সারাংশ তৈরী করলে তা কাজে আসবে।</p>
</div>
</article>
<p>The post <a href="https://imnews24.com/archives/13570">ডারউইরেন বিবর্তনের ভ্রান্ত ধারণা</a> appeared first on <a href="https://imnews24.com">IM News</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://imnews24.com/archives/13570/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>কী শিখছে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা</title>
		<link>https://imnews24.com/archives/12945</link>
					<comments>https://imnews24.com/archives/12945#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আইএম নিউজ]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 24 Jan 2023 09:40:49 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[সম্পাদকীয়]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://imnews24.com/?p=12945</guid>

					<description><![CDATA[<p>লাজ শরমের যেন কোনোই বালাই নেই ক্লাস সিক্সের বিজ্ঞান বইয়ের একটি অধ্যায়ে। বিজ্ঞান অনুশীলন পাঠ বইয়ের ১১তম অধ্যায়ের ‘মানব শরীর’ শিরোনাম অংশে কিশোর-কিশোরীর বয়ঃসন্ধিকালে তাদের শরীরের নানা অঙ্গের যেভাবে বর্ণনা দেয়া হয়েছে প্রকাশ্যে তা পড়ার/ পড়ানোর উপযোগী নয়। শ্রেণিকক্ষে শিক্ষক কিংবা বাসাবাড়িতে অভিভাবকদের সামনেও এই বর্ণনা প্রকাশ করার মতো নয়। বইয়ের ১১৯ থেকে ১২২ পৃষ্ঠায় [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://imnews24.com/archives/12945">কী শিখছে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা</a> appeared first on <a href="https://imnews24.com">IM News</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div class="single-title">
<p><span style="font-size: 16px;">লাজ শরমের যেন কোনোই বালাই নেই ক্লাস সিক্সের বিজ্ঞান বইয়ের একটি অধ্যায়ে। বিজ্ঞান অনুশীলন পাঠ বইয়ের ১১তম অধ্যায়ের ‘মানব শরীর’ শিরোনাম অংশে কিশোর-কিশোরীর বয়ঃসন্ধিকালে তাদের শরীরের নানা অঙ্গের যেভাবে বর্ণনা দেয়া হয়েছে প্রকাশ্যে তা পড়ার/ পড়ানোর উপযোগী নয়। শ্রেণিকক্ষে শিক্ষক কিংবা বাসাবাড়িতে অভিভাবকদের সামনেও এই বর্ণনা প্রকাশ করার মতো নয়। বইয়ের ১১৯ থেকে ১২২ পৃষ্ঠায় কিশোর-কিশোরীদের বয়ঃসন্ধি অধ্যায় যেভাবে বর্ণনা করা হয়েছে, তা চটি বইয়ের রগরগে রসালো রীতিমতো গল্পকে হার মানাবে। বইটির ১২০ পৃষ্ঠায় বয়ঃসন্ধিকালে ছেলেদের শারীরিক পরিবর্তনের বিশদ বর্ণনা দেয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে বয়ঃসন্ধিকালে ছেলেদের গলার স্বর ও বিভিন্ন অঙ্গের পরিবর্তন হতে থাকে। বিশেষ করে এক জায়গায় বলা হয়েছে পেশি সুগঠিত হওয়ার পাশাপাশি ছেলেদের শিশ্ন (পেনিস) ও অ-কোষ এই সময়ে আকৃতিতে বড় হতে থাকে। এই বৃদ্ধি ঘটতে থাকে ৩০ বছর পর্যন্ত। এ ছাড়া পেনিসে রক্ত ও অক্সিজেন সঞ্চালন বৃদ্ধি হতে থাকলে ছেলেদের পেনিস সময়ে সময়ে দৃঢ়তা বা শক্ত হয়ে ওঠে। বয়স বাড়ার সাথে সাথে ছেলেদের পেনিসে ও অ-কোষে শুক্রানো তৈরি হয় এবং তা অ-কোষে জমা হতে থাকে। বইটির ১২১ পৃষ্ঠায় বলা হয়েছে ছেলেদের বয়ঃসন্ধিতে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় লোম বা পশম গজাতে থাকে। প্রথমে পেনিসের গোড়ার দিকে লোম গজালেও পরে এই লোম আস্তে আস্তে পেনিসের উপরের দিকেও ছড়িয়ে পড়ে।</span></p>
</div>
<div class="single-dtls">
<p>একই বইয়ের ১২২ পৃষ্ঠায় মেয়ের বিভিন্ন অঙ্গের যেভাবে বর্ণনা দেয়া হয়েছে তা আরো আপত্তিকর। বলা হয়েছে ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের বয়ঃসন্ধিকালে শরীরের বেশি অংশজুড়েই পরিবর্তন আসতে থাকে। মেয়ের স্তনগ্রন্থি, অর্ধনি¤œাংশ, উরু, উপরের বাহু ও নিতম্ব অঞ্চল বেশি পরিবর্তন হয়। মেয়েদের শ্রেণী দেশীয় লোম বয়ঃসন্ধিতে পৌঁছানোর প্রধান লক্ষণ। প্রথম দিকে কেবল যোনিপথের চারপাশে ও উপরের দিকে হালকা ও ছোট লোম দেখা গেলেও বয়স বাড়ার সাথে সাথে লোমের বিস্তার বাড়তে থাকে এবং ঘনত্বও বাড়ে। একই সাথে মেয়ের উরুতে ও বগলেও চুল গজাতে থাকে। মেয়েদের বয়ঃসন্ধিকালের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো এই সময়ে তাদের দুই স্তনের মধ্যে শক্ত ও কোমল পি- দেখা যায়। স্তনের উভয় পাশেই ফুলে নরম হয়ে ওঠে। আর এটি হয় মূলত মেয়েদের স্তন অঞ্চলে মেদ সঞ্চয়ের কারণে। একই অধ্যায়ে আরো বলা হয়েছে এই সময়ে মেয়েদের যোনিপথ জরায়ু ও ডিম্বাশয়েরও পরিবর্তন এবং কাজের ধরনেও ব্যাপকতা আসে। প্রথম দিকে যোনিপথে দিয়ে সাদাস্রাব বের হয়। এর দুই বছর পর থেকে যোনিপথ দিয়ে নিয়মিতভাবে মাসে রক্ত স্রাব বের হয়। এটাকেই মেয়েদের মাসিক বা পিরিয়ড বলা হয়। বইটির ১১৯ পৃষ্ঠায় এটাও বলা হয়েছে যে ছেলেমেয়েদের এসব হরমোন সেক্স বা লিঙ্গভিত্তিক হরমোন শিক্ষাই তাদেরকে পূর্ণতার দিকে নিয়ে যাবে। একটি সময়ে ছেলে এবং মেয়েরা তাদের বাহ্যিক প্রজনন অঙ্গগুলোর বিষয়ে সচেতন হয়ে উঠবে।<br />
ক্লাস সিক্সের বইয়ে যৌনতার এসব বিষয়ে এত বেশি খোলামেলা আলোচনাকে ভালোভাবে দেখছেন না অধিকাংশ অভিভাবক ও শিক্ষকরা। তাদের মতে ক্লাসরুমে ছেলেমেয়ের গোপন অঙ্গ বিষয়ে বিশদ এত আলোচনার কোনোই প্রয়োজন ছিল না। কয়েক বছর আগের পাঠ্যবইয়েও এসব বিষয়ে এভাবে বিস্তারিত বর্ণনা ছিল না। তাই বলে কি সে সময়ের শিক্ষার্থীদের কাছে এগুলো অজানা ছিল? বরং বেশি খোলামেলা আলোচনা হলেই বিপদের আশঙ্কা বেশি। ছেলেমেয়েরা লাজ শরম হারিয়ে ফেলে। তাদের মধ্যে বেহায়াপনা চলে আসে। অভিভাবকদের পক্ষেও তখন তাদের আর নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয় না। আর মেয়েদের কিছু বিষয় তারা তাদের মা খালা বা দাদী চাচীদের কাছ থেকেই বেশি জানতে পারে। বিশেষ করে মেয়েদের গোপন বিষয়গুলো এতবেশী খোলামেলাভাবে পাঠ্যবইয়ে আলোচনা করার প্রয়োজনই নেই।<br />
এ দিকে পাঠ্যবইয়ে নানা ধরনের অসঙ্গতি তুলে ধরে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বিভিন্ন ইসলামী দলের নেতারা। তারা এসব অপ্রকাশতুল্য বিষয়াদি পাঠ্যবই থেকে বাদ দেয়ারও দাবি জানিয়েছেন। জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব শাইখুল হাদিস গোলাম মহিউদ্দিন ইকরাম এ বিষয়ে বলেন, কোমলমতি ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে বেহায়াপনা বাড়াবে এমন বিষয় পাঠ্য বইয়ে থাকা কোনো মতেই উচিত নয়। একই সাথে পাঠ্যসূচি থেকে নাস্তিক্যবাদী ও বেহায়াপনার সাথে সম্পর্কিত শিক্ষা পরিহার করে সর্বস্তরে ধর্মীয় শিক্ষা বাধ্যতামূলক করতে হবে। অবিলম্বে পাঠ্যবইয়ে বিতর্কিত অংশগুলো সংশোধন করারও দাবি জানান তিনি।<br />
বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির সভাপতি ও ইসলামী ঐক্য জোটের চেয়ারম্যান মাওলানা আবদুর রকীব বলেন, নতুন শিক্ষা সিলেবাসে ইসলামবিদ্বেষী শিক্ষা সংযোজন এবং ইসলামী শিক্ষা সঙ্কোচন করে ছাত্রছাত্রীদের নাস্তিক্যবাদী বানাবার ষড়যন্ত্র চলছে। ৯৫ ভাগ মুসলমানদের এই দেশে লাজ লজ্জাহীন কোনো বিষয় পাঠ্যপুস্তকে সংযোজন দেশবাসী মেনে নেবে না। এ ছাড়া কিছু বিষয় আছে যেগুলো ধর্মীয়ভাবেই গোপনে শিক্ষালাভ করতে হবে। কাজেই সব বিষয়ে এভাবে খোলামেলাভাবে শ্রেণিকক্ষে ছাত্রছাত্রীদের একত্রে একই ক্লাসরুমে আলোচনা ইসলাম ও ঈমানের বরখেলাপ।</p>
</div>
<p>The post <a href="https://imnews24.com/archives/12945">কী শিখছে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা</a> appeared first on <a href="https://imnews24.com">IM News</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://imnews24.com/archives/12945/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>দেশের পর্যটন খাতে অপার সম্ভাবনা</title>
		<link>https://imnews24.com/archives/10715</link>
					<comments>https://imnews24.com/archives/10715#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আইএম নিউজ]]></dc:creator>
		<pubDate>Fri, 13 Jan 2023 11:46:08 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[সম্পাদকীয়]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://imnews24.com/?p=10715</guid>

					<description><![CDATA[<p>‘বাংলাদেশের নদী মাঠ বেথুই বনের ধারে, পাঠিও বিধি আমায় বারে বারে’ প্রাকৃতিক নৈস্বর্গের লীলাভূমি খ্যাত বাংলাদেশে পর্যটনশিল্পের রয়েছে অপার সম্ভাবনা। অপরিমেয় সৌন্দর্যবিস্তৃত এই দেশ যুগ যুগ ধরে বিদেশি পর্যটকদের টেনেছে। বিদেশি পর্যটকদের আকৃষ্ট করে সমৃদ্ধ হচ্ছে অর্থনীতি। পর্যটনকে শিল্প হিসেবে চিহ্নিত করায় বাংলাদেশে এ শিল্পের ব্যাপক সম্ভাবনা বর্তমান। বর্তমানে বিশ্বব্যাপী পর্যটকের সংখ্যা প্রায় ১০০ কোটি। [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://imnews24.com/archives/10715">দেশের পর্যটন খাতে অপার সম্ভাবনা</a> appeared first on <a href="https://imnews24.com">IM News</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div class=" left-align  
                  story-element"></p>
<div class="story-element story-element-text">
<div>
<p>‘বাংলাদেশের নদী মাঠ বেথুই বনের ধারে, পাঠিও বিধি আমায় বারে বারে’ প্রাকৃতিক নৈস্বর্গের লীলাভূমি খ্যাত বাংলাদেশে পর্যটনশিল্পের রয়েছে অপার সম্ভাবনা। অপরিমেয় সৌন্দর্যবিস্তৃত এই দেশ যুগ যুগ ধরে বিদেশি পর্যটকদের টেনেছে। বিদেশি পর্যটকদের আকৃষ্ট করে সমৃদ্ধ হচ্ছে অর্থনীতি। পর্যটনকে শিল্প হিসেবে চিহ্নিত করায় বাংলাদেশে এ শিল্পের ব্যাপক সম্ভাবনা বর্তমান।</p>
</div>
</div>
</div>
<div class=" left-align  
                  story-element"></p>
<div class="story-element story-element-text">
<div>
<p>বর্তমানে বিশ্বব্যাপী পর্যটকের সংখ্যা প্রায় ১০০ কোটি। ধারণা করা হচ্ছে, ২০২০ সাল নাগাদ এ সংখ্যা ২০০ কোটি ছাড়িয়ে যাবে। আর বিপুলসংখ্যক পর্যটকের প্রায় ৭৫ শতাংশ ভ্রমণ করবেন এশিয়ার দেশগুলোতে। ২০১৮ সালের মধ্যে এ শিল্প থেকে ২৯ কোটি ৭০ লাখ লোকের কর্মসংস্থান হবে, যা বিশ্ব অর্থনীতিতে অবদান রাখবে ১০ দশমিক ৫ শতাংশ (সূত্র: WTTC)। বাংলাদেশ যদি এ বিশাল বাজারে টিকে থাকতে পারে, তাহলে পর্যটনের হাত ধরেই বদলে যেতে পারে দেশের অর্থনীতির রূপরেখা।</p>
</div>
</div>
</div>
<div class=" left-align  
                  story-element"></p>
<div class="story-element story-element-text">
<div>
<p>বর্তমানে বাংলাদেশ সারা বিশ্বের দ্রুত বর্ধনশীল কয়েকটি পর্যটন মার্কেটের মধ্যে অন্যতম। ওয়ার্ল্ড ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম কাউন্সিলের (WTTC) এক গবেষণা অনুযায়ী ২০১৪ সালে পর্যটন খাতে ১ দশমিক ৩ মিলিয়ন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে, যা দেশের মোট কর্মসংস্থানের ১ দশমিক ৮ শতাংশ। ২০১৫ সালে এ খাতে কর্মসংস্থানের সুযোগ আরও ৪ শতাংশ বৃদ্ধির প্রত্যাশা এবং ২০১৪ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত প্রতিবছর গড়ে ২ দশমিক ৭ শতাংশ বৃদ্ধির সম্ভাবনা আছে। সে হিসাবে ২০২৪ সালে মোট কর্মসংস্থানের মধ্যে পর্যটন খাতের অবদান দাঁড়াবে ১ দশমিক ৯ শতাংশ। পর্যটনশিল্পের সঙ্গে জড়িত বিভিন্ন সেক্টরে যেমন-পরিবহন, হোটেল, মোটেল, রেস্তোরাঁ, রিসোর্ট, এয়ারলাইনস ও অন্যান্য যোগাযোগের মাধ্যম থেকে পৃথিবীর অনেক দেশ প্রতিবছর প্রচুর রাজস্ব আয় করে, যা অন্য যেকোনো বড় শিল্প থেকে পাওয়া আয়ের চেয়ে বেশি। ইতিমধ্যে পর্যটনকে বিশ্বের বৃহত্তম বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশগুলোর এক-তৃতীয়াংশের রপ্তানি আয়ের প্রধান উৎস পর্যটনশিল্প। বিশ্ব পর্যটন সংস্থার প্রাক্কলন অনুযায়ী, সারা বিশ্বে ১০০ মিলিয়নের বেশি মানুষ তাদের জীবন-জীবিকার জন্য এই শিল্পের ওপর নির্ভরশীল। সমগ্র বিশ্বে ২০২০ সাল নাগাদ পর্যটন থেকে প্রতিবছর ২ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় হবে।</p>
</div>
</div>
</div>
<div class=" left-align  
                  story-element"></p>
<div class="story-element story-element-text">
<div>
<p>২০১৮ সালে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারকারীর পরিসংখ্যান থেকে পরিলক্ষিত হয়, বিশ্বে ২০০টি শহরের মধ্যে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যংককে ভ্রমণ করেছেন প্রায় ২২ দশমিক ৭ মিলিয়ন পর্যটক। পর্যটকদের কাছে বিশ্বের অন্যান্য জনপ্রিয় শহর হলো প্যারিস (ফ্রান্স), দুবাই (সংযুক্ত আরব আমিরাত), সিঙ্গাপুর, কুয়ালালামপুর (মালয়েশিয়া), নিউইয়র্ক (আমেরিকা), ইস্তাম্বুল (তুরস্ক), টোকিও (জাপান) ও অন্যান্য শহর। অপর দিকে পর্যটকেরা সবচেয়ে বেশি খরচ করেছেন দুবাইয়ে (৩০ দশমিক ৮২ বিলিয়ন ডলার), সৌদি আরবে (২০ দশমিক শূন্য ৯ বিলিয়ন ডলার), ব্যাংককে (২০ দশমিক শূন্য ৩ বিলিয়ন ডলার)। থাইল্যান্ডে ভ্রমণে আসা পর্যটকদের মধ্যে চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, ভারত, যুক্তরাজ্য উল্লেখযোগ্য। ২০০৯ সালের তুলনায় ২০১৮ সালে এশিয়া-প্যাসিফিক শহরগুলোতে বিদেশি পর্যটকের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় ৯ শতাংশ, যার অন্যতম কারণ চীনের পর্যটক বৃদ্ধি। তালিকায় শীর্ষে থাকা বিভিন্ন দেশের পর্যটকের সংখ্যা বেড়েছে, তবে লন্ডনে পর্যটক হ্রাস পেয়েছে প্রায় ৪ শতাংশ।</p>
</div>
</div>
</div>
<div class=" left-align  
                  story-element"></p>
<div class="story-element story-element-text">
<div>
<p>উন্নত বিশ্বে ভ্রমণপিপাসু মানুষ সারা বছরই পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ভ্রমণ করে থাকে। বিগত এক দশকে (২০০৮-২০১৮) সারা বিশ্বে পর্যটকের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় ৭৬ শতাংশ (সূত্র:WTTC)। ক্রমান্বয়ে পর্যটকের সংখ্যা বৃদ্ধির ফলে বিভিন্ন দেশের অর্থনীতি আজ পর্যটননির্ভর হয়ে উঠছে। ভ্রমণপিপাসুদের আকৃষ্ট করতে আন্তর্জাতিক মানের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতকরণে প্রাণান্ত প্রচেষ্টা চালাচ্ছে বিভিন্ন দেশ। ২০১৮ সালের তথ্য অনুযায়ী সবচেয়ে বেশি পর্যটক ভ্রমণ করেছেন ফ্রান্স, স্পেন, যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও ইতালি। এর মধ্যে ফ্রান্সে ৮৯ দশমিক ৪ মিলিয়ন, স্পেনে ৮২ দশমিক ৮ মিলিয়ন, যুক্তরাষ্ট্রে ৭৯ দশমিক ৬ মিলিয়ন, চীনে ৬২ দশমিক ৯ মিলিয়ন, ইতালিতে ৬২ দশমিক ১ মিলিয়ন পর্যটক (সূত্র: UNWTO)।</p>
</div>
</div>
</div>
<div class=" left-align  
                  story-element"></p>
<div class="story-element story-element-text">
<div>
<p>উন্নত বিশ্বে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের অন্যতম হাতিয়ার পর্যটন। ২০১৭ সালে বিশ্ব জিডিপিতে পর্যটনের অবদান ছিল ১০ দশমিক ৪ শতাংশ এবং ২০২৭ সালে ১১ দশমিক ৭ শতাংশের প্রত্যাশা। ২০১৭ সালে পর্যটকদের ভ্রমণ খাতে ব্যয় হয়েছে ১৮৯৪ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার। তবে এ বছর পর্যটন খাতে বিনিয়োগ হয়েছে ৮৮২ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার। পর্যটন খাতে ২০১৭ সালে ১১৮ দশমিক ৪৫ মিলিয়ন মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ হয়েছে। তবে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে পর্যটন খাতে প্রায় ৩১৩ দশমিক ২ মিলিয়ন মানুষ কর্মে নিয়োজিত।</p>
</div>
</div>
</div>
<div class=" left-align  
                  story-element"></p>
<div class="story-element story-element-text">
<div>
<p>পর্যটনের অপার সম্ভাবনায় বাংলাদেশ। এখন প্রতিবছর প্রায় ৯০ থেকে ৯৫ লাখ পর্যটক দেশের অভ্যন্তরে বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রে ভ্রমণ করে থাকেন। ২০১২-১৩ সালের এ সংখ্যা ছিল প্রায় ২৫-৩০ লাখ, যা ২০০০ সালের দিকে ছিল ৩-৫ লাখ। জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের ফলে সাধারণ মানুষের কাছে ভ্রমণপিপাসা অনেকাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে বিধায় আর্থসামাজিক উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে অনন্য অবদান রাখছে। বাংলাদেশে পর্যটন খাতে সরাসরি কর্মরত আছেন প্রায় ১৫ লাখ মানুষ। এ ছাড়া পরোক্ষভাবে ২৩ লাখ। অর্থাৎ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় ৪০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়েছে, যার আর্থিক মূল্য বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা।</p>
</div>
</div>
</div>
<div class=" left-align  
                  story-element"></p>
<div class="story-element story-element-text">
<div>
<p>বাংলাদেশের পার্শ্ববর্তী দেশগুলো এই শিল্পকে প্রাধান্য দিয়ে দেশীয় অর্থনীতিকে গতিশীল করেছে অথচ এখনো কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অনুযায়ী পর্যটনশিল্পের উন্নয়ন করতে পারেনি বাংলাদেশ। উল্লেখ্য, সিঙ্গাপুরের জাতীয় আয়ের ৭৫, তাইওয়ানের ৬৫, হংকংয়ের ৫৫, ফিলিপাইনের ৫০ এবং থাইল্যান্ডের ৩০ শতাংশ পর্যটনের অবদান। মালদ্বীপের জাতীয় অর্থনীতির অধিকাংশ ও মালয়েশিয়ার জিডিপির ৭ শতাংশ পর্যটনশিল্পের অবদান। প্রাক্কলন করা হচ্ছে, দেশে ২০২০ সালে জিডিপিতে পর্যটনের অবদান হবে ৪ দশমিক ১ শতাংশ, ২০২৩ সাল নাগাদ তা ৬ দশমিক ৮ শতাংশে পৌঁছাবে।</p>
</div>
</div>
</div>
<div class=" left-align  
                  story-element"></p>
<div class="story-element story-element-text">
<div>
<p>বর্তমানে বাংলাদেশের পর্যটন খাতে আয় প্রায় ৭৬ দশমিক ১৯ মিলিয়ন ডলার। ভারত আয় করেছে ১০ হাজার ৭২৯ মিলিয়ন ডলার, মালদ্বীপ ৬০২ মিলিয়ন ডলার, শ্রীলঙ্কায় ৩৮৫ মিলিয়ন ডলার এবং নেপালে ১৯৮ মিলিয়ন ডলার, যা সার্কভুক্ত অন্যান্য দেশের তুলনায় অপ্রতুল। বিশ্ব পর্যটন সংস্থার প্রাক্কলন অনুযায়ী ২০২০ সাল নাগাদ পর্যটনশিল্প থেকে প্রতিবছর ২ ট্রিলিয়ন ডলার আয় হবে। ২০৫০ সাল নাগাদ বিশ্বের ৫১টি দেশের পর্যটকেরা বাংলাদেশে ভ্রমণ করবেন, যা মোট জিডিপির ১০ শতাংশ অবদান রাখবে। ধারণা করা হচ্ছে, ২০২৪ সালে মোট কর্মসংস্থানের ১ দশমিক ৯ শতাংশ হবে পর্যটনশিল্পের অবদান (WTTC)। পর্যটনশিল্পের অপার সম্ভাবনা কাজে লাগাতে পারলে বাংলাদেশ হবে দক্ষিণ এশিয়ার রোল মডেল।</p>
</div>
</div>
</div>
<div class=" left-align  
                  story-element"></p>
<div class="story-element story-element-text">
<div>
<p>টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য দিন বদলের সনদ ‘রূপকল্প-২০২১’ বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হতে পর্যটনশিল্পের ওপর অধিক গুরুত্ব আরোপ করতে হবে। এরই ধারাবাহিকতায় ২০২১ সাল নাগাদ বাংলাদেশে ২৫ লাখ পর্যটক আসার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণকল্পে প্রত্যাশিত অবকাঠামো উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক প্রচার-প্রচারণা বৃদ্ধি, পর্যাপ্ত বিনোদন বিকাশের সুযোগ, নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, পর্যটন এলাকায় হোটেল বৃদ্ধি এবং পর্যটন ক্ষেত্রে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি করতে পারলে, নবদিগন্তের ভোরের সূর্যের আলোর ন্যায় আলোকিত হবে অমিত সম্ভাবনার বাংলাদেশের পর্যটন।</p>
</div>
</div>
</div>
<p>The post <a href="https://imnews24.com/archives/10715">দেশের পর্যটন খাতে অপার সম্ভাবনা</a> appeared first on <a href="https://imnews24.com">IM News</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://imnews24.com/archives/10715/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>দেশ পিতার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন</title>
		<link>https://imnews24.com/archives/10027</link>
					<comments>https://imnews24.com/archives/10027#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আইএম নিউজ]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 10 Jan 2023 07:00:47 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[সম্পাদকীয়]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://imnews24.com/?p=10027</guid>

					<description><![CDATA[<p>আজ বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের ইতিহাসে এক ঐতিহাসিক দিন। বাংলাদেশের স্বাধীনতার মহানায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের এই দিনে স্বাধীন দেশে ফিরেছিলেন। বাঙালি জাতির মহান মুক্তি সংগ্রামের ইতিহাসে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের ঘটনা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। ৯ মাসের সশস্ত্র ও রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধে দেশ স্বাধীন হলেও প্রকৃতপক্ষে তাঁর দেশে ফিরে আসার মধ্য দিয়েই বাঙালির বিজয় পূর্ণতা লাভ করে। [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://imnews24.com/archives/10027">দেশ পিতার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন</a> appeared first on <a href="https://imnews24.com">IM News</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>আজ বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের ইতিহাসে এক ঐতিহাসিক দিন। বাংলাদেশের স্বাধীনতার মহানায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের এই দিনে স্বাধীন দেশে ফিরেছিলেন। বাঙালি জাতির মহান মুক্তি সংগ্রামের ইতিহাসে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের ঘটনা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। ৯ মাসের সশস্ত্র ও রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধে দেশ স্বাধীন হলেও প্রকৃতপক্ষে তাঁর দেশে ফিরে আসার মধ্য দিয়েই বাঙালির বিজয় পূর্ণতা লাভ করে। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানি হানাদাররা বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে তাঁর ধানমন্ডির বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়। তাকে পাকিস্তানের কারাগারে বন্দি করা হয়। বাঙালি যখন স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করছে, বঙ্গবন্ধু তখন পাকিস্তানের কারাগারে প্রহসনের বিচারে ফাঁসির আসামি হিসেবে মৃত্যুর প্রহর গুনছিলেন। একাত্তরের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে মহাবিজয়ের ফলে বাংলাদেশ যখন আনন্দ-উল্লাসে উত্তাল, বঙ্গবন্ধু তখনো পাকিস্তানি কারাগারে বন্দি। গোটা জাতি তখন তাঁর জীবনের নিরাপত্তার ব্যাপারে উৎকণ্ঠিত। বিশ্বনেতারা বঙ্গবন্ধুর মুক্তির দাবিতে সোচ্চার হয়ে ওঠেন। আন্তর্জাতিক চাপে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী শেষ পর্যন্ত বন্দিদশা থেকে বঙ্গবন্ধুকে সসম্মানে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। ২৯০ দিন পাকিস্তানের কারাগারে থাকার পর ১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারি ভোরে বঙ্গবন্ধু ছাড়া পান। এই দিন বঙ্গবন্ধুকে বিমানে তুলে দেয়া হয়। সকাল সাড়ে ৬টায় তিনি পৌঁছান লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দরে। ব্রিটেনের বিমানবাহিনীর একটি বিমানে করে পরের দিন ৯ জানুয়ারি দেশের পথে যাত্রা করেন বঙ্গবন্ধু। ১০ জানুয়ারি সকালেই তিনি নামেন দিল্লিতে। সেখানে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভি ভি গিরি, প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী, সে দেশের মন্ত্রিসভা, প্রধান নেতারা, তিন বাহিনীর প্রধান এবং অন্যান্য অতিথি ও সে দেশের জনগণের কাছ থেকে উষ্ণ সংবর্ধনা লাভ করেন। ১০ জানুয়ারি সকাল থেকেই বাংলাদেশের মানুষ ঢাকা বিমানবন্দরে অপেক্ষা করছিল। দুপুরে বাংলার মানুষ আনন্দাশ্রæ আর ফুলেল ভালোবাসায় বরণ করে নিলেন তাদের প্রাণের নেতাকে। ৩১ বার তোপধ্বনি হয় তেজগাঁও বিমানবন্দরে। অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ এবং মন্ত্রিপরিষদ সদস্যরা স্বাগত জানান বঙ্গবন্ধুকে। রেসকোর্স ময়দানে প্রায় ১০ লাখ লোকের উপস্থিতিতে তিনি ভাষণ দেন। পরের দিন দৈনিক ইত্তেফাক, সংবাদসহ বিভিন্ন পত্রিকায় বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন নিয়ে এভাবেই লেখা হয়- স্বদেশের মাটি ছুঁয়ে বাংলাদেশের ইতিহাসের নির্মাতা শিশুর মতো আবেগে আকুল হলেন। আনন্দ-বেদনার অশ্রæধারা নামল তাঁর দুচোখ বেয়ে। প্রিয় নেতাকে ফিরে পেয়ে সেদিন সাড়ে ৭ কোটি বাঙালি আনন্দাশ্রæতে সিক্ত হয়ে জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু ধ্বনিতে প্রকম্পিত করে তোলে বাংলার আকাশ-বাতাস। ১০ জানুয়ারি এলেই বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের কথা বাঙালির মনে দোলা দেয়। তাঁর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন আক্ষরিক অর্থেই শুধু প্রত্যাবর্তন ছিল না- সেটি অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক মুক্তিরও অঙ্গীকার ছিল। এ প্রজন্মকে বঙ্গবন্ধু এবং বাংলাদেশ সম্পর্কে জানতে হবে। জাতির জনকের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের ৫১তম বার্ষিকীতে সে দায়িত্ব পালনে অবিচল থাকার অঙ্গীকারই করতে হবে আমাদের।</p>
<p><strong><em>সম্পাদকীয়।</em></strong></p>
<p>The post <a href="https://imnews24.com/archives/10027">দেশ পিতার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন</a> appeared first on <a href="https://imnews24.com">IM News</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://imnews24.com/archives/10027/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>চাল আমদানি সিন্ডিকেটের কারসাজি রুখতে হবে</title>
		<link>https://imnews24.com/archives/9561</link>
					<comments>https://imnews24.com/archives/9561#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আইএম নিউজ]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 08 Jan 2023 05:21:33 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[সম্পাদকীয়]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://imnews24.com/?p=9561</guid>

					<description><![CDATA[<p>চাল-আটার বাজার অস্থির থাকলে নিম্ন-আয়ের মানুষের কষ্ট বাড়ে। গত কয়েক বছরে নিম্ন-আয়ের মানুষের এ কষ্ট আরও বেড়েছে। যেহেতু বর্তমানে নিত্যপণ্যের দাম গরিব মানুষের নাগালের বাইরে, সেহেতু চালের বাজার যাতে অস্থির না হয় সেজন্য কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। আমরা দেখেছি, সিন্ডিকেটের কারসাজির কারণে ভরা মৌসুমেও চালের দাম বাড়ে। কাজেই সিন্ডিকেটের তৎপরতা রোধ করতে হবে। জানা যায়, [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://imnews24.com/archives/9561">চাল আমদানি সিন্ডিকেটের কারসাজি রুখতে হবে</a> appeared first on <a href="https://imnews24.com">IM News</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>চাল-আটার বাজার অস্থির থাকলে নিম্ন-আয়ের মানুষের কষ্ট বাড়ে। গত কয়েক বছরে নিম্ন-আয়ের মানুষের এ কষ্ট আরও বেড়েছে। যেহেতু বর্তমানে নিত্যপণ্যের দাম গরিব মানুষের নাগালের বাইরে, সেহেতু চালের বাজার যাতে অস্থির না হয় সেজন্য কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।</p>
<p>আমরা দেখেছি, সিন্ডিকেটের কারসাজির কারণে ভরা মৌসুমেও চালের দাম বাড়ে। কাজেই সিন্ডিকেটের তৎপরতা রোধ করতে হবে। জানা যায়, কয়েক দফা সময় বাড়িয়েও বেসরকারিভাবে চাল আমদানির পরিমাণ বাড়ানো যায়নি। বিষয়টি উদ্বেগজনক।</p>
<p>বেসরকারি আমদানিকারকদের প্রায় তিন মাস আগে ১৪ লাখ ৯০ হাজার টন চাল আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়। কিন্তু দেশে এসেছে মাত্র ৪ লাখ ১০ হাজার টন। বাকি ১০ লাখ ৮০ হাজার টন চাল এখনো এসে পৌঁছেনি। আগামী কয়েক মাসের মধ্যে এই চাল দেশে এসে পৌঁছাবে বলে আশা করছেন খাদ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। তবে বাকি চাল সময়মতো আমদানির পদক্ষেপ নেওয়া হবে কি না, তা অনিশ্চিত।</p>
<p>বেসরকারি আমদানিকারকরা অতীতে নানা অজুহাতে চাল কম আমদানি করেছে। সেসব বিবেচনায় নিলে অনুমান করা যায়, এবারও তারা চালাকি করতে পারে। ফাঁদ পেতে অতিরিক্ত মুনাফা লাভ যাদের স্বভাব, তাদের ওপর মানুষ ভরসা রাখবে কী করে? অতীতের মতো এবারও তারা কারসাজি করছে কি না, তা খতিয়ে দেখা দরকার। বেসরকারি আমদানিকারকদের কেউ কেউ ভিত্তিহীন তথ্য ছড়িয়ে গা বাঁচানোর চেষ্টা করতে পারে।</p>
<p>এ ধরনের অপচেষ্টার কারণে মানুষ বিভ্রান্ত হতে পারে। জানা যায়, খাদ্য সংকটের যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে সরকার পর্যাপ্ত খাদ্যশস্য মজুত করতে চায়। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সময়মতো পদক্ষেপ নিতে হবে।</p>
<p>আমন ধানের চাল বাজারে এলে সাধারণত ডিসেম্বরের প্রথমদিকে দাম কমে। কিন্তু এবার দাম কমেনি। এর আগে বোরো মৌসুমেও একই চিত্র দেখা গেছে। মনে হচ্ছে, সারা বছরই ক্রেতাদের বাড়তি দামে চাল কিনতে হবে। নিত্যপণ্যের দাম চড়া থাকলেও নিম্ন ও মধ্যবিত্ত বাধ্য হয়ে আমিষ খাওয়া কমিয়ে দেয়।</p>
<p>গরিব মানুষ পুষ্টিকর খাবার কম খেলে জনশক্তি সৃষ্টিতে এর প্রভাব পড়বে। শিক্ষা ব্যয়, চিকিৎসা ব্যয়সহ বিভিন্ন ব্যয় মেটাতে গিয়ে দেশের বিপুলসংখ্যক মানুষ হিমশিম খাচ্ছে। এ অবস্থায় নিত্যপণ্যের দাম যাতে মানুষের নাগালের মধ্যে থাকে সেজন্য কর্তৃপক্ষকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। অসাধু ব্যবসায়ী ও সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া না হলে ভোক্তাদের কষ্ট দূর হবে না।</p>
<p>The post <a href="https://imnews24.com/archives/9561">চাল আমদানি সিন্ডিকেটের কারসাজি রুখতে হবে</a> appeared first on <a href="https://imnews24.com">IM News</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://imnews24.com/archives/9561/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>মুদ্রণে জটিলতা পাঠ্যবই</title>
		<link>https://imnews24.com/archives/4162</link>
					<comments>https://imnews24.com/archives/4162#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আইএম নিউজ]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 27 Sep 2022 02:37:01 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[সম্পাদকীয়]]></category>
		<category><![CDATA[মুদ্রণে জটিলতা পাঠ্যবই]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://imnews24.com/?p=4162</guid>

					<description><![CDATA[<p>নতুন শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থীদের জন্য অন্যূন সোয়া ৩৩ কোটি পাঠ্যবই মুদ্রণের কথা রয়েছে। অথচ নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু হতে মাত্র তিন মাস বাকি থাকলেও এসব বই মুদ্রণ শুরু তো দূরের কথা, গত শনিবার পর্যন্ত একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেও চুক্তি সম্পাদন করতে পারেনি জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। এ পরিস্থিতিতে ২০২৩ শিক্ষাবর্ষের শুরুতে বিনামূল্যের পাঠ্যপুস্তক হাতে পাওয়া নিয়ে [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://imnews24.com/archives/4162">মুদ্রণে জটিলতা পাঠ্যবই</a> appeared first on <a href="https://imnews24.com">IM News</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>নতুন শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থীদের জন্য অন্যূন সোয়া ৩৩ কোটি পাঠ্যবই মুদ্রণের কথা রয়েছে। অথচ নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু হতে মাত্র তিন মাস বাকি থাকলেও এসব বই মুদ্রণ শুরু তো দূরের কথা, গত শনিবার পর্যন্ত একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেও চুক্তি সম্পাদন করতে পারেনি জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। এ পরিস্থিতিতে ২০২৩ শিক্ষাবর্ষের শুরুতে বিনামূল্যের পাঠ্যপুস্তক হাতে পাওয়া নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।</p>
<p>সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এবার পাঠ্যবই নিয়ে সৃষ্ট ‘হযবরল’ অবস্থা তৈরির পেছনে রয়েছে তিনটি কারণ। প্রথমত, বিলম্বে শুরুর কারণে পাঠ্যপুস্তকসংক্রান্ত ছয়টি দরপত্রের মধ্যে একটির প্রক্রিয়াও এখন পর্যন্ত শেষ করতে পারেনি এনসিটিবি। এ কারণে বই মুদ্রণের জন্য চুক্তিও করা যায়নি। দ্বিতীয়ত, নতুন শিক্ষাক্রমে আগামী বছর চারটি শ্রেণিতে বই দেওয়ার কথা।</p>
<p>বিলম্বের কারণে প্রাথমিকের পাইলটিং (পরীক্ষামূলক প্রয়োগ) করা যায়নি। অবশ্য মাধ্যমিকে ষষ্ঠ শ্রেণির পাইলটিং কোনোমতে সম্পন্ন হয়েছে; কিন্তু এখন পর্যন্ত বই চূড়ান্ত হয়নি। তৃতীয়ত, ডলার, জ্বালানি তেল ও কাগজসহ বই মুদ্রণের অপরিহার্য উপাদানের দাম বৃদ্ধিসহ বিদ্যুতের বিদ্যমান পরিস্থিতিও সংকটের শঙ্কা তৈরি করেছে।</p>
<p>পাঠ্যবই নিয়ে এবার যে অবস্থা তৈরি হয়েছে এর দায় পুরোপুরি এনসিটিবির, এতে কোনো সন্দেহ নেই। সাধারণত পাঠ্যবই নিয়ে বছরের শেষদিকে সংকট দেখা দেয়। অথচ এবার প্রস্তুতি পর্বেই জটিলতার আভাস পাওয়া যাচ্ছে, যা অনাকাঙ্ক্ষিত। নতুন বছরের বই মুদ্রণে অনিশ্চয়তা ও জটিলতা থেকে উত্তরণের উপায় নিয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি।</p>
<p>নতুন বই হাতে নতুন ক্লাসে শিক্ষার্থীদের অভিষেক ঘটবে-এটাই প্রত্যাশিত। কিন্তু প্রতিবছরই এ নিয়ে নানারকম জটিলতা সৃষ্টি হতে দেখা যায়। এবারও যাতে সেই একই বাস্তবতার মুখোমুখি না হতে হয়, সেজন্য বাস্তবসম্মত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত।</p>
<p>সময়মতো বই না পেলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা সৃষ্টি হওয়াই স্বাভাবিক। তাছাড়া ইতঃপূর্বে দেখা গেছে, প্রকাশিত পাঠ্যপুস্তকগুলোর কোনোটির একটি অধ্যায়ের অর্ধেক নেই, আবার কোনোটির এক পৃষ্ঠার সঙ্গে অপর পৃষ্ঠার কোনো মিল নেই। ভুলে ভরা এসব পাঠ্যপুস্তক নিয়ে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকদের অতীতে বহুবার বিড়ম্বনায় পড়তে হয়েছে।</p>
<p>বস্তুত সংশ্লিষ্টদের অবহেলা ও যথাযথ তদারকির অভাবেই পাঠ্যপুস্তক থেকে ভুল ও নানা অসংগতি দূর হচ্ছে না। ভুলে গেলে চলবে না, শিক্ষার অপরিহার্য উপকরণ বই। সরকার স্কুল পর্যায়ে বিনামূল্যে পাঠ্যবই সরবরাহ করছে। শিক্ষার্থীদের হাতে সময়মতো বই তুলে দেওয়ার দায়িত্ব যেহেতু এনসিটিবির হাতে ন্যস্ত, তাই এ বিষয়ে এনসিটিবি দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবে, এটাই কাম্য।</p>
<p>The post <a href="https://imnews24.com/archives/4162">মুদ্রণে জটিলতা পাঠ্যবই</a> appeared first on <a href="https://imnews24.com">IM News</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://imnews24.com/archives/4162/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ফার্মাসিস্ট সংকট</title>
		<link>https://imnews24.com/archives/4125</link>
					<comments>https://imnews24.com/archives/4125#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আইএম নিউজ]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 26 Sep 2022 11:49:51 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[সম্পাদকীয়]]></category>
		<category><![CDATA[ফার্মাসিস্ট সংকট]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://imnews24.com/?p=4125</guid>

					<description><![CDATA[<p>দেশে স্বাস্থ্যসেবাসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে জনবল সংকটের বিষয়টি বহুল আলোচিত। ফলে রোগীর সামগ্রিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা অনিরাপদ হয়ে উঠছে। দেশের সর্বত্র ওষুধপ্রাপ্তি সুলভ করার পাশাপাশি এর নিরাপদ ব্যবহারও নিশ্চিত করা দরকার। বিশ্বমানের অনেক ওষুধ দেশে তৈরি হওয়া সত্ত্বেও এর সঠিক প্রয়োগ হচ্ছে না। সংশ্লিষ্ট জনবল সংকটে রোগীর ওপর ওষুধের ভুল প্রয়োগের আশঙ্কাও বাড়ছে। ফলে ঝুঁকিতে পড়ছে রোগীর [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://imnews24.com/archives/4125">ফার্মাসিস্ট সংকট</a> appeared first on <a href="https://imnews24.com">IM News</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>দেশে স্বাস্থ্যসেবাসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে জনবল সংকটের বিষয়টি বহুল আলোচিত। ফলে রোগীর সামগ্রিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা অনিরাপদ হয়ে উঠছে। দেশের সর্বত্র ওষুধপ্রাপ্তি সুলভ করার পাশাপাশি এর নিরাপদ ব্যবহারও নিশ্চিত করা দরকার। বিশ্বমানের অনেক ওষুধ দেশে তৈরি হওয়া সত্ত্বেও এর সঠিক প্রয়োগ হচ্ছে না। সংশ্লিষ্ট জনবল সংকটে রোগীর ওপর ওষুধের ভুল প্রয়োগের আশঙ্কাও বাড়ছে। ফলে ঝুঁকিতে পড়ছে রোগীর সামগ্রিক সুরক্ষা।</p>
<p>জানা যায়, দেশে ৩৭টি সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং টারশিয়ারি ও বিশেষায়িতসহ ৫ শতাধিক সরকারি হাসপাতাল আছে; যেখানে সেবা নিতে আসা রোগীদের ওষুধ বিতরণে অন্তত ২ হাজার গ্র্যাজুয়েট (স্নাতক) ফার্মাসিস্ট দরকার। প্রতিষ্ঠানগুলোয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কর্তৃক সৃষ্ট ৫২টি গ্র্যাজুয়েট ফার্মাসিস্টের পদের বিপরীতে মাত্র ছয়জন কাজ করছেন। সারা দেশের অন্যান্য সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ১২ হাজার ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্ট দরকার; যেখানে ৩ হাজার ২৮৬ জন ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্ট রোগীর ওষুধ বণ্টনের দায়িত্ব পালন করছেন। আলোচিত সংকটে সবচেয়ে ঝুঁকিতে রয়েছে গ্রামীণ জনপদের মানুষ।</p>
<p>অনেক ফার্মাসিস্টের অভিযোগ, দেশে প্রতিবছর সাড়ে তিন থেকে চার হাজার গ্র্যাজুয়েট ফার্মাসিস্ট বের হলেও তাদের ৮০ ভাগ সরাসরি ওষুধ উৎপাদনে কাজ করছেন। কাঙ্ক্ষিত পদে কাজের সুযোগ না পাওয়ায় প্রতি মাসে দেশ ছাড়ছেন অনেক ফার্মাসিস্ট।</p>
<p>চিকিৎসাসেবার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হতে না পারায় রোগীরাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। ফার্মাসিস্টদের ওষুধ বিক্রি ও কাউন্সেলিংয়ে কাজে লাগাতে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর ৬০০-এর বেশি মডেল ফার্মেসির লাইসেন্স দিয়েছে। কিন্তু নজরদারির অভাবে বহু ফার্মেসিতে গ্র্যাজুয়েট ফার্মাসিস্ট কর্মরত আছেন খাতা-কলমে। সারা দেশে বৈধ-অবৈধ লক্ষাধিক ফার্মেসিতে ডিপ্লোমাধারী এবং কোর্স সম্পন্ন করা ব্যক্তিরা চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়াই ওষুধ বিক্রি করছেন।</p>
<p>জানা যায়, ২০১৯ সালে সরকারি হাসপাতালের ফার্মেসিতে একজন এবং প্রতি ৫০ শয্যার বিপরীতে একজন করে ফার্মাসিস্ট নিয়োগের জন্য প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের গড়িমসিতে এ পদক্ষেপ বাস্তবায়নে দেরি হচ্ছে। বস্তুত ওষুধের দোকান থেকে হাসপাতাল-দক্ষ গ্র্যাজুয়েট ফার্মাসিস্ট কোথাও নেই। ফলে ওষুধের অযৌক্তিক ব্যবহার বাড়ছে।</p>
<p>পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় রোগীদের অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুঝুঁকি বাড়ছে। এখন অবস্থা এমন হয়েছে যে, মুদি দোকান আর ওষুধের দোকানের মধ্যে মানুষ পার্থক্য করতে পারছে না। এসব সংকট নিরসনে তদারকি জোরদার করতে হবে। দেশের সর্বত্র রোগীর সামগ্রিক স্বাস্থ্যসুরক্ষা নিশ্চিত করতে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে হবে।</p>
<p>The post <a href="https://imnews24.com/archives/4125">ফার্মাসিস্ট সংকট</a> appeared first on <a href="https://imnews24.com">IM News</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://imnews24.com/archives/4125/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বাড়ছেই চলেছে খেলাপি ঋণ</title>
		<link>https://imnews24.com/archives/3819</link>
					<comments>https://imnews24.com/archives/3819#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আইএম নিউজ]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 22 Sep 2022 04:05:53 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[সম্পাদকীয়]]></category>
		<category><![CDATA[বাড়ছেই চলেছে খেলাপি ঋণ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://imnews24.com/?p=3819</guid>

					<description><![CDATA[<p>বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, ব্যাংক খাতে চলতি বছরের জুন পর্যন্ত খেলাপি ঋণের অঙ্ক দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ২৫ হাজার ২৫৭ কোটি ৫৭ লাখ টাকা, যা গত মার্চে ছিল ১ লাখ ১৩ হাজার ৪৪১ কোটি টাকা। অর্থাৎ তিন মাসেই খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেড়েছে ১১ হাজার ৮১৭ কোটি টাকা। এর সঙ্গে পুরোনো ঋণখেলাপির টাকা মিলে এপ্রিল-জুন [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://imnews24.com/archives/3819">বাড়ছেই চলেছে খেলাপি ঋণ</a> appeared first on <a href="https://imnews24.com">IM News</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, ব্যাংক খাতে চলতি বছরের জুন পর্যন্ত খেলাপি ঋণের অঙ্ক দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ২৫ হাজার ২৫৭ কোটি ৫৭ লাখ টাকা, যা গত মার্চে ছিল ১ লাখ ১৩ হাজার ৪৪১ কোটি টাকা। অর্থাৎ তিন মাসেই খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেড়েছে ১১ হাজার ৮১৭ কোটি টাকা। এর সঙ্গে পুরোনো ঋণখেলাপির টাকা মিলে এপ্রিল-জুন পর্যন্ত নতুন করে ঋণখেলাপি হয়েছে ১৫ হাজার ৪৯১ কোটি টাকা। এর মধ্যে নগদ আদায় হয়েছে মাত্র ৩ হাজার ৮৫৮ কোটি টাকা, যা মোট খেলাপির ৩ দশমিক ৬১ শতাংশ।</p>
<p>ব্যাংক খাতের ঋণখেলাপ সংস্কৃতি এখন সাধারণ বিষয়ে পরিণত হয়েছে। ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদরা বলছেন, খেলাপি ঋণের পরিমাণ বাড়লেও খেলাপিদের বিরুদ্ধে নেই শাস্তি বা তিরস্কারের ব্যবস্থা। উলটো খেলাপিদের দেওয়া হয় বিভিন্ন ধরনের সুবিধা-যেমন সুদ হ্রাস, মেয়াদ বৃদ্ধি ইত্যাদি। দেখা গেছে, এসব সুবিধা পেয়ে তারা আর ঋণ শোধ করেন না; বরং মনে করেন খেলপি হলেই বেশি সুবিধা পাওয়া যাবে।</p>
<p>এর ফলেই যে খেলাপি ঋণের পরিমাণ বাড়ছে, তা বলাই বাহুল্য। এ অবস্থায় যত দ্রুত সম্ভব খেলাপিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিয়ে তাদের শাস্তি নিশ্চিত করা উচিত। ঋণখেলাপিদের শাস্তি না হওয়ায় দেখা গেছে, ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে কেউ বিদেশে টাকা পাচার করেন, কেউবা সেই টাকা খাটান পুঁজিবাজারে। কেউ এক খাতে ঋণ নিয়ে বিনিয়োগ করেন অন্য খাতে। বলার অপেক্ষা রাখে না, এ প্রবণতা ব্যাংক খাতের জন্য অশনিসংকেত। এভাবে চলতে থাকলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি খারাপ থেকে খারাপতর হবে।</p>
<p>খেলাপি ঋণ না কমে বরং দিনদিন বৃদ্ধি পাওয়ার পেছনে ইচ্ছাকৃত খেলাপিদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়াই শুধু দায়ী নয়, এর পেছনে আরও অনেক কারণ রয়েছে। ব্যাংকগুলোর শীর্ষ পর্যায়ে থাকা ব্যক্তিদের দুর্নীতি ও অনিয়মের ফলেও জালিয়াতি ও অর্থ আত্মসাতের ঘটনা ঘটছে। এ প্রেক্ষাপটে ঋণখেলাপিদের আষ্টেপৃষ্ঠে বাঁধতে ব্যাংক কোম্পানি আইন কঠোর করার পাশাপাশি এর বাস্তবায়নে সরকারের রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। মুজিববর্ষে ঘোষিত খেলাপি ঋণমুক্ত দেশ গড়ার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সরকার এ ব্যাপারে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে-এটাই প্রত্যাশা।</p>
<p>The post <a href="https://imnews24.com/archives/3819">বাড়ছেই চলেছে খেলাপি ঋণ</a> appeared first on <a href="https://imnews24.com">IM News</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://imnews24.com/archives/3819/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
