<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>জনদুর্ভোগ Archives - IM News</title>
	<atom:link href="https://imnews24.com/%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AD%E0%A7%8B%E0%A6%97/feed" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://imnews24.com/জনদুর্ভোগ</link>
	<description>Popular Bangla News Portal</description>
	<lastBuildDate>Mon, 27 Mar 2023 17:13:28 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=7.0</generator>

<image>
	<url>https://imnews24.com/wp-content/uploads/2023/03/cropped-logo-32x32.jpg</url>
	<title>জনদুর্ভোগ Archives - IM News</title>
	<link>https://imnews24.com/জনদুর্ভোগ</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>মুরগির দাম কমলেও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যর দাম চড়া</title>
		<link>https://imnews24.com/archives/24842</link>
					<comments>https://imnews24.com/archives/24842#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আইএম নিউজ]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 27 Mar 2023 17:13:28 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জনদুর্ভোগ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://imnews24.com/?p=24842</guid>

					<description><![CDATA[<p>বছরজুড়েই নিত্যপণ্যের দাম নিয়ে হাহাকার লেগে থাকে। গরু, মুরগি, খাসি সবকিছুর দাম আগে থেকেই বাড়তি। বাজারে এখন কম দামে কোনো মাছও পাওয়া যাচ্ছে না। সব ধরনের মাছের দাম বাড়তি। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তি পোহাতে হয় নিম্ন ও নিম্নমধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষের। অবস্থার পরিবর্তন হয় না রমজান মাসেও। প্রতি বছরই রমজান ঘনিয়ে এলে বাজারে দ্রব্যসামগ্রীর দাম নিয়ন্ত্রণের বাইরে [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://imnews24.com/archives/24842">মুরগির দাম কমলেও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যর দাম চড়া</a> appeared first on <a href="https://imnews24.com">IM News</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>বছরজুড়েই নিত্যপণ্যের দাম নিয়ে হাহাকার লেগে থাকে। গরু, মুরগি, খাসি সবকিছুর দাম আগে থেকেই বাড়তি। বাজারে এখন কম দামে কোনো মাছও পাওয়া যাচ্ছে না। সব ধরনের মাছের দাম বাড়তি। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তি পোহাতে হয় নিম্ন ও নিম্নমধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষের। অবস্থার পরিবর্তন হয় না রমজান মাসেও।</p>
<p>প্রতি বছরই রমজান ঘনিয়ে এলে বাজারে দ্রব্যসামগ্রীর দাম নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। পেঁয়াজ, মরিচ, ডাল, গরম মসলা, চিনি, শাকসবজিসহ নিত্য দ্রব্যগুলোর আকাশচুম্বী দাম বেড়ে যায়। এতে সেহরি ও ইফতারে বিশেষ বিড়ম্বনায় পড়তে হয় রোজাদারদের। কষ্ট ও দুর্ভোগ চরমভাবে বেড়ে যায় সাধারণ মানুষের। অথচ রমজান মাসে সবকিছু স্বাভাবিক থাকা উচিত। রোজার দিনগুলোতেও বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য থাকে লাগামহীন।</p>
<p>অথচ প্রতিবারই রমজান এলে সরকারের সংশ্লিষ্টরা সাধারণ মানুষকে আশ্বস্ত করেন। বলা হয়, রমজানে পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে কঠোরভাবে বাজার পর্যবেক্ষণ করা হবে। বলা হয়, রমজানে দ্রব্যমূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখা হবে। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন কথা বলে । আদতে হয় না এসবের কোনোকিছুই ঘটে না আশ্বাসের প্রতিফলনও। পবিত্র  সিয়াম সাধনার মাস মাহে রমজানই মধ্যে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম একটুও কমে নাই বরং গত মাসের চেয়ে দাম  বাড়তি। তা নিয়েই এখন দরিদ্র ও নিম্নবিত্তের মানুষের চোখে মুখে চিন্তার ছাপ। সাপ্তাহিক ছুটির দিনে বাজারে সরবরাহ ঘাটতি না থাকা সত্ত্বেও ব্রয়লার মুরগি ও সবজিসহ প্রায় সবকিছুর দামই ঊর্ধ্বমুখী। শুধু একদিনের ব্যবধানে ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিপ্রতি বেড়েছে ২০ টাকা।</p>
<p>গত শনিবার  (২৬মার্চ) সকালে  রংপুর নগরীর চকবাজার গিয়ে দেখা যায়, ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ২২০  টাকায়। যা গত সপ্তাহের তুলনায় কেজি প্রতি ৪০ টাকা কমেছে।অন্য  গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা আর খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ১১০০ টাকা কেজি।</p>
<p>ব্রয়লার মুরগি দাম কমায় কিছুটা স্বস্তি দেখা গিয়েছে মানুষের মাঝে,বিশেষ করে মেসের শিক্ষার্থীদের মাঝে। এ বিষয়ে  একজন শিক্ষার্থীর সাথে কথা বলে জানতে পারি  তিনি বলেন,    মেসের খাবারের যে গুনগত মান যেটি সত্যিকার অর্থে খাওয়ার অনুপযোগী। এমতাবস্থায় দ্রব্য মুল্যের যে উর্ধগতি    মেসে থেকে পড়াশোনা  চালিয়ে যাওয়া  অনেক কষ্টকর হয়ে গেছে।</p>
<p>এদিকে রমজান মাসে সবজি বাজারে প্রতিটি সবজি বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে। ফুলকপি ও বাঁধাকপি ৪০টাকা, বেগুন ৫০ টাকা, টমেটো ৩০-৩৫ টাকা, লাউ ও শিম ৪০টাকা, কড়লা ৬৫ টাকা এবং সজিনা ১০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। এদিকে বাজারে গত এক মাসে ছোলার দাম বেড়েছে কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা। মাসখানেক আগে প্রতি কেজি ছোলা বিক্রি হয়েছে ৮০-৮৫ টাকা দরে, যা এখন ৯৫-১০০ টাকা। ছোলার সঙ্গে ছোলাবুটের দামও বেড়েছে ৫-১০ টাকা। বাজারে প্রতি কেজি ছোলাবুট বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ৯৫ টাকায়।</p>
<p>এছাড়া অ্যাংকর ডাল কেজিতে ১০ টাকার মতো বেড়ে ৭০-৮০ টাকা এবং একইভাবে বেসনের দাম বেড়ে ১০০ থেকে ১০৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। দাম বাড়ায় ক্ষোভ জানিয়েছেন ক্রেতারা। সবকিছুর দাম কমানোর দাবি জানিয়েছেন তারা। বাজারে মনিটরিং ব্যবস্থা না থাকায় এমন অবস্থা তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ ক্রেতাদের</p>
<p dir="ltr"><em><strong>লেখক:</strong></em></p>
<p dir="ltr"><em><strong>মো:গোলাম রক্বিব</strong></em></p>
<p dir="ltr"><em><strong> শিক্ষার্থী ,গণযোগাযোগও সাংবাদিকতা বিভাগে,</strong></em></p>
<p dir="ltr"><em><strong>বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়,রংপুর ।</strong></em></p>
<p>The post <a href="https://imnews24.com/archives/24842">মুরগির দাম কমলেও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যর দাম চড়া</a> appeared first on <a href="https://imnews24.com">IM News</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://imnews24.com/archives/24842/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>চিলমারী কমিউটার ট্রেনের যাত্রীসংখ্যা বাড়লেও বাড়েনি আসন</title>
		<link>https://imnews24.com/archives/24480</link>
					<comments>https://imnews24.com/archives/24480#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আইএম নিউজ]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 25 Mar 2023 17:51:50 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জনদুর্ভোগ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://imnews24.com/?p=24480</guid>

					<description><![CDATA[<p>চিলমারী কমিউটার নামের এই মেইল ট্রেনটি রমনা বাজার স্টেশন থেকে ছেড়ে কাউনিয়া হয়ে রংপুর পর্যন্ত যাতায়াত করে । ফেরার সময় রংপুর-লালমনিরহাট-কাউনিয়া হয়ে রমনা বাজার নিয়মিত চলাচল করে।   বলতে গেলে বাড়িতে যাওয়া আসার ক্ষেত্রে  আমিও এই ট্রেনে নিয়মিত চলাচল করি।  সম্প্রতি এই মেইল ট্রেনের যাত্রীসংখ্যা চোখে পড়ার মতো।কারণ  নিরাপদ যাতায়াত ও যাতায়াত খরচ কম হওয়ায় [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://imnews24.com/archives/24480">চিলমারী কমিউটার ট্রেনের যাত্রীসংখ্যা বাড়লেও বাড়েনি আসন</a> appeared first on <a href="https://imnews24.com">IM News</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p dir="ltr">চিলমারী কমিউটার নামের এই মেইল ট্রেনটি রমনা বাজার স্টেশন থেকে ছেড়ে কাউনিয়া হয়ে রংপুর পর্যন্ত যাতায়াত করে । ফেরার সময় রংপুর-লালমনিরহাট-কাউনিয়া হয়ে রমনা বাজার নিয়মিত চলাচল করে।   বলতে গেলে বাড়িতে যাওয়া আসার ক্ষেত্রে  আমিও এই ট্রেনে নিয়মিত চলাচল করি।  সম্প্রতি এই মেইল ট্রেনের যাত্রীসংখ্যা চোখে পড়ার মতো।কারণ  নিরাপদ যাতায়াত ও যাতায়াত খরচ কম হওয়ায় যাত্রী সংখ্যা বেড়েছে পূর্বের  চেয়ে কয়েকগুণ। এদিকে ট্রেনের ধারণ ক্ষমতা পূর্বের সাতটি বগি থেকে কমে  পাঁচটিতে দাড়িয়েছে। ১৯৬৭ সালে কুড়িগ্রাম থেকে চিলমারী পর্যন্ত নতুন ২৮.৫৫ কিলোমিটার মিটারগেজ রেললাইন তৈরি হয়। ২০২০ সালের পূর্বে নিয়মিত রমনা-পার্বতীপুর নিয়মিত চলাচল করতো। করোনার সময় দীর্ঘদিন এই ট্রেনটি বন্ধ থাকার পর ২০২২ সালের মার্চ মাসের ট্রেনটি পুনরায় উদ্বোধন করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন এমপি।</p>
<p dir="ltr">গত সপ্তাহে আমি রমনা রেলস্টেশন থেকে রংপুর আসার উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হয়ে স্টেশনে এসে যেসব যাত্রী দেখতে পেলাম তাদের অধিকাংশই রংপুরের যাত্রী। আর যাত্রী সংখ্যা বাড়ার অন্যতম কারণ হচ্ছে যাতায়াত খরচ তুলনামূলক কম এবং নিরাপদ যাত্রা।  আপনি যদি লোকাল বাসে রংপুর আসতে চান তাহলে আপনাকে ট্রেনের তুলনায় চার গুন টাকা গুনতে হবে।  রমনা এবং বালাবাড়ি স্টেশনেই ট্রেনের আসন সংখ্যা পূর্ণ হয়ে যায়।</p>
<p dir="ltr">উলিপুর, পাঁচপির, কুড়িগ্রাম, রাজারহাট, সিঙ্গেরডাবরিসহ অন্যান্য স্টেশনের যাত্রীরা দাড়িয়ে, ইঞ্জিনে বসে যাতায়াত করে যা নিত্যদিনের ঘটনা  । তাছাড়াও অনেকে ছাদে বসে যাতায়াত করে যা ঝুকিপূর্ণ । রংপুরগামী রফিকুল ইসলাম নামে একজন ব্যবসায়ীর সাথে কথা হলো। তিনি বললেন, প্রায় সময়ে ব্যবসায়ী পণ্য আনার জন্য রংপুর যেতে হয়। আগের চেয়ে মানুষ এখন বেশি যাতায়াত করে ট্রেনে। উলিপুর পার হলে দাঁড়ানোর জাগাও পাওয়া যায় না। আগে চেয়ে ট্রেনের বগি  এখন কম। যে কয়েকটা বগি আছে তারও কিছু সিট ভাঙ্গা। এই হলো  চিলমারী কমিউটার ট্রেনের অবস্থা।  ২০২২ সালে যখন  ট্রেনটি চালু হয়েছিল সে সময়  ট্রেনের বগি সংখ্যা ছিল সাতটি। বর্তমানে এর সংখ্যা কমে পাঁচটিতে দাঁড়িয়েছে। যেখানে যাত্রী সংখ্যা ঊর্ধ্বমুখী সেখানে ট্রেনের বগি সংখ্যা কমানোর বিষয়টি বোধগম্য না।</p>
<p dir="ltr">কিছুদিন আগে চিলমারী নৌবন্দরটি সরকার পুনরায় চালু করেছে।  চিলমারী বন্দর থেকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, মেঘালয় খুব কাছে। ভারতের উত্তর–পূর্বাঞ্চলীয় সাতটি রাজ্য এই বন্দর ব্যবহার করতে পারে । এক্ষেত্রে এই ট্রেন বিশেষ ভুমিকা পালন করতে পারে মালামাল বহনে  ।</p>
<p dir="ltr">উন্নয়নের প্রতীক হিসেবেই সারা বিশ্বে রেলকে বিবেচনা করা হয়। যে দেশ যত উন্নত, তার রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা ও ব্যবস্থাপনা তত উন্নত। সরকারও চেষ্টা করছে দেশের যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নত করতে।  প্রতি বছর এর উন্নয়নে বিপুল বরাদ্দ দেয়া হচ্ছে। এসব উন্নয়ন বরাদ্দে বৈষম্যের শিকার চিলমারী কমিউটার ও রেল স্টেশন গুলো।</p>
<p dir="ltr">১৯৬৭ সালের পর কুড়িগ্রাম-রমনা রেল লাইনের অবকাঠামো উন্নয়নে কর্তৃপক্ষ কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। তবে আশার কথা হলো সাম্প্রতি কুড়িগ্রাম হতে উলিপুর পর্যন্ত রেল লাইন আধুনিকরণের কাজ চলমান। এটি বাস্তবায়িত হলে কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস উলিপুর রেল স্টেশন পর্যন্ত চলাচল করবে। এখানেও বৈষম্যের শিকার চিলমারী। রমনা স্টেশন থেকে উলিপুর স্টেশনের দূরত্ব ১১ কিলোমিটার । এই  টুকু পথ অতিক্রম করতে ট্রেনের সময় লাগে ৩০-৩৫ মিনিট এবং উলিপুর স্টেশন থেকে কুড়িগ্রাম স্টেশন পৌঁছাতে সময় লাগে ১ ঘন্টা ২০ মিনিট প্রায়। ২৭ কি.মি. পথ পাড়ি দিতে সময় লাগে ১ ঘন্টা ৪৫-৫০ মিনিট। যেখানে সিএনজি, অটোরিকশার মাধ্যমে ১ ঘন্টায় অনায়াসে এই পথ পাড়ি দেওয়া যায়। এর জন্য অনুন্নত অবকাঠামোই দায়ী। কুড়িগ্রাম হতে উলিপুর পর্যন্ত রেল লাইন আধুনিকরণের কাজ শেষ হলে এর দুর্ভোগ কিছুটা লাঘব হবে। এতে করে দারিদ্রপীড়িত কুড়িগ্রামবাসীর সাধারণ মানুষের স্বল্প খরচে রাজধানীর সাথে যোগাযোগে ভূমিকা রাখবে।</p>
<p dir="ltr">অন্যদিকে ট্রেনের সময়সূচি নিয়ে স্থানীয় মানুষের মধ্যে অসন্তোষ আছে। কারণ, পূর্বে লোকাল ট্রেন হিসেবেই চলত। বর্তমানে এটি রংপুর এক্সপ্রেসের সংযোগকারী কমিউটার ট্রেন নামে চালানো হচ্ছে। সকাল ৮ টায় রমনা স্টেশন ছেড়ে চলে যায় রংপুর-লালমনিরহাট-কাউনিয়া-কুড়ি<wbr />গ্রাম-কাউনিয়া থেকে রাত পৌনে বারোটার সময় রমনা স্টেশন পৌছায়। কাউনিয়া থেকে কুড়িগ্রাম স্টেশন পর্যন্ত যাত্রী থাকলেও কুড়িগ্রাম স্টেশন থেকে রাত ১০ টার যখন  রমনা স্টেশন আসার জন্য রওনা হয় অনেক ক্ষেত্রে ট্রেন যাত্রী বিহীন  ফাঁকা থাক। করোনার প্রাদুর্ভাবের পূর্বে ট্রেন দিনে ৪ বার আসতো এখন দিনে ২ বার আসে।</p>
<p dir="ltr">ট্রেনের সময়সূচি যাত্রী বান্ধব না হওয়ায় স্বাধারণ মানুষের দাবি যাত্রী বান্ধব ট্রেনের শিডিউল করা। রমনা থেকে উলিপুর স্টেশন পর্যন্ত রেল লাইনের অবকাঠামো আধুনিকরণ করা এবং ট্রেনের বগি সংখ্যা বৃদ্ধি করা।</p>
<p dir="ltr">
<p dir="ltr"><em><strong>প্রতিবেদক:</strong></em></p>
<p dir="ltr"><em><strong>মোঃ ফরহাদ মিয়া </strong></em></p>
<p dir="ltr"><em><strong>শিক্ষার্থী,গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ</strong></em></p>
<p dir="ltr"><em><strong>বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর। </strong></em></p>
<p>The post <a href="https://imnews24.com/archives/24480">চিলমারী কমিউটার ট্রেনের যাত্রীসংখ্যা বাড়লেও বাড়েনি আসন</a> appeared first on <a href="https://imnews24.com">IM News</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://imnews24.com/archives/24480/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>নদীবন্দি দেড়শ পরিবার, নেই রাস্তা-ব্রিজ</title>
		<link>https://imnews24.com/archives/15567</link>
					<comments>https://imnews24.com/archives/15567#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আইএম নিউজ]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 13 Feb 2023 10:23:19 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জনদুর্ভোগ]]></category>
		<category><![CDATA[নদীবন্দি দেড়শ পরিবার]]></category>
		<category><![CDATA[নেই রাস্তা-ব্রিজ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://imnews24.com/?p=15567</guid>

					<description><![CDATA[<p>নদীবিধৌত গ্রাম মহিবান্দী। আঁকাবাঁকা নদীর তীরে ‘দ্বীপ’ হিসেবে পরিচিত ‘মহিষবান্দী পুর্বপাড়া’। এখানে প্রায় দেড়শ পরিবারের বসবাস। ভাঙনের থাবায় বাড়িগুলোর চারপাশে বয়ে গেছে নদী। যার ফলে নদীবন্দি হয়ে পড়েছে মানুষ। তাদের চলাচলের নেই কোনো রাস্তা। পারাপারের জন্য আছে একটি নড়বড়ে বাঁশের সাঁকো। ঝুঁকিপূর্ণ এই সাঁকো আর অন্যের কৃষি জমির আইল দিয়ে চলাফেরা করতে হয় তাদের। এতে [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://imnews24.com/archives/15567">নদীবন্দি দেড়শ পরিবার, নেই রাস্তা-ব্রিজ</a> appeared first on <a href="https://imnews24.com">IM News</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>নদীবিধৌত গ্রাম মহিবান্দী। আঁকাবাঁকা নদীর তীরে ‘দ্বীপ’ হিসেবে পরিচিত ‘মহিষবান্দী পুর্বপাড়া’। এখানে প্রায় দেড়শ পরিবারের বসবাস। ভাঙনের থাবায় বাড়িগুলোর চারপাশে বয়ে গেছে নদী। যার ফলে নদীবন্দি হয়ে পড়েছে মানুষ। তাদের চলাচলের নেই কোনো রাস্তা। পারাপারের জন্য আছে একটি নড়বড়ে বাঁশের সাঁকো। ঝুঁকিপূর্ণ এই সাঁকো আর অন্যের কৃষি জমির আইল দিয়ে চলাফেরা করতে হয় তাদের। এতে নানা দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে তারা।</p>
<p>সরেজমিনে গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের মহিষবান্দী পুর্বপাড়ায় (দ্বীপ) এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, মানুষের সীমাহীন ভোগান্তির চিত্র। এই স্থানের ঘাঘটের ওপর ভাঙা বাঁশের সাঁকো দিয়ে পারাপার হচ্ছে শিশু-শিক্ষার্থীসহ নানা বয়সের মানুষ। ওপারে পৌঁছে নেই কোনো রাস্তা। বাধ্য হয়ে কৃষকের জমির আইল দিয়ে হেঁটে উঠতে হয় মূল সড়কে।</p>
<p>স্থানীয়রা জানান, ওই স্থানে কয়েক যুগ ধরে শতাধিক পরিবার বসবাস করে আসছেন। এখানকার সবগুলো পরিবার দরিদ্র সীমার নিচে জীবনযাপন করছেন। তাদের অন্যের জমির আইল (ঘাটা) দিয়ে প্রায় ৬০০ মিটার হেঁটে প্রধান সড়কে পৌঁছাতে হয়। তৎকালীন বাড়িগুলোর তিন পাশে নদী থাকলেও উত্তর পাশে ছিল না কোনো নদী। এরই মধ্যে বছর দুয়েক আগে অব্যাহত ভাঙনে এখন বসতভিটার চারপাশে বয়ে গেছে নদীটি। একপর্যায়ে দক্ষিণ পাশে বিশাল খালে পরিণত হয়েছে। যার কারণে নদীবন্দি হয়ে পড়েছে দ্বীপের মানুষেরা। সময়ের ব্যবধানে সমাজ উন্নয়ন তথা দেশের পরিবর্তন ঘটলেও আজও উন্নয়নে পরিবর্তন হয়নি এই দ্বীপের করুণ অবস্থা। জনপ্রতিনিধিদেরও নজরে আসেনি ওই স্থানে রাস্তা ও ব্রিজ নির্মাণে।বিদ্যমান পরিস্থিতিতে বর্ষা মৌসুম এলেই নদীর পানি কানায় কানায় ভরে গেলে বেড়ে যায় আরও দুর্গতি। এছাড়াও হঠাৎ কোনো রোগী অসুস্থ হয়ে পড়লে তার জীবন নির্ভর করে সময়ের উপর। একটু দেরি হলেই রোগীর জীবন অসহ্য যন্ত্রণাসহ ওখানেই মৃত্যুর প্রহর গুণতে হয়। এছাড়া শিক্ষার আলো থেকে ঝড়ে পড়ছে তাদের সন্তানেরা। এমনভাবে রাস্তা-ব্রিজের অভাবে কয়েক বছর ধরে লেগে আছে মানুষের চরম ভোগান্তি। বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের দাবি এই স্থানে রাস্তা নির্মাণসহ খালের ওপরে ব্রিজ নির্মাণ হওয়া অত্যন্ত জরুরি। এটি বাস্তবায়ন হলে মানুষ নির্বিঘ্নে যাতায়াত করাসহ শিক্ষিত হতে পারবে সন্তানেরা।</p>
<p>স্থানীয় জামিরুল ইসলাম ও ফুল মিয়া বলেন, ‘প্রতিদিন প্রয়োজনীয় কাজে নড়বড়ে সাঁকো দিয়ে পারাপার হতে হয়। এতে আমাদের সময় নষ্ট এবং জীবনের ঝুঁকিতে থাকতে হয়। এখানে একটি রাস্তা ও ব্রিজ নির্মাণের জন্য দাবি করছি।’</p>
<p>হাফিজার রহমান নামের আরেক বাসিন্দা বলেন, ‘আমি পেশায় ভ্যানচালক। আমাদের বাড়িতে ঢোকার রাস্তা ও ব্রিজ না থাকায় ভ্যানটি অন্যের বাড়িতে রাখতে হয়। রাতের বেলায় সেখান থেকে কৃষকের মাঠ হেঁটে বাড়িতে ঢুকতে হয়। সেই সঙ্গে রাস্তা ও ব্রিজ না থাকায় আমাদের ছেলেমেয়েদের বিয়ে করাতে কঠিন বেগ পেতে হচ্ছে।’</p>
<p>ছামিউল ইসলাম নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘স্কুলে যেতে ভাঙা সাঁকো পার হতে খুব ভয় লাগে। এজন্য স্কুলে যাওয়ার ইচ্ছে করে না।’</p>
<p>এ বিষয়ে রসুলপুর ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত ওয়ার্ড সদস্যার স্বামী আমিনুল ইসলাম জানান, মহিষবান্দী পুর্বপাড়া গ্রামের মানুষদের দুর্ভোগের অন্ত নেই। এখানে রাস্তা ও ব্রিজ নির্মাণ অত্যান্ত জরুরি। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিদের কাছে লিখিত আবেদন করা হবে।</p>
<p>সাদুল্লাপুর উপজেলা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সাহারিয়া খান বিপ্লব বলেন, ওই স্থানে এমন সমস্যা দাঁড়িয়েছে সেটি জানা নেই। খতিয়ে দেখা হবে।</p>
<p>এ ব্যাপারে গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্লাপুর-পলাশবাড়ী) সংসদীয় আসনের এমপি অ্যাডভোকেট উম্মে কুলছুম স্মৃতির সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। কিন্ত তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।</p>
<p>The post <a href="https://imnews24.com/archives/15567">নদীবন্দি দেড়শ পরিবার, নেই রাস্তা-ব্রিজ</a> appeared first on <a href="https://imnews24.com">IM News</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://imnews24.com/archives/15567/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>আটকে আছে ঘাঘট লেক প্রকল্পের কাজ, চরম দুর্ভোগ</title>
		<link>https://imnews24.com/archives/15295</link>
					<comments>https://imnews24.com/archives/15295#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আইএম নিউজ]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 12 Feb 2023 09:16:09 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জনদুর্ভোগ]]></category>
		<category><![CDATA[আটকে আছে ঘাঘট লেক প্রকল্পের কাজ]]></category>
		<category><![CDATA[চরম দুর্ভোগ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://imnews24.com/?p=15295</guid>

					<description><![CDATA[<p>গাইবান্ধা শহরের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত ঘাঘট নদী লুপ কাটিংয়ের ফলে নদীর ৩ কিলোমিটার অংশ খালে পরিণত হয়। খালটি পরিত্যক্ত পরিবেশ দূষণের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটিকে বিনোদনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে ৬ বছর আগে ঘাঘট উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নেওয়া হলেও আজও শেষ হয়নি কাজ। অজ্ঞাত কারণে কাজটি আটকে থাকায় খালের দুই পাশে বসবাস করা সহস্রাধিক মানুষ দখল [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://imnews24.com/archives/15295">আটকে আছে ঘাঘট লেক প্রকল্পের কাজ, চরম দুর্ভোগ</a> appeared first on <a href="https://imnews24.com">IM News</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>গাইবান্ধা শহরের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত ঘাঘট নদী লুপ কাটিংয়ের ফলে নদীর ৩ কিলোমিটার অংশ খালে পরিণত হয়। খালটি পরিত্যক্ত পরিবেশ দূষণের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটিকে বিনোদনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে ৬ বছর আগে ঘাঘট উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নেওয়া হলেও আজও শেষ হয়নি কাজ। অজ্ঞাত কারণে কাজটি আটকে থাকায় খালের দুই পাশে বসবাস করা সহস্রাধিক মানুষ দখল ও দূষণে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।</p>
<p>জানা যায়, পুরাতন ওই ঘাঘট নদীর (বর্তমানে খাল) তীরে জেলা প্রশাসকের বাসভবন, জেলা জজের বাসভবন, পোস্ট অফিস, স্বাধীনতা প্রাঙ্গণ, আনসার ও ভিডিপি অফিস, এসিল্যান্ড অফিস, পুরাতন বাজারসহ সাধারণ মানুষের হাজার হাজার ঘরবাড়ি অবস্থিত। নদী লুপ কাটিং করে শহর থেকে দূরে সরিয়ে নেওয়ায় খালে পরিণত হওয়া নদীটি গত তিন দশকে ভাগাড়ের রূপ নিয়েছে। একদিকে ময়লা আবর্জনা ফেলে যেমন এটিকে দূষিত করা হচ্ছে তেমনি পুরো খাল কচুরি পানায় ভরে গেছে। আবার দুই পারে সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিদের বেশ কিছু অবৈধ স্থাপনাও গড়ে উঠেছে।</p>
<p>এদিকে ঘাঘট লেকটিকে ঘিরে বিনোদন কেন্দ্র গড়ে তুলতে স্থানীয়রা দীর্ঘদিন আন্দোলন কর্মসূচি পালন করেছে। ফলে ২০১৭ সালে এটির উন্নয়নের জন্য ২৭ কোটি টাকার একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়। যা বাস্তবায়ন করছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)। প্রকল্পের আওতায় খালের ওপর ৫৪ ও ৫৫ মিটার দৈর্ঘ্যের দুটি ব্রিজ, সংযোগ সড়ক, একটি ওয়াশ ব্লক, ২০টি বসার বেঞ্চ, ৪টি ঘাট, উভয়পাড়ে ছয় ফুট করে ফুটপাত, দুটি স্লুইস গেট, আবর্জনার ডাম্পিং স্টেশন, সিসি ব্লক দিয়ে নদীর স্লোপ প্রটেকশন, তলদেশের মাটি কাটা এবং বৃক্ষরোপণ করা হবে। গত ছয় বছরে এই প্রকল্পের ৬০ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। থেমে আছে দুটি ব্রিজ, ডাম্পিং স্টেশন, স্লোপ প্রটেকশন ও ফুটপাত নির্মাণসহ আরও কিছু কাজ।</p>
<p>স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, পরিত্যক্ত থাকায় পুরো খাল কচুরিপানায় ভরে গেছে। সেখানে মশামাছি পোকামাকড়ের বাস গড়ে উঠেছে। মানুষ যে যার মতো ময়লা আবর্জনা ফেলছে। পুরাতন বাজার এলাকায় বাজারের ময়লা বর্জ্য যেমন ফেলা হচ্ছে তেমনি কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের মল মূত্রও এসে পড়ছে সেখানে। দুর্গন্ধে সেসব এলাকায় টেকা দায়।</p>
<p>গাইবান্ধা সামাজিক সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর কবির তনু বলেন, খালটি দুইপাড়ে গড়ে ওঠা সরকারি-বেসরকারি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ না করা হলে প্রকল্পের সব কাজ সম্পন্ন করা যাবে না। পুরাতন ব্রিজের ওপর দাঁড়ালে অবৈধ দখলদারদের দখল সবার চোখে পড়ে কিন্তু কর্তৃপক্ষ নির্বিকার। অথচ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে গাইবান্ধাবাসী একটি বিনোদনের ভালো স্থান পাবে।</p>
<p>এ বিষয়ে গাইবান্ধা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ছাবিউল ইসলাম বলেন, পূর্বের ঠিকাদারের স্থলে টেন্ডারের মাধ্যমে নতুন ঠিকাদার নিযুক্ত করা হয়েছে। তারা ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছেন।</p>
<p>The post <a href="https://imnews24.com/archives/15295">আটকে আছে ঘাঘট লেক প্রকল্পের কাজ, চরম দুর্ভোগ</a> appeared first on <a href="https://imnews24.com">IM News</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://imnews24.com/archives/15295/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>৫ গ্রামের গলার কাঁটা একটি খালের বাঁধ</title>
		<link>https://imnews24.com/archives/14309</link>
					<comments>https://imnews24.com/archives/14309#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আইএম নিউজ]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 07 Feb 2023 09:14:05 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জনদুর্ভোগ]]></category>
		<category><![CDATA[৫ গ্রামের গলার কাঁটা একটি খালের বাঁধ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://imnews24.com/?p=14309</guid>

					<description><![CDATA[<p>পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে সাঈদখালী খালে বাঁধ দেওয়ায় স্থানীয় পাঁচ গ্রামের মানুষ চরম দূর্ভোগে পড়েছেন। গত তিন বছর ধরে ওই খালের এক দিকে বাঁধ দিয়ে রাখা হয়েছে। এর ফলে একদিকে পানি চলাচল না করতে পেরে ভরাট হয়ে গেছে আর অপরদিকে পানির তোড়ের প্রভাবে প্রায় চার কিলোমিটার অংশে ভাঙন দেখা দিয়েছে। তিন বছর ধরে এমন অবস্থা চললেও এর [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://imnews24.com/archives/14309">৫ গ্রামের গলার কাঁটা একটি খালের বাঁধ</a> appeared first on <a href="https://imnews24.com">IM News</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে সাঈদখালী খালে বাঁধ দেওয়ায় স্থানীয় পাঁচ গ্রামের মানুষ চরম দূর্ভোগে পড়েছেন। গত তিন বছর ধরে ওই খালের এক দিকে বাঁধ দিয়ে রাখা হয়েছে।</p>
<p>এর ফলে একদিকে পানি চলাচল না করতে পেরে ভরাট হয়ে গেছে আর অপরদিকে পানির তোড়ের প্রভাবে প্রায় চার কিলোমিটার অংশে ভাঙন দেখা দিয়েছে।<br />
তিন বছর ধরে এমন অবস্থা চললেও এর কোনো প্রতিকার পাচ্ছেন না স্থানীয়রা। এখন বাঁধটি ইন্দুরকানী, কালাইয়া, ঢেপসাবুনিয়া, সাউদখালী ও ভবানীপুর গ্রামের বাসিন্দাদের জন্য যেন গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে।</p>
<p>স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় সাত কিলোমিটার দীর্ঘ এ খালের উত্তর দিকে উত্তর ইন্দুরকানী গ্রামে বলেশ্বর নদী এবং দক্ষিণ দিকে কালাইয়া ও সাউদখালী গ্রামের মধ্যে দিয়ে কচা নদী প্রবাহিত হয়েছে। কিন্তু খালের দক্ষিণ প্রান্তের কচা নদী থেকে এক কিলোমিটার দূরে একটি সেতু নির্মাণের অযুহাতে গত ২০১৯ সালের শেষের দিকে সেখানে বাঁধ দেওয়া হয়। এতে দক্ষিণ দিকে পানি চলাচলসহ স্থানীয়দের যাতায়াত ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে পড়ে। এর ফলে সীমাহীন দূর্ভোগ পোহাচ্ছেন ওই এলাকার বাসিন্দারা।</p>
<p>স্থানীয়রা জানান, মাঝির খাল ও কালাইয়ার খালসহ তিনটি শাখা খালের পানি উত্তর ইন্দুরকানী খাল দিয়ে বলেশ্বর নদীতে নামে। এতে খালের দুই পাশে ভাঙন দেখা দেওয়ায় রাস্তা, বাগান ও ঘরবাড়ি তলিয়ে যাচ্ছে। সেইসঙ্গে পানির স্রোতের কারণে খালটি আট থেকে দশ ফুট গভীর হয়ে গেছে। বাঁধ কেটে দিলে দুইদিক থেকে পানি নামার সুযোগ থাকতো এবং দুই পাশের মানুষই সুবিধা পেত।</p>
<p>উপজেলার দক্ষিণ ইন্দুরকানী গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, খালে বিশাল আকারে বাঁধ দিয়ে রাখা হয়েছে। সেখানে একটি সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হলেও গত এক বছর ধরে তার কাজ বন্ধ আছে। আর বাঁধের দক্ষিণ দিকটা ভরাট হয়ে গেছে।</p>
<p>বাঁধের পাশের দক্ষিণ ইন্দুরকানী গ্রামের বাসিন্দারা জানান, এখানে অকারণে একটি বাঁধ থাকায় আমরা শুকনা মৌসুমে পানি পাই না। আবার বর্ষা মৌসুমে পানি নামতে না পারায় স্থানীয় বাড়ি-ঘরে পানি জমে যায়।</p>
<p>খালের উত্তর প্রান্তের সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুর রশিদ মাতুব্বর জানান, খালের দক্ষিণ দিকে বাঁধ দেওয়ার কারণে তিনটি শাখা খালের পানি এক দিক দিয়ে নামে। এতে পানির স্রোতের কারণে চার কিলোমিটার রাস্তা খালে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। তাই দ্রুত খালের বাঁধ কাটাসহ উত্তর দিকে স্লুইজ গেট দেওয়া প্রয়োজন।</p>
<p>ইন্দুরকানী সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাসুদ করীম ইমন তালুকদার জানান, খালে বাঁধ থাকায় একদিক দিয়ে পানি নামছে। এতে রাস্তঘাট ভেঙে যাচ্ছে। এ সমস্যা সমাধানের জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্যের ডিও লেটার নিয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডে বরাদ্দের জন্য আবেদন করা হয়েছে। বরাদ্দ আসলে খালের উত্তর প্রান্তে স্লুইজ গেট ও দক্ষিণ প্রান্ত খুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।</p>
<p>উপজেলা এলজিইডির উপ-প্রকৌশলী রবীন্দ্রনাথ হালদার জানান, ওই খালের দক্ষিণ দিকের সেতুর কাজ বন্ধ আছে। তাই জনসাধারণের সুবিধার্থে বাঁধ ছোট করে কেটে দিলে পানি উঠতে নামতে পারবে। এলাকাবাসী নিজেরা চাইলেও বাঁধ কেটে নিতে পারেন।</p>
<p>The post <a href="https://imnews24.com/archives/14309">৫ গ্রামের গলার কাঁটা একটি খালের বাঁধ</a> appeared first on <a href="https://imnews24.com">IM News</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://imnews24.com/archives/14309/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>তিন ঠিকাদারের ঠেলাঠেলি নির্মাণ হয়নি ব্রিজ, সাঁকোই পারাপারের ভরসা</title>
		<link>https://imnews24.com/archives/12556</link>
					<comments>https://imnews24.com/archives/12556#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আইএম নিউজ]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 22 Jan 2023 13:02:51 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জনদুর্ভোগ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://imnews24.com/?p=12556</guid>

					<description><![CDATA[<p>বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার পাদ্রীশিবপুর ইউনিয়নের চৈতা বাজার ব্রিজ হতে টেংরাখালি রেজিস্ট্রি প্রাইমারি স্কুল ভায়া ইউনাইটেড হাই স্কুল আজিজ মেম্বার বাড়ির সামনে রঘুনাথপুর ছাব্বিশ ঘর খালের উপর আয়রন ব্রিজ নির্মাণ কাজ পায় পিরোজপুর মঠবাড়িয়ার ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান নওশীন ট্রেডার্স। দেশের দক্ষিণ অঞ্চলে আয়রন ব্রিজ পূর্ণ নির্মাণের জন্য পূর্নবাসন প্রকল্প আইবিআরপি প্রকল্পের আওতায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://imnews24.com/archives/12556">তিন ঠিকাদারের ঠেলাঠেলি নির্মাণ হয়নি ব্রিজ, সাঁকোই পারাপারের ভরসা</a> appeared first on <a href="https://imnews24.com">IM News</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার পাদ্রীশিবপুর ইউনিয়নের চৈতা বাজার ব্রিজ হতে টেংরাখালি রেজিস্ট্রি প্রাইমারি স্কুল ভায়া ইউনাইটেড হাই স্কুল আজিজ মেম্বার বাড়ির সামনে রঘুনাথপুর ছাব্বিশ ঘর খালের উপর আয়রন ব্রিজ নির্মাণ কাজ পায় পিরোজপুর মঠবাড়িয়ার ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান নওশীন ট্রেডার্স।</p>
<p>দেশের দক্ষিণ অঞ্চলে আয়রন ব্রিজ পূর্ণ নির্মাণের জন্য পূর্নবাসন প্রকল্প আইবিআরপি প্রকল্পের আওতায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর ৩১ লাখ ৮৫ হাজার ৮১১ টাকা বরাদ্দে ব্রিজ নির্মাণ কাজের আদেশ পায়। যার কার্যা আদেশ ২৬ মে ২০২২ সালে ব্রিজ নির্মাণ শুরু করে ২৬ ডিসেম্বর ২০২২ সালে কাজ শেষ করার কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত ব্রিজ নির্মাণ কাজ শুরু করেনি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান।</p>
<div id="div-gpt-ad-1666867426874-0"></div>
<div id="div-gpt-ad-1666867426874-0"></div>
<div id="div-gpt-ad-1666867426874-0"></div>
<p>সরেজমিনে দেখা যায়, বড় রঘুনাথপুর খালের উপরে ব্রিজ পূর্ণ নির্মাণের জন্য ঠিকাদার পুরাতন ব্রিজ ভেঙে একটি বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করেন। নির্মিত বাঁশের সাঁকো দিয়ে পথচারীরা চলাচল করছেন। নড়বর এর বাঁশের সাঁকোটি যাতায়াতে দুর্ভোগে পোহাচ্ছে ব্রিজের দুই পাশের শাকবুনিয়া, মধ্যম মহেশপুর,ছোট রঘুনাথপুর, বড় রঘুনাথপুর গ্রাম সহ পার্শ্ববর্তী নিয়ামতি, কাঁঠালতলী দুই ইউনিয়নের ১০ গ্রামের হাজার হাজার মানুষ।</p>
<div class="DContentAdd2">
<div class="row mt-3 mb-3">
<div class="col-md-12">
<div class="DetailsAdd d-flex justify-content-center">
<div class="AdvertClass DAdDesktop"><ins class="adsbygoogle" data-ad-client="ca-pub-8452291047086265" data-ad-slot="6185350658" data-adsbygoogle-status="done" data-ad-status="filled"></p>
<div id="aswift_1_host" tabindex="0" title="Advertisement" aria-label="Advertisement"><iframe id="aswift_1" src="https://googleads.g.doubleclick.net/pagead/ads?client=ca-pub-8452291047086265&amp;output=html&amp;h=90&amp;slotname=6185350658&amp;adk=1551088569&amp;adf=3763098420&amp;pi=t.ma~as.6185350658&amp;w=728&amp;lmt=1674392431&amp;format=728x90&amp;url=https%3A%2F%2Fwww.dailyjanakantha.com%2Fbangladesh%2Fnews%2F673771&amp;wgl=1&amp;uach=WyJXaW5kb3dzIiwiMTAuMC4wIiwieDg2IiwiIiwiMTA5LjAuNTQxNC43NSIsW10sZmFsc2UsbnVsbCwiNjQiLFtbIk5vdF9BIEJyYW5kIiwiOTkuMC4wLjAiXSxbIkdvb2dsZSBDaHJvbWUiLCIxMDkuMC41NDE0Ljc1Il0sWyJDaHJvbWl1bSIsIjEwOS4wLjU0MTQuNzUiXV0sZmFsc2Vd&amp;dt=1674392430823&amp;bpp=2&amp;bdt=2786&amp;idt=182&amp;shv=r20230118&amp;mjsv=m202301040101&amp;ptt=9&amp;saldr=aa&amp;abxe=1&amp;cookie=ID%3Df420f6e04bf135b3-22f1dc9f8cda00d8%3AT%3D1674392414%3ART%3D1674392414%3AS%3DALNI_MZx171bTDdbh4cvkqr3-USe73qXgQ&amp;gpic=UID%3D00000ba9d3a2cf71%3AT%3D1674392414%3ART%3D1674392414%3AS%3DALNI_Mb7FPDEFDpGttfofpYQlHGNDdG4Sw&amp;prev_fmts=0x0&amp;nras=1&amp;correlator=2305197553141&amp;frm=20&amp;pv=1&amp;ga_vid=780245554.1674392390&amp;ga_sid=1674392431&amp;ga_hid=1212595978&amp;ga_fc=1&amp;u_tz=360&amp;u_his=7&amp;u_h=768&amp;u_w=1366&amp;u_ah=728&amp;u_aw=1366&amp;u_cd=24&amp;u_sd=1&amp;dmc=8&amp;adx=154&amp;ady=1535&amp;biw=1366&amp;bih=625&amp;scr_x=0&amp;scr_y=0&amp;eid=44759876%2C44759927%2C44759842%2C31071641%2C44779794&amp;oid=2&amp;pvsid=2455829310890011&amp;tmod=1515465785&amp;uas=3&amp;nvt=1&amp;ref=https%3A%2F%2Fwww.dailyjanakantha.com%2Fdivisions%2Fbarishal%2Fbarishal&amp;eae=0&amp;fc=1920&amp;brdim=0%2C0%2C0%2C0%2C1366%2C0%2C1366%2C728%2C1366%2C625&amp;vis=1&amp;rsz=M%7C%7CpeEbr%7Cp&amp;abl=XS&amp;pfx=0&amp;fu=0&amp;bc=31&amp;ifi=2&amp;uci=a!2&amp;btvi=1&amp;fsb=1&amp;xpc=GXkPlXnc8v&amp;p=https%3A//www.dailyjanakantha.com&amp;dtd=187" name="aswift_1" width="728" height="90" frameborder="0" marginwidth="0" marginheight="0" scrolling="no" sandbox="allow-forms allow-popups allow-popups-to-escape-sandbox allow-same-origin allow-scripts allow-top-navigation-by-user-activation" data-google-container-id="a!2" data-google-query-id="CJikv_Cd2_wCFZYKXAod9-8Hdg" data-load-complete="true" data-mce-fragment="1"></iframe></div>
<p></ins></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<p>স্থানীয় বাসিন্দা মোসলেম হাওলাদার জানান, বাঁশের সাঁকোই তাদের চলাচলের একমাত্র ভরসা। সরকারি প্রাইমারি, স্কুল কলেজ মাদ্রাসা সহ প্রায় ১৫ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন এই সাঁকো দিয়ে যাতায়াত করছে। বিশেষ করে বর্ষায় স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রীসহ প্রতিদিন পথচারীকে ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকোর ওপর দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হয়।</p>
<div class="DContentAdd3">
<div class="row mt-3 mb-3">
<div class="col-md-12">
<div class="DetailsAdd d-flex justify-content-center">
<div class="AdvertClass DAdDesktop"><ins class="adsbygoogle" data-ad-client="ca-pub-8452291047086265" data-ad-slot="6900604904" data-adsbygoogle-status="done" data-ad-status="filled"></p>
<div id="aswift_3_host" tabindex="0" title="Advertisement" aria-label="Advertisement"><iframe id="aswift_3" src="https://googleads.g.doubleclick.net/pagead/ads?client=ca-pub-8452291047086265&amp;output=html&amp;h=250&amp;slotname=6900604904&amp;adk=3568986849&amp;adf=3337291654&amp;pi=t.ma~as.6900604904&amp;w=300&amp;lmt=1674392431&amp;format=300x250&amp;url=https%3A%2F%2Fwww.dailyjanakantha.com%2Fbangladesh%2Fnews%2F673771&amp;wgl=1&amp;uach=WyJXaW5kb3dzIiwiMTAuMC4wIiwieDg2IiwiIiwiMTA5LjAuNTQxNC43NSIsW10sZmFsc2UsbnVsbCwiNjQiLFtbIk5vdF9BIEJyYW5kIiwiOTkuMC4wLjAiXSxbIkdvb2dsZSBDaHJvbWUiLCIxMDkuMC41NDE0Ljc1Il0sWyJDaHJvbWl1bSIsIjEwOS4wLjU0MTQuNzUiXV0sZmFsc2Vd&amp;dt=1674392430826&amp;bpp=1&amp;bdt=2789&amp;idt=200&amp;shv=r20230118&amp;mjsv=m202301040101&amp;ptt=9&amp;saldr=aa&amp;abxe=1&amp;cookie=ID%3Df420f6e04bf135b3-22f1dc9f8cda00d8%3AT%3D1674392414%3ART%3D1674392414%3AS%3DALNI_MZx171bTDdbh4cvkqr3-USe73qXgQ&amp;gpic=UID%3D00000ba9d3a2cf71%3AT%3D1674392414%3ART%3D1674392414%3AS%3DALNI_Mb7FPDEFDpGttfofpYQlHGNDdG4Sw&amp;prev_fmts=0x0%2C728x90%2C300x90&amp;nras=1&amp;correlator=2305197553141&amp;frm=20&amp;pv=1&amp;ga_vid=780245554.1674392390&amp;ga_sid=1674392431&amp;ga_hid=1212595978&amp;ga_fc=1&amp;u_tz=360&amp;u_his=7&amp;u_h=768&amp;u_w=1366&amp;u_ah=728&amp;u_aw=1366&amp;u_cd=24&amp;u_sd=1&amp;dmc=8&amp;adx=359&amp;ady=1793&amp;biw=1349&amp;bih=625&amp;scr_x=0&amp;scr_y=0&amp;eid=44759876%2C44759927%2C44759842%2C31071641%2C44779794&amp;oid=2&amp;pvsid=2455829310890011&amp;tmod=1515465785&amp;uas=3&amp;nvt=1&amp;ref=https%3A%2F%2Fwww.dailyjanakantha.com%2Fdivisions%2Fbarishal%2Fbarishal&amp;eae=0&amp;fc=1920&amp;brdim=0%2C0%2C0%2C0%2C1366%2C0%2C1366%2C728%2C1366%2C625&amp;vis=1&amp;rsz=M%7C%7CpeEbr%7Cp&amp;abl=XS&amp;pfx=0&amp;fu=0&amp;bc=31&amp;ifi=4&amp;uci=a!4&amp;btvi=2&amp;fsb=1&amp;xpc=XzdY4Qszdw&amp;p=https%3A//www.dailyjanakantha.com&amp;dtd=205" name="aswift_3" width="300" height="250" frameborder="0" marginwidth="0" marginheight="0" scrolling="no" sandbox="allow-forms allow-popups allow-popups-to-escape-sandbox allow-same-origin allow-scripts allow-top-navigation-by-user-activation" data-google-container-id="a!4" data-google-query-id="CLeYwfCd2_wCFQHvvAodOM8Bgg" data-load-complete="true" data-mce-fragment="1"></iframe></div>
<p></ins></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<p>বড় রঘুনাথপুরের বাসিন্দা হোসনেয়ারা বেগম অভিযোগ করে বলেন, আমি পীরের বাড়ি কাজ করি প্রতিদিন খুব সকালবেলা ঘুম থেকে উঠেই কাজে যেতে হয়। মাঝে মধ্যে নরবরে সাঁকো দিয়ে খালের মধ্যে পড়ে যাই। প্রায়ই বছর ঘনিয়ে আসছে ঠিকাদার ব্রিজটি ভেঙে ফেলেছে কিন্তু নির্মাণ কাজ শুরু করেনি। সাঁকোর ওপর দিয়ে যাতায়াত করতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে কোমলমতি শিশুরা।</p>
<p>সোনার বাংলা মাধ্যমিক বিদ্যালয় এর শিক্ষার্থী রাসেল জানান, এই সাঁকোর ওপর দিয়ে পারাপার হতে গিয়ে মাঝেমধ্যে দুর্ঘটনার কবলে পড়ছে শিক্ষার্থীসহ পথচারীরা। খুদে শিক্ষার্থীদের জন্য যেন এটা একটা মরণফাঁদ। আমি সাইকেল চালিয়ে প্রতিদিন স্কুলে যাই। সাইকেলটি কাঁদে বহন করে সাঁকো পার হতে হয়। ঝুঁকি নিয়ে সাঁকো পার হতে গিয়ে মাঝে মধ্যে খালে পরে যেতে হয়।</p>
<p>এ বিষয়ে জানতে চাইলে নওশীন ট্রেডার্স এর প্রো: শামিম সোহাগ জানান, ব্রিজের কাজ আমার ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান পেয়েছে। তবে আমি এখনো সরেজমিনে যাইনি। তবে ব্রিজের কাজটি আমি বেতাগী থানার বিবিচিনি গ্রামের ঠিকাদার আবুল হোসেনের কাছে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকায় বিক্রয় করেছিলাম। ছয় মাসেও সে নির্মাণ কাজ শুরু না করায় বাকেরগঞ্জের ঠিকাদার কাজি বশিরের কাছে দ্বিতীয়বার বিক্রয় করেছি। বিক্রয় নিয়ে ঠিকাদারদের মাঝে সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। দশ দিনের মধ্যে সমস্যার অবসান করে ব্রিজের কাজ শুরু করা হবে বলে জানান তিনি।</p>
<p>এ বিষয়ে ঠিকাদার আবুল হোসেন বলেন, নওশীন ট্রেডার্স এর প্রো: মো: শামিম সোহাগ আমার কাছে ব্রিজের কাজ বিক্রয় বাবদ দেড় লাখ টাকা নিয়েছেন। অধিক মুনাফা পেয়ে কাজটি দ্বিতীয় বার কাজি বশিরের কাছে বিক্রি করে দিয়েছে। অথচ আমাকে টাকাও ফেরত দিচ্ছে না।</p>
<p>এ বিষয়ে ঠিকাদার কাজি বশির জানান, নওশীন ট্রেডার্স এর প্রো: শামিম সোহাগ ব্রিজের কাজ প্রথমে আবুল হোসেনের কাছে বিক্রি করেছে বিষয়টা আমার জানা ছিল না। তবে তিনি কেন ব্রিজের কাজটি এখনো শুরু করেননি এমন প্রশ্নের জবাবে জানান, পুরাতন ব্রিজটি ছিল ২১ মিটার আর এখন নতুন ব্রিজটি ১৭ মিটার নকশা করা হয়েছে। ঢাকা অফিসে আমার লোক রয়েছে ব্রিজটি ২১ মিটার করার জন্য রিভাইস করার চেষ্টায় আছি। তাই নির্মাণ কাজ এখনো শুরু করা হয়নি।</p>
<p>বাকেরগঞ্জ উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী আবুল খায়ের মিয়া জানান, আমরা নওশীন ট্রেডার্সকে কাজটি দিয়েছি। তারা কার কাছে বিক্রি করেছে সেটা আমার জানা নেই। তবে ব্রিজটি কেন নির্মাণ হচ্ছে না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মে মাসের পরে বর্ষা মৌসুম থাকায় খালে পানির পরিমাণ বেশি ছিল তাই ব্রিজটি নির্মাণ কাজ শুরু করা হয়নি।</p>
<p>স্থানীয়রা এখানে ব্রিজটি নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসছেন দীর্ঘদিন ধরে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও ঠিকাদারের উদাসীনতায় ব্রিজটি নির্মাণ শুরু হয়নি।</p>
<p>এছাড়াও তিন ঠিকেদারের ঠেলা ঠেলিতে ব্রিজ নির্মাণ না হওয়ায় স্কুলশিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষকে ঝুঁকি নিয়ে সাঁকো দিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে। সেতু নির্মিত হলেই এলাকাবাসীর জন্য যাতায়াতব্যবস্থাসহ ব্যবসা-বাণিজ্যের নতুন নতুন সুযোগের সৃষ্টি হবে।</p>
<p>The post <a href="https://imnews24.com/archives/12556">তিন ঠিকাদারের ঠেলাঠেলি নির্মাণ হয়নি ব্রিজ, সাঁকোই পারাপারের ভরসা</a> appeared first on <a href="https://imnews24.com">IM News</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://imnews24.com/archives/12556/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>আড়াই কোটি টাকার সেতু, তবুও দুর্ভোগে কয়েক হাজার মানুষ</title>
		<link>https://imnews24.com/archives/8440</link>
					<comments>https://imnews24.com/archives/8440#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আইএম নিউজ]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 17 Dec 2022 14:40:23 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জনদুর্ভোগ]]></category>
		<category><![CDATA[বরগুনা]]></category>
		<category><![CDATA[বরিশাল বিভাগ]]></category>
		<category><![CDATA[লিড নিউজ]]></category>
		<category><![CDATA[সারাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[আড়াই কোটি টাকার সেতু]]></category>
		<category><![CDATA[তবুও দুর্ভোগে কয়েক হাজার মানুষ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://imnews24.com/?p=8440</guid>

					<description><![CDATA[<p>মো. সোহাগ বিশ্বাস, বরগুনা প্রতিনিধি :: বরগুনার আমতলী উপজেলায় ২ কোটি ৪৯ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতুর সংযোগ সড়ক না থাকায় সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন কয়েক হাজার মানুষ। এ অবস্থায় দ্রুত সেতুটির সংযোগ সড়ক স্থাপন করে চলাচল নির্বিঘ্ন করার দাবি স্থানীয়দের। জানা যায়, ২০২০ সালের জুন মাসে বরগুনা এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী অফিস আমতলী উপজেলার আড়পাঙ্গাশিয়া [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://imnews24.com/archives/8440">আড়াই কোটি টাকার সেতু, তবুও দুর্ভোগে কয়েক হাজার মানুষ</a> appeared first on <a href="https://imnews24.com">IM News</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>মো. সোহাগ বিশ্বাস, বরগুনা প্রতিনিধি ::</strong> বরগুনার আমতলী উপজেলায় ২ কোটি ৪৯ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতুর সংযোগ সড়ক না থাকায় সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন কয়েক হাজার মানুষ। এ অবস্থায় দ্রুত সেতুটির সংযোগ সড়ক স্থাপন করে চলাচল নির্বিঘ্ন করার দাবি স্থানীয়দের।</p>
<p>জানা যায়, ২০২০ সালের জুন মাসে বরগুনা এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী অফিস আমতলী উপজেলার আড়পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন ঘোপখালী খালে ইউনিয়নের কয়েক হাজার মানুষের যাতায়াত সুবিধার জন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স কেকে এন্টারপ্রাইজের সঙ্গে এলজিইডি কর্তৃপক্ষের ২৪ মিটার দৈর্ঘ্য ও ৭.৩২ মিটার প্রস্থের সেতু নির্মাণের চুক্তি হয়। সেতুটির নির্মাণ ব্যয় ধরা হয় ২ কোটি ৪৯ লাখ টাকা।</p>
<p>কার্যাদেশে ব্রীজের দুই প্রান্তে এক’শ ফুট সংযোগ সড়ক নির্মাণের কথা উল্লেখ রয়েছে। মূল ব্রীজ নির্মাণ কাজ শেষ হলেও গত দেড় বছর ধরে দুইপাশে সংযোগ সড়ক নির্মাণ না করেই ফেলে রাখা হয়। সংযোগ সড়ক না থাকায় উভয় পাড়ের বাসিন্দারা কাঠ দিয়ে মাচা তৈরি করে চলাচল করছে।</p>
<p>স্থানীয় বাসিন্দা আবুল হোসেন বলেন, ‘সড়ক নির্মাণের জায়গা না রেখেই ব্রীজের প্লান করা হয়েছে। তারা আরো অভিযোগ করেন ঠিকাদার কার্যাদেশ অনুসারে কাজ না করে ব্রীজ ফেলে রেখেছেন।’</p>
<p>পঞ্চাশোর্ধ্ব নাড়ী সুফিয়া বেগম বলেন, ‘গোড়ায় মাটি না দেওয়ায় ব্রিজে উঠতে আমারই খুব কষ্ট হয়। আর যারা বুড়া মানুষ তাদের তো আরও বেশি কষ্ট।’</p>
<p>আড়পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোসা. সোহেলী পারভীন মালা বলেন, সরকার ব্রীজ নির্মাণ করে মানুষের উপকারার্থে কিন্তু এখন এ ব্রীজ মানুষের কোন কাজে আসছে না। ঠিকাদারকে বারবার বলা সত্বেও তিনি ব্রীজের সংযোগ সড়ক নির্মাণ করছেন না। এতে মানুষের চরম ভোগান্তি হচ্ছে। দ্রুত সেতুটির দুই পারে মাটি ভরাট করে মানুষ ও যানবাহনের চলাচল নির্বিঘ্ন করার দাবি করছি।</p>
<p>সেতুর সংযোগ সড়ক কেন নির্মাণ হচ্ছে না জানতে চাইলে কেকে এন্টারপ্রাইজের মালিক ঠিকাদার মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, ব্রীজটি কার্যাদেশের চেয়ে উচ্চতায় বেশি নির্মাণ করা হয়েছে। তাই সংযোগ সড়কের স্লাপ নির্মাণ করতে সমস্যা হচ্ছে। তারপরও অল্প দিনের মধ্যেই সংযোগ সড়ক নির্মাণ কাজ শুরু করবো।</p>
<p>বরগুনা এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী সুপ্রীয় মুখার্জি বলেন, সরেজমিন তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।</p>
<p>আমতলী উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী মোঃ নিজাম উদ্দিন বলেন, ঠিদাকার মূল ব্রীজ নির্মাণ শেষে দুই কোটি টাকা বিল নিয়েছেন। কিন্তু সংযোগ সড়ক নির্মাণ করছনা বিলও নিচ্ছে না। কাজ না করে দীর্ঘদিন ফেলে রেখেছেন।</p>
<p>The post <a href="https://imnews24.com/archives/8440">আড়াই কোটি টাকার সেতু, তবুও দুর্ভোগে কয়েক হাজার মানুষ</a> appeared first on <a href="https://imnews24.com">IM News</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://imnews24.com/archives/8440/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বরিশালে যান চলাচল বন্ধ, দুর্ভোগে সাধারন মানুষ</title>
		<link>https://imnews24.com/archives/6120</link>
					<comments>https://imnews24.com/archives/6120#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আইএম নিউজ]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 05 Nov 2022 05:14:41 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জনদুর্ভোগ]]></category>
		<category><![CDATA[বরিশাল বিভাগ]]></category>
		<category><![CDATA[লিড নিউজ]]></category>
		<category><![CDATA[সারাদেশ]]></category>
		<category><![CDATA[দুর্ভোগে সাধারন মানুষ]]></category>
		<category><![CDATA[বরিশালে যান চলাচল বন্ধ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://imnews24.com/?p=6120</guid>

					<description><![CDATA[<p>নিজস্ব প্রতিবেদক :: আজ বরিশালে বিএনপির বিভাগীয় গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। এদিকে বরিশাল বিভাগ জুড়ে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ থাকলেও দলে দলে বিভিন্ন উপায়ে বরিশালে এসেছেন বিএনপি নেতা-কর্মীরা। ফলে শুক্রবার (৪ নভেম্বর) বরিশাল নগরীর সঙ্গে বিভাগের সকল জেলার যোগাযোগ বন্ধ থাকে। এমন ঘটনায় সকাল থেকে দুর্ভোগে পড়ে বরিশাল নগরীর নাগরিকরা। অটোরিকশা, ব্যাটারিচালিত গাড়ি, সিএনজি মাহিন্দ্রা [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://imnews24.com/archives/6120">বরিশালে যান চলাচল বন্ধ, দুর্ভোগে সাধারন মানুষ</a> appeared first on <a href="https://imnews24.com">IM News</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>নিজস্ব প্রতিবেদক ::</strong> আজ বরিশালে বিএনপির বিভাগীয় গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। এদিকে বরিশাল বিভাগ জুড়ে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ থাকলেও দলে দলে বিভিন্ন উপায়ে বরিশালে এসেছেন বিএনপি নেতা-কর্মীরা। ফলে শুক্রবার (৪ নভেম্বর) বরিশাল নগরীর সঙ্গে বিভাগের সকল জেলার যোগাযোগ বন্ধ থাকে।</p>
<p>এমন ঘটনায় সকাল থেকে দুর্ভোগে পড়ে বরিশাল নগরীর নাগরিকরা। অটোরিকশা, ব্যাটারিচালিত গাড়ি, সিএনজি মাহিন্দ্রা বন্ধ থাকায় অতিরিক্ত অর্থ দিয়ে তাদের রিকশায় চলাচল করতে দেখা যায়। নগরী ছাড়াও মহাসড়কে একমাত্র ভ্যানেই মানুষকে চলাচল করতে দেখা গেছে।</p>
<p>নলছিটি থেকে আসা পরীক্ষার্থী সায়েম জানায়, বাস চলাচল বন্ধ হবার কারণে নলছিটি থেকে ভ্যানে বরিশাল আসতে হয়েছে। ভাড়াও নিচ্ছে কয়েকগুণ বেশি। ১০ টাকার ভাড়া ৫০ টাকা দিয়ে রূপাতলি থেকে চৌমাথা এসেছেন তিনি।</p>
<p>নথুল্লাবাদ বাসস্ট্যান্ডে ভ্যানে থেকে নেমে সাইদ আহমেদ বলেন, &#8216;ঢাকা থেকে বরিশাল আসতে বিশাল এক যুদ্ধ শেষ করলাম। ভাঙা থেকে গৌরনদী পর্যন্ত ভ্যানে। এরপর জয়শ্রী-ইছলাদি হয়ে রহমতপুর পর্যন্ত আসতে তিনবার অটো বদল করতে হয়েছে। এভাবে ভেঙে ভেঙে কোনো রকমে এসেছি নথুল্লাবাদ পর্যন্ত। সেখান থেকে আবার ভ্যানে করে বরিশাল পৌঁছালাম। রাজনীতি করেন নেতারা আর দুর্ভোগে পড়ে আমাদের মতো সাধারণ পাবলিক।&#8217;</p>
<p>শুক্রবার সকালে নানান কাজে বাসা থেকে বের হয়ে &#x200d;দুর্ভোগে পড়েন বরিশাল নগরীর নাগরিকরা।</p>
<p>বিএম কলেজ এলাকার চাকরিজীবি সোলায়মান মৃধা জানান, সব রকমের থ্রি হুইলার বন্ধ, রিকশা তো পাওয়াই যায় না। এমন বুঝলে বাসা থেকে বের হতাম না।</p>
<p>এদিকে নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাসস্ট্যান্ডে দেখা যায় পুলিশের বাধা দেওয়ার চিত্র ও তল্লাশি। অন্যদিকে পথের মোড়ে মোড়ে ট্রাফিক পুলিশের চেকপোষ্টে হয়রানির শিকার হয়েছেন যাত্রীরা।</p>
<p>শনিবার (৫ নভেম্বর) অফিস খোলা থাকায় বিপদে পড়ে যান গোলাম কিবরিয়া। তিনি নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাসস্ট্যান্ডে এসে ঢাকায় যাওয়ার জন্য বিকল্প পথ খুঁজছেন।</p>
<p>গোলাম কিবরিয়া বলেন, &#8216;বরিশাল থেকে বাস ছাড়তেছে না। কালকের মধ্যে ঢাকায় না পৌঁছালে ম্যানেজমেন্ট আমার চাকরি নিয়ে নেবে।&#8217;</p>
<p>সড়ক পথে যান চলাচল বন্ধের পাশাপাশি শুক্রবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বরিশাল থেকে সকল প্রকার লঞ্চ চলাচল বন্ধ রাখা হয়। এতে বরিশালের সঙ্গে মেহেন্দিগন্জ ও ভোলা জেলার যোগাযোগ বন্ধ থাকায় দুর্ভোগে পড়েন যাত্রীরা।</p>
<p>মেহেন্দীগন্জের জেসমিন আক্তার বলেন, &#8216;অসুস্থ মেয়েকে নিয়ে ডাক্তার দেখাতে এসেছি সকালে এসে দেখি লঞ্চ চলাচল বন্ধ। সাধারণ জনগণকে ভোগান্তিতে না ফেলে রাজনৈতিক ইস্যু রাজনীতির মধ্যেই রাখা উচিত।’</p>
<p>এ ছাড়াও নগরীর বিভিন্ন সড়কে স্বাভাবিকের চেয়ে যান চলাচল কম ছিল।</p>
<p>The post <a href="https://imnews24.com/archives/6120">বরিশালে যান চলাচল বন্ধ, দুর্ভোগে সাধারন মানুষ</a> appeared first on <a href="https://imnews24.com">IM News</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://imnews24.com/archives/6120/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>অলি-গলিতে হাঁটু পর্যন্ত পানি, ভোগান্তিতে সাধারন মানুষ</title>
		<link>https://imnews24.com/archives/5369</link>
					<comments>https://imnews24.com/archives/5369#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আইএম নিউজ]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 25 Oct 2022 05:02:58 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জনদুর্ভোগ]]></category>
		<category><![CDATA[নগর খবর]]></category>
		<category><![CDATA[লিড নিউজ]]></category>
		<category><![CDATA[অলি-গলিতে হাঁটু পর্যন্ত পানি]]></category>
		<category><![CDATA[ভোগান্তিতে সাধারন মানুষ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://imnews24.com/?p=5369</guid>

					<description><![CDATA[<p>নিজস্ব প্রতিবেদক :: ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে রাজধানীতে সোমবার (২৪ অক্টোবর) ব্যাপক বৃষ্টিপাত হয়েছে। এতে বিভিন্ন এলাকার অলি-গলিতে হাঁটু পানি জমেছে। মঙ্গলবার (২৫ অক্টোবর) সকালেও অলি-গলিতে পানি জমে থাকতে দেখা গেছে। তাতে ভোগান্তিতে পড়েছেন মানুষজন। সকালে রাজধানীর বাড্ডা এলাকায় দেখা যায়, শিক্ষার্থী, অফিসগামী এবং কর্মজীবী মানুষরা গন্তব্যে যেতে চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়েছেন। গলিতে পানি জমে থাকায় [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://imnews24.com/archives/5369">অলি-গলিতে হাঁটু পর্যন্ত পানি, ভোগান্তিতে সাধারন মানুষ</a> appeared first on <a href="https://imnews24.com">IM News</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>নিজস্ব প্রতিবেদক ::</strong> ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের প্রভাবে রাজধানীতে সোমবার (২৪ অক্টোবর) ব্যাপক বৃষ্টিপাত হয়েছে। এতে বিভিন্ন এলাকার অলি-গলিতে হাঁটু পানি জমেছে। মঙ্গলবার (২৫ অক্টোবর) সকালেও অলি-গলিতে পানি জমে থাকতে দেখা গেছে। তাতে ভোগান্তিতে পড়েছেন মানুষজন।</p>
<p>সকালে রাজধানীর বাড্ডা এলাকায় দেখা যায়, শিক্ষার্থী, অফিসগামী এবং কর্মজীবী মানুষরা গন্তব্যে যেতে চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়েছেন। গলিতে পানি জমে থাকায় মূল সড়কে আসতে তাদের রিকশায় ভর করতে হচ্ছে। আর এ সুযোগে রিকশাচালকরা বেশি ভাড়া হাঁকচ্ছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।</p>
<p>পূর্ব বাড্ডার পাঁচতলা বাজার থেকে মধ্যবাড্ডায় নভেশন স্কুলে আসেন আজিজুর রহমান। তিনি বলেন, আমার ছেলেকে স্কুলে নিয়ে এসেছি। রাস্তায় পানি থাকায় ২০ টাকার ভাড়া আজ দিতে হয়েছে ৫০ টাকা। সময় ও টাকা লেগেছে দ্বিগুণ।</p>
<p>তিনি বলেন, প্রতিদিন রিকশার জন্য রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা যায় না, আজকে রিকশা পেতে ২০ মিনিট সময় লেগেছে। ২০ মিনিট পর রিকশা পেয়েছি, কিন্তু ৫০ টাকার কমে যাবে না। তাই শেষ পর্যন্ত ৫০ টাকা দিয়েই ছেলেকে স্কুলে নিয়ে এলাম।</p>
<p>ওই এলাকার পোস্ট অফিস মোড়ের দোকানদার আশিকুর রহমান বলেন, পূর্ব বাড্ডার শাহাবউদ্দিন মোড় থেকে পোস্ট অফিস পর্যন্ত এসেছি। ৩০ টাকার ভাড়া ৬০ টাকা নিয়েছে। কিন্তু তারপর আর সামনে আসেনি রিকশা, বাধ্য হয়ে জুতা হাতে নিয়ে, কাপড় হাঁটু পর্যন্ত উঠিয়ে গন্তব্যে এলাম। টাকাও দিলাম ডাবল, কষ্টও করলাম।</p>
<p>৪ নং ডিআইটি রোডের বাসিন্দা রোপম হাওলাদার বলেন, টানা বৃষ্টিতে আমার বাসার নিচে পানি জমেছে। এমন পানি জমেছে যে হেঁটে কোথাও যাওয়ার মতো ব্যবস্থা নেই। গেলে কাপড় নষ্ট হবে। তাই বাধ্য হয়ে ফোন করে রিকশা এনে বাসা থেকে অফিসের জন্য বের হয়েছি। ২০ টাকার ভাড়া দিয়েছি ৫০ টাকা।</p>
<p>রিকশাচালক আনিসুজ্জামান বলেন, আমাদের রিকশা মোটরে চলে। বৃষ্টির পানির কারণে অর্ধেক রিকশার মোটর নষ্ট হয়ে গেছে। পানিতে রিকশা চালানো ঝুঁকি বেশি, তাই ভাড়াও বেশি নেই।</p>
<p>ভোগান্তির আরেক চিত্র দেখা গেছে রিকশা না পাওয়া কিংবা রিকশায় না আসা অলি-গলির মানুষদের। তাদেরকে এক হাতে ছাতা, অন্যহাতে জুতা; কেউ কেউ এক হাতে জুতা, অন্যহাতে হাঁটু পর্যন্ত কাপড় উঠিয়ে ধীরে ধীরে রাস্তা পার হচ্ছেন।</p>
<p>বাড্ডার মতো টানা বৃষ্টির কারণে মহাখালী, মোহাম্মদপুর, খিলগাঁও, শ্যামপুর, উত্তরখান, মিরপুর, বনশ্রী, বসুন্ধরা, খিলক্ষেত, এয়ারপোর্টসহ বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এসব এলাকার বাসিন্দাদেরও ভোগান্তি নিয়ে চলতে হচ্ছে।</p>
<p>The post <a href="https://imnews24.com/archives/5369">অলি-গলিতে হাঁটু পর্যন্ত পানি, ভোগান্তিতে সাধারন মানুষ</a> appeared first on <a href="https://imnews24.com">IM News</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://imnews24.com/archives/5369/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>ঘূণিঝড় সিত্রাং সবচেয়ে পায়রা বন্দরের কাছাকাছি : হুশিয়ারি সংকেত</title>
		<link>https://imnews24.com/archives/5289</link>
					<comments>https://imnews24.com/archives/5289#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আইএম নিউজ]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 24 Oct 2022 06:28:53 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[জনদুর্ভোগ]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[লিড নিউজ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://imnews24.com/?p=5289</guid>

					<description><![CDATA[<p>নিজস্ব প্রতিবেদক:: ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে। মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরসমূহকে সাত নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। এছাড়া, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরসমূহকে ছয় নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অফিস। সোমবার (২৪ অক্টোবর) সকালে আবহাওয়ার ৮ নম্বর বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://imnews24.com/archives/5289">ঘূণিঝড় সিত্রাং সবচেয়ে পায়রা বন্দরের কাছাকাছি : হুশিয়ারি সংকেত</a> appeared first on <a href="https://imnews24.com">IM News</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>নিজস্ব প্রতিবেদক::</strong> ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে। মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরসমূহকে সাত নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। এছাড়া, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরসমূহকে ছয় নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অফিস।</p>
<p>সোমবার (২৪ অক্টোবর) সকালে আবহাওয়ার ৮ নম্বর বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।</p>
<p>এতে বলা হয়, পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং উত্তর-উত্তরপূর্ব দিক থেকে অগ্রসর হয়ে পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর এবং উত্তর বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থান করছে। এটি আজ সকাল ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৫৯০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্র বন্দর থেকে ৫৩৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৫২৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৪৯৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল। এটি আরও ঘণীভূত ও উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে মঙ্গলবার ভোর অথবা সকালে খেপুপাড়ার নিকট দিয়ে বরিশাল-চট্টগ্রাম উপকূল অতিক্রম করতে পারে।</p>
<p>ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটার-এর মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর বিক্ষুব্ধ রয়েছে।</p>
<p>মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরগুলোকে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলোকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।</p>
<p>এ ছাড়া চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরগুলোকে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরগুলো ৬ নম্বর বিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।</p>
<p>ঘূর্ণিঝড়টির অদূরবর্তী অংশ, অমাবস্যা তিথি ও বায়ুচাপ পার্থক্যের আধিক্যের প্রভাবে সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজারে পাঁচ থেকে আট ফুট পর্যন্ত জলোচ্ছ্বাস হতে পরে। বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।</p>
<p>The post <a href="https://imnews24.com/archives/5289">ঘূণিঝড় সিত্রাং সবচেয়ে পায়রা বন্দরের কাছাকাছি : হুশিয়ারি সংকেত</a> appeared first on <a href="https://imnews24.com">IM News</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://imnews24.com/archives/5289/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
