<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>বরিশাল Archives - IM News</title>
	<atom:link href="https://imnews24.com/%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%97/%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b2/feed" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://imnews24.com/বরিশাল-বিভাগ/বরিশাল</link>
	<description>Popular Bangla News Portal</description>
	<lastBuildDate>Thu, 14 Nov 2024 18:12:30 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=7.0</generator>

<image>
	<url>https://imnews24.com/wp-content/uploads/2023/03/cropped-logo-32x32.jpg</url>
	<title>বরিশাল Archives - IM News</title>
	<link>https://imnews24.com/বরিশাল-বিভাগ/বরিশাল</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>১৭ বছরেও ধকল কাটেনি উপকূলবাসীর</title>
		<link>https://imnews24.com/archives/64017</link>
					<comments>https://imnews24.com/archives/64017#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আইএম নিউজ]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 14 Nov 2024 18:05:03 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ঝালকাঠি]]></category>
		<category><![CDATA[পটুয়াখালী]]></category>
		<category><![CDATA[পিরোজপুর]]></category>
		<category><![CDATA[বরগুনা]]></category>
		<category><![CDATA[বরিশাল]]></category>
		<category><![CDATA[বরিশাল বিভাগ]]></category>
		<category><![CDATA[বিশেষ প্রতিবেদন]]></category>
		<category><![CDATA[ভোলা]]></category>
		<category><![CDATA[লিড নিউজ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://imnews24.com/?p=64017</guid>

					<description><![CDATA[<p>উপকূলের জনপদে কান পাতলে শোনা যায় স্বজনহারাদের দীর্ঘশ্বাস আজ ১৫ নভেম্বর। আজ থেকে ঠিক ১৭ বছর আগে এইদিনটি উপকূলবাসীর ইতিহাসে একটি বিভীষিকাময় দিন। গ্রীষ্মমণ্ডলীয় সামুদ্রিক প্রলয়ঙ্কারী ঘূর্ণিঝড় সিডর প্রচণ্ড শক্তি নিয়ে আঘাত হানে দেশের উপকূলীয় ১১ টি জেলায়। ঝড়টি ভূমিতে আছড়ে পড়ার সময় প্রথম এক মিনিটে বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিল প্রতিঘণ্টায় ২৬০ কিলোমিটার, যা একে [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://imnews24.com/archives/64017">১৭ বছরেও ধকল কাটেনি উপকূলবাসীর</a> appeared first on <a href="https://imnews24.com">IM News</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<blockquote><p><em><strong>উপকূলের জনপদে কান পাতলে শোনা যায় স্বজনহারাদের দীর্ঘশ্বাস</strong></em></p></blockquote>
<p><span id="more-64017"></span></p>
<p><strong>আ</strong>জ ১৫ নভেম্বর। আজ থেকে ঠিক ১৭ বছর আগে এইদিনটি উপকূলবাসীর ইতিহাসে একটি বিভীষিকাময় দিন। গ্রীষ্মমণ্ডলীয় সামুদ্রিক প্রলয়ঙ্কারী ঘূর্ণিঝড় সিডর প্রচণ্ড শক্তি নিয়ে আঘাত হানে দেশের উপকূলীয় ১১ টি জেলায়। ঝড়টি ভূমিতে আছড়ে পড়ার সময় প্রথম এক মিনিটে বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ ছিল প্রতিঘণ্টায় ২৬০ কিলোমিটার, যা একে সাফির-সিম্পসন স্কেলে ক্যাটাগরি-৫ এর সাইক্লোনে পরিণত হয়। এতে মূহূর্তেই লন্ডভন্ড হয়ে যায় উপকূলীয় এলাকাগুলো। সিডরের সেই কালো রাতের ভয়াল দূর্যোগ এখনও গোটা উপকূলবাসীকে তাড়া করে ফিরছে। আজও উপকূলের জনপদে কান পাতলে শোনা যায় স্বজনহারাদের দীর্ঘশ্বাস। বিভীষিকাময় দিনটি মনে পরলেই আঁতকে উঠেন উপকূলের মানুষ। উপকূলের মানুষের স্মৃতিতে এখনও ভেসে ওঠে শত শত মানুষের চিৎকার আর স্বজনদের বাঁচার আকুতি।<br />
শতাব্দীর অন্যতম ভয়াবহ ওই ঘূর্ণিঝড়ে প্রাণ হারিয়ে ছিল কয়েক হাজার মানুষ। নিখোঁজ হয়েছিল আরও সহস্রাধিক এর বেশি। এছাড়াও বঙ্গোপসাগরে থাকা ৫ শতাধিক মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারের ৩ হাজার জেলে নিখোঁজ হয়ে যায়, স্থানীয় কৃষি খাত প্রচণ্ড ক্ষতিগ্রস্ত হয়, বিপুল পরিমাণ ধানী জমির ফসল সম্পূর্ণ বিনষ্ট হয়। যা দুর্যোগ পরবর্তীকালে মোট ক্ষতি ২১০ কোটি ডলার হিসাব করা হয়েছিল। ঘরবাড়ি আর সহায় সম্বল হারিয়ে মানুষ হয়ে পড়ে অসহায়। বাঁধ ভেঙে ভাসিয়ে নিয়ে যায় সব কিছু। সিডরের ১৬ বছর কেটে গেলেও আজ পর্যন্ত ধকল কাটেনি উপকূলবাসীর। ক্ষত চিহ্ন বয়ে বেড়াচ্ছেন নিহতদের স্বজনরা। ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলোয় নির্মাণ হয়নি টেকসই বেড়িবাঁধ। ফলে এখনও আতঙ্কে দিন কাটে উপকূলবাসীর।<br />
<strong>প্রলয়ঙ্কারী সিডরে ক্ষয়ক্ষতি ॥</strong> সরকারি হিসাবে বাগেরহাট ও বরগুনাকে সিডরে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত জেলা হিসাবে চিহ্নিত করা হয়। বরগুনা জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুসারে, সিডরে এ জেলায় প্রাণ হারান ১ হাজার ৩৪৫ মানুষ। নিখোঁজ হন ১৫৬ জন। ৩০ হাজার ৪৯৯ টি গবাদি পশু ও ৬ লাখ ৫৮ হাজার ২৫৯ টি হাঁস-মুরগী মারা যায়। ২ লাখ ১৩ হাজার ৪৬১ টি পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সম্পূর্ন গৃহহীন হয়ে পড়ে ৭৭ হাজার ৭৫৪ টি পরিবার।<br />
বাগেরহাট জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুসারে, সিড়রে জেলায় প্রাণ হারিয়েছিলেন ৯০৮ জন। তবে বেসরকারী হিসাবে প্রাণহানীর এ সংখ্যা ছিলো পাঁচ হাজারের বেশী। সিডরের আঘাতে সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়েছিল জেলায় ৬৩ হাজার ঘরবাড়ি। আহত হয়েছিল ১১ হাজারের বেশী মানুষ। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল দুই লাখ ৮৩ হাজার ৪৮২ টি পরিবার, ৩৬৭ কিলোমিটার পাকা রাস্তা, ৮৬২ কিলোমিটার কাঁচা সড়ক, প্রায় ৬৫ কিলোমিটার বাঁধ এবং ৭৫০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এছাড়াও পটুয়াখালী, পিরোজপুর, ভোলা, সাতক্ষীরা, ঝালকাঠিসহ উপকূলীয় ১৬ জেলায় ধব্বংসের ছাপ রেখে যায় সিডর।</p>
<p><strong>আজও থামেনি জেলে পরিবারগুলোর কান্না ॥</strong> সিডরে বঙ্গোপসাগরে থাকা ৫ শতাধিক মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারের ৩ হাজার জেলে নিখোঁজ হয়ে যায়। কিন্তু ঘূর্ণিঝড় সিডরের ১৬ বছর পেরিয়ে গেলেও আজও সন্ধান মেলেনি নিখোঁজ জেলেদের। নিখোঁজ এসব জেলেরা বেঁচে আছে নাকি মরে গেছে তাও জানেনা পরিবারের সদস্যরা। তবে তাদের পরিবারের সদস্যরা আজো তাদের প্রতীক্ষায় প্রহর গুনছে। থামেনি স্বজনহারাদের কান্না। সিডরের কথা মনে করে এখনও আঁতকে ওঠেন তারা। স্বজন হারানোদের ব্যথায় এখনো আকাশ বাতাস ভারী হয়ে ওঠে বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলার জেলে পল্লিতে। নিখোঁজ জেলেদের ফিরে আসার প্রতিক্ষায় প্রহর গুনছেন স্বজনরা।<br />
ভোলা সদর উপজেলার ভেলুমিয়া ইউনিয়নের কূলগাজী গ্রামের সহিজল মাঝি সিডরে আঘাত হানার সময় মাছ ধরতে গিয়ে ছিলেন সাগরে। তিন মেয়ে তিন ছেলে, মা-বাবা আর স্ত্রী রেখে সেই যে গেলেন আর ফিরে এলেন না। আসবেন কিনা তাও জানে না তার পরিবার। এখনো তার ফিরে আসার অপেক্ষায় প্রহর গুনছেন সহিজলের স্ত্রী। স্বামীর কথা বলতে গেলে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন তিনি।<br />
সহিজলের স্ত্রী বলেন, ‘সিডরের সময় সে নদীতে গেছে। বোটে মাছ ধরতে। সে বোট পইর‌্যা গেছে। আর সে ফিরর‌্যা আসে নাই। আর আসবে নাকি হেও জানিনা, আল্লাপাক জানে। ছেলে-সন্তান নিয়া খুব অসহায় আছি। সংসার খুব কষ্টে চলে।’<br />
একই গ্রামের কাদির গাছালির মেয়ে জামাই মিলন মাঝিও মাছ ধরতে গিয়ে প্রাণ হারালেন। নিজে সাগরে গিয়ে ডুবে মরে পরিবারকে ফেলে দিয়ে গেলেন বাস্তবতা নামের অথৈ সাগরে। তার স্ত্রী-পূত্র কন্যা সবাই এখন ছন্নছাড়া সংসারহারা।<br />
<strong>স্মৃতিতে সিডর ॥</strong> ‘সিডরের কথা মনে হইলে আইজও কইলজাটা কাইপ্পা ওডে, রাইতে ঘুমাইতে পারি না। বড় বড় গাছ পড়ার ছবি এহনও চোহে ভাসে। মোর ঘরডা পালকের মতো উঠাইয়া নিয়ে গ্যালো। চাতুর দিকে চাইয়া দেহি পানি আর পানি। ব্যানে (সকালে) উইড্ডা দেহি মোর ছাগল-গরু আর নাই। সিডরের দিনের ভয়াল স্মৃতি এমনভাবেই প্রকাশ করছিলেন ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলার আওরাবুনিয়া গ্রামের ফিরোজ মিয়া। তার মতো এমন দুঃসহ স্মৃতি আজও বয়ে বেড়ান উপকূল অঞ্চলের অসংখ্য মানুষ।’<br />
‘বরগুনা সদর উপজেলার নলটোনা গ্রামের তাসলিমা আক্তারের বাবা-মা আর ছেলের প্রাণ কেড়ে নেয়। একইভাবে গ্রামের আবাদুস সাত্তার সেদিনের প্রবল জলোচ্ছ্বাসের মুখে ধরে রাখতে পারেনি নিজের তিন প্রাণপ্রিয় সন্তান আর স্ত্রীকে। তাদেরকে প্রতিদিন তাড়িয়ে বেড়ায় সেই ভয়াল স্মৃতি।<br />
তসলিমা আক্তার আর আবদুস সাত্তার বলেন, সেদিন রাতে খাওয়া-দাওয়া সেরে তারা ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। বাইরের আবহওয়া ছিল খারাপ। সন্ধ্যা থেকেই গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছিল। সন্ধ্যা থেকেই তারা শুনছিলেন রেডিওতে বিপদ সঙ্কেতের কথা। তবে তারা বাড়ি ছেড়ে যাওয়ার কথা ভাবেননি। গ্রামের অনেকে গেছেন কাছেপিছে আশ্রয়কেন্দ্রে বা স্কুলে। রাত সাড়ে ১০টার দিকে হঠাৎ শুরু হয় প্রবল ঝড়। কিছু বুঝে ওঠার আগেই উড়িয়ে নিয়ে যায় আশ্রয়, আর সেই সঙ্গে যেন সাগর ভেঙে পানি ঢুকে পড়ে বাড়িঘরে। বলেন সাত্তার। পরদিন ভোরের আলো ফুটে উঠতেই তসলিমা ও সাত্তার খুঁজে পান পরিবারের সদস্যদের নিথর দেহ। তবে অনেকের কোনো খোঁজই পায়নি উপকূলবাসী, ভেজা চোখে জানান এই দুজন।’<br />
‘বলেশ্বর নদীর তীরে বাড়ি। ছোটবেলা থেকে ঝড়-জলোচ্ছ্বাসের সঙ্গে বড় হয়েছি। ঐ দিন সন্ধ্যা থেকেই একটু বৃষ্টি ও সামান্য বাতাস হচ্ছিল। ভাবছিলাম এটাতো মাঝেমধ্যেই হয়। আব্বার সঙ্গে পরামর্শ করে সবাই ঘরেই থাকলাম। আনুমানিক রাত ১১টার দিকে হঠাৎ বাতাসের বেগ বাড়লো। সবাইকে বললাম দ্রুত ঘর থেকে বের হও। আমিও মুহূর্তের মধ্যে ঘর থেকে বের হয়ে পুরাতন বেড়িবাঁধের মধ্যে থাকা নুর মোহাম্মাদের বাড়িতে গিয়ে উঠি। মাত্র ৫ মিনিটের ব্যবধানে কয়েক ফুট উচ্চতার পানির স্রোত আসে। নুর মোহাম্মাদের ঘরের সব দরজা খোলা ছিল। তার ঘরের মধ্যে যখন চার ফুট পানি প্রবেশ করে তখন সাঁতরে বের হয়ে যাই। পানির স্রোতে যেতে খুব কষ্ট হচ্ছিল তারপরও অনেক কষ্টে পাশের বাড়ির আব্দুল মল্লিকের বাড়ির একটি গাছে উঠে জীবন রক্ষা করেছিলাম। সবকিছুই হয়েছিল বড় অল্প সময়ের মধ্যে। ফজরের আজানের পরে আমি গাছ থেকে নেমে বাড়িতে এসে দেখি আমাদের ঘরের কোনো চিহ্ন নেই। ঘরে থাকা বাবা,মা,ছোট দুই ভাই ও এক বোনকে আর খুঁজে পেলাম না। পরবর্তীকালে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুজির পর ধান ক্ষেতের মধ্যে বাবা, মা ও এক ভাইয়ের মরদেহ পাই। আর এখনো পর্যন্ত বাকি ভাই-বোনকে খুঁজে বেড়াচ্ছি।’ কান্না জড়জড়িত কন্ঠে কথাগুলো বলছিলেন ২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর সিডরে বাবা-মাসহ পরিবারের পাঁচ সদস্যকে হারানো শরণখোলা উপজেলার উত্তর সাউথখালী গ্রামের লাল মিয়া হাওলাদারের ছেলে বাদল হাওলাদার। সিডরের ক্ষত কাটিয়ে উঠলেও দুঃসহ স্মৃতি এখনো কাঁদায় বাদলকে। মনে পড়লেই আঁতকে ওঠেন স্বজন হারানোর বেদনায়।<br />
<strong>১৯ কবরে ২৯ লাশ ॥</strong> সিডরে বরগুনা সদরের সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাম নলটোনা। এখানে তখন কোনো বেড়িবাঁধ ছিল না। জলোচ্ছ্বাসে এ গ্রামে প্রায় ২০ ফুটের মতো পানি আছড়ে পড়ে। পরের দিনই সেখানে প্রায় অর্ধশতাধিক মানুষের লাশ পাওয়া যায়। তখনো এলাকাটি ছিল পানির নিচে। লাশ দাফনের জন্য স্থান খুঁজে পাচ্ছিলেন না তাদের স্বজনরা। তখন লাশ নিয়ে দাফন করা হয় কিছুটা দূরে বরগুনা-নিশানবাড়িয়া সড়কের পাশে পশ্চিম গর্জনবুনিয়া গ্রামে। দাফনের কাপড় ছাড়াই ২৯ জনকে ১৯টি কবরে মাটিচাপা দেয়া হয় বলে জানান গ্রামের বাসিন্দারা।<br />
প্রাথমিক পর্যায়ে বরগুনা প্রেসক্লাবের সহযোগিতায় স্থানীয় উন্নয়ন সংস্থা সংগ্রাম এই গণকবরটি সংরক্ষণের উদ্যোগ নেন। পরবর্তীতে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে কবরগুলো সংরক্ষণ ও আধুনিকায়ন করা হয়। গ্রামের মানুষদের সারা বছরই স্বজনদের কথা মনে করে এখানে দাঁড়িয়ে নীরবে অশ্রু ফেলতে দেখা যায়।<br />
<strong>বাকেরগঞ্জ ঘূর্ণিঝড় ॥</strong> প্রাণহানি ও ভয়ঙ্করের দিক থেকে পৃথিবীর ঘূর্ণিঝড়ের ইতিহাসে ষষ্ঠস্থান দখল করে আছে বাকেরগঞ্জ ঘূর্ণিঝড়। ১৮৭৬ সালের ৩১ অক্টোবর বাকেরগঞ্জের উপকূলের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া এই ঘূর্ণিঝড় ‘দ্য গ্রেট বাকেরগঞ্জ ১৮৭৬’ নামেও পরিচিত। ওই ঝড়ে আনুমানিক দুই লাখ মানুষের প্রাণহানি ঘটে। পরবর্তী সময়ে আরও বেশি মানুষ মারা যায় দুর্যোগপরবর্তী মহামারী এবং দুর্ভিক্ষে।<br />
এরআগে ১৯৬০ সালে অক্টোবর মাসে ঘণ্টায় ২১০ কিলোমিটার গতির প্রবল ঘূর্ণিঝড় আঘাতহানে চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, বাকেরগঞ্জ, ফরিদপুর, পটুয়াখালী ও পূর্ব মেঘনা মোহনায়। ওই ঝড়ে প্রায় ১০ হাজার মানুষ মারা যায়। পরের বছর ১৯৬১ সালের ৯ মে অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড় আঘাতহানে বাগেরহাট ও খুলনা অঞ্চলে। সে সময় প্রায় সাড়ে ১১ হাজার মানুষ মারা যান। ১৯৬২ সালের ২৬ অক্টোবর ফেনীতে তীব্র ঘূর্ণিঝড়ে প্রায় এক হাজার মানুষের মৃত্যু হয়। ১৯৬৩ সালের মে মাসে ঘূর্ণিঝড়ে বিধ্বস্ত হয় চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, কক্সবাজার এবং সন্দীপ, কুতুবদিয়া, হাতিয়া ও মহেশখালী উপকূলীয় অঞ্চল। ওইসময় প্রাণ হারান ১১ হাজার ৫২০ জন।<br />
১৯৬৫ সালের ১২ মে ঘূর্ণিঝড়ে বারিশাল ও বাকেরগঞ্জে প্রাণ হারান ১৯ হাজার ২৭৯ জন। সে বছর ডিসেম্বরে আরেক ঘূর্ণিঝড়ে কক্সবাজারে মৃত্যু হয় ৮৭৩ জনের। পরের বছর অক্টোবরে ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানে সন্দীপ, বাকেরগঞ্জ, খুলনা, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী ও কুমিল্লায়। এতে মারা যান ৮৫০ জন।<br />
<strong>গ্রেট ভোলা সাইক্লোন ॥</strong> ১৯৭০ সালের ১৩ নভেম্বর বাংলাদেশের উপকুলীয় এলাকার উপর দিয়ে বয়ে যায় প্রলয়ঙ্করী ‘গ্রেট ভোলা সাইক্লোন’। ওই ঝড়ে চট্টগ্রাম, বরগুনা, খেপুপাড়া, পটুয়াখালী, ভোলার চর বোরহানুদ্দিনের উত্তরপাশ ও চর তজুমুদ্দিন এবং নোয়াখালীর মাইজদি ও হরিণঘাটার দক্ষিণপাশ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই ঝড়ে প্রাণ হারায় প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ মানুষ।<br />
১৯৮৮ সালের নভেম্বরের ঘূর্ণিঝড় লন্ডভন্ড করে দিয়ে যায় যশোর, কুষ্টিয়া, ফরিদপুর, বরিশাল ও খুলনা অঞ্চলের উপকূলীয় এলাকা। ওই ঝড়ে পাঁচ হাজার ৭০৮ জন প্রাণ হারিয়েছে। ১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিলের ঘূর্ণিঝড় কেড়ে নেয় এক লাখ ৩৮ হাজার মানুষের জীবন।<br />
<strong>এখনো দাঁড়াতে পারেনি উপকূলবাসী ॥</strong> সরকারি, বেসরকারি সংস্থা ও উপকূলবাসীর দাবি, সেই সময় ক্ষতিগ্রস্ত খুব কম মানুষকেই পুনর্বাসন করতে পেরেছে সরকার। ফলে অধ্যবদি বেশিরভাগ মানুষের দিন কাটছে চরম দুঃখ-দুর্দশার মধ্যদিয়ে।<br />
<strong>আজও হয়নি টেকসই বেড়িবাঁধ ॥</strong> সিডরের ১৬ বছর পার হলেও নির্মিত হয়নি উপকূলীয় রক্ষাবাঁধ। ভাঙা বেড়িবাঁধ দিয়ে অতিবর্ষণ কিংবা আমাবস্যা-পূর্ণিমার জোয়ারে পানি ঢুকে নষ্ট হয়ে যায় ফসল-ফলাদি। তলিয়ে যায় মাছের ঘেরসহ পুকুর। আমনচাষে হয় সমস্যা। লবণ পানি উঠে নষ্ট হয় ফসল। শক্ত বেড়িবাঁধ না হওয়ায় ঝড়-জলোচ্ছ্বাসের খবরে আতঙ্কে থাকে উপকূলবাসী। ঝালকাঠির সুগন্ধা ও বিষখালী নদী তীরবর্তী এলাকায় বেড়িবাঁধ নির্মাণ না হওয়ায় এখনো দুর্যোগ ঝুঁকিতে দিন পার করছে জেলার অনেক পরিবার।<br />
সূত্রমতে, টেকসই বেড়িবাঁধ না থাকায় ২০০৮ ঘূর্ণিঝড় নার্গিস, ২০০৯ আইলা, ২০১৩ মহাসেন, ২০১৫ কোমেন, ২০১৬ রোয়ানু, ২০১৭ মোরা, ২০১৯ ফণী ও বুলবুল, ২০২০ আমফান, ২০২১ ইয়াস, ২০২২ সিত্রাং ও ২০২৩ সালের মোখার প্রভাবে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে উপকূলীয় জেলাগুলোতে। তাই আজও ত্রানের পরিবর্তে টেকসই বেড়িবাঁধ চায় উপকূলবাসী।<br />
<strong>নভেম্বর মানেই আতঙ্ক ॥</strong> ১৭৯৭ সাল থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের ওপর শুধু নভেম্বর মাসেই ১১টি মারাত্মক ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানে। যার ফলে ব্যাপক প্রাণহানি, গৃহপালিত ও বন্য পশুর মৃত্যুর পাশাপাশি সম্পদহানীর ঘটনা ঘটেছে। তাই উপকূলবাসীর মধ্যে নভেম্বর মাস আলাদা একটি আতঙ্কের মাস।<br />
সে রাতে হাজারো মানুষকে বাঁচিয়েছিলেন ‘সিডর ম্যান’ জয়দেব ॥ ফুল ফুটে ঝরে যায় দুনিয়ার রীতি,মানুষ মরে যায় রেখে যায় স্মৃতি। মানুষ বাঁচে তার কর্মের মধ্যে, বয়সের মধ্যে নয়। মানুষ মরণশীল হলেও কর্মগুণে অমরত্ব লাভ করা সম্ভব। সংক্ষিপ্ত মানবজীবনকে অনন্তকাল বাঁচিয়ে রাখতে হলে তথা স্মরণীয় করে রাখতে হলে কল্যাণকর কর্মের কোনো বিকল্প নেই। ঠিক তেমনি আজও লক্ষাধিক উপকূলবাসীর হৃদয়ে বেঁচে আছেন মানবতার কল্যাণে নিযুক্ত থাকা ‘সিডর ম্যান’ খ্যাত জয়দেব দত্ত। আজ থেকে ঠিক ১৬ বছর আগে ২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর দেশের দক্ষিন ও পশ্চিম উপকূলে আঘাত হানা স্মরণকালের ভয়াবহ প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড় সিডর আঘাত হানার আগেই পূর্বাভাস প্রচারের মাধ্যেম অন্তত পাঁচ হাজার মানুষের জীবন বাঁচিয়েছিলেন তালতলী সিপিপির স্বেচ্ছাসেবক জয়েদব দত্ত। ফলে সারা বিশ্বে যিনি ‘সিডর ম্যান’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছিলেন।<br />
ঘূর্ণিঝড়ের পূর্ভাবাসের বেশ কয়েক দিন আগেই বাইসাইকেলে চেপে হ্যান্ডমাইক নিয়ে বরগুনার তালতলি উপজেলার ঝড়ের পূর্ভাবাস দিচ্ছিলেন স্বেচ্ছাসেবক জয়েদব দত্ত। ঝড়ের পূর্বদিন থেকেই মহাবিপদ সংকেত ১০ নম্বর দেখানো হয়। দুপুর গড়িয়ে সন্ধ্যার পূর্বে উপকূলীয় এলাকায় হালকা বাতাসের সাথে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি ও আকাশ রাতের আঁধারের মতো ভয়ংকর রূপ ধারণ করে। ঘণ্টায় ২২০ থেকে ২৫০ কিলোমিটার বেগে আঘাত হানে সুপারসাইক্লোন সিডর। তাণ্ডবলীলা শুরু করে প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়টি। উপকূলের মানুষজন আজও জলোচ্ছ্বাসের সঙ্গে সংগ্রাম করেই বেঁচে আছে। তবে বেঁচে নেই ‘সিডর ম্যান’ জয়দেব দত্ত।<br />
<strong>চিরকুটসহ উদ্ধার হয় জয়দেবের মরদেহ ॥</strong> ২০১৭ সালের আগস্ট মাসে ৬০ বছরে জয়দেব দত্তর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঐ বছর ৫ আগস্ট (শনিবার) তালতলী উপজেলার বড়বগী ইউনিয়ন পরিষদের সিপিপির ওয়্যারলেস অপারেটর কক্ষের ভেতর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার পাশ থেকে উদ্ধার হয় একটি চিরকুট। যাতে তিনি উপজেলা চেয়ারম্যান বাড়ি ছাড়ার জন্য অব্যাহতভাবে চাপ দেওয়ার কারণে তিনি বিপর্যস্ত ছিলেন বলে লিখছেন। তার লেখাটি ছিলো, ‘প্রত্যেক সংসারে জ্বালা-যন্ত্রণা থাকে, অভাব-অনটন থাকে মেনে নিয়েছি। অভাবে পড়ে মিন্টু চেয়ারম্যানের কাছে পৈতৃক ভিটি বিক্রি করেছি ২৮ লাখ টাকায়। আট লাখ টাকা বায়না নিয়েছি। বলেছি তাড়াতাড়ি দলিল করে নিন। এক বছর ধরে বলে (মিন্টু) টাকা দেব দেব, আমি বলছি মে-১৭ (২০১৭) মাসে ঘর ছেড়ে দেব।<br />
বর্ষা আসলে মালামাল টানতে সমস্যা হবে। এখন বর্ষাকাল গতকাল্য ১-৮-১৭ তাং চেয়ারম্যান সাহেব বলেন, আগামী সোমবার (৬ আগস্ট) দলিল করব—ঘর ছেড়ে দিতে হবে। এত দিন টালবাহনা করলেন কেন? অভাবে পড়েছি বলে ভিটি বিক্রি করেছি। এখন বর্ষার মধ্যে কিভাবে যাব? আপনি ধনাঢ্য ব্যক্তি, দলিলের কাজ আগেই সমাধান করা উচিত ছিল। আমি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত। ’ চার পাতার সুইসাইড নোটের পাশে লিখেছিলেন, ‘আমার পোস্টমোর্টেম করবেন না। ক্ষোভে আত্মহত্যার পথ বেছে নিলাম। ’<br />
দুই ছেলের উদ্দেশে জয়দেব লিখেছেন, ‘প্রসেনজিত্-দেবজিত্, তোর মাকে দেখিস। খারাপ কাজ করিস না। মৃত্যু সবারই অবধারিত। আর জ্বালা সহ্য করতে পারি না। মিন্টু চেয়ারম্যান যদি দলিল নেয়ার প্রসেন-দেবজিত্ তোরা দিয়ে দিস, আর যদি আট (লাখ টাকা) ফেরত নেয় সঞ্জীব দাস (শ্যালক), অ্যাডভোকেট জগদীশ, সঞ্জয় (ছোট ভাই) তোরা আমার গ্রামের বাড়ি বিক্রি করে ব্যবস্থা নিস। ’ তিনি আরো লিখেছেন, ‘মানুষ মরণশীল। জীবনে অনেক ভালো কাজ করেছি। সমাজও আমাকে ভালো কাজের স্বীকৃতি দিয়েছে। সমাজের কাছে কৃতজ্ঞ। ’<br />
উল্লেখ্য, ২০০৭ সালে ঘূর্ণিঝড় সিডরের সময় তালতলীর নদী ও সমুদ্র তীরবর্তী এলাকায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আগাম সতর্কতা সংকেত প্রচার করে হাজার হাজার মানুষের জীবন রক্ষা করেছিলেন জয়দেব দত্ত। এ খবর গণমাধ্যমে প্রকাশ হলে বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত হন তিনি। পরে জনপ্রিয় বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’র পক্ষ থেকে তাকে পুরস্কৃত করা হয়। এ সময় ইত্যাদির পক্ষ থেকে তাকে ‘সিডরম্যান’ উপাধি দেওয়া হয়েছিল।</p>
<p>The post <a href="https://imnews24.com/archives/64017">১৭ বছরেও ধকল কাটেনি উপকূলবাসীর</a> appeared first on <a href="https://imnews24.com">IM News</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://imnews24.com/archives/64017/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বিএম কলেজ ও ববি শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ, আহত শতাধিক</title>
		<link>https://imnews24.com/archives/63901</link>
					<comments>https://imnews24.com/archives/63901#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আইএম নিউজ]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 04 Sep 2024 05:10:53 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বরিশাল]]></category>
		<category><![CDATA[বরিশাল বিভাগ]]></category>
		<category><![CDATA[শিক্ষাঙ্গন]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://imnews24.com/?p=63901</guid>

					<description><![CDATA[<p>বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) ও সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজে শিক্ষার্থীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। এসময় উভয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চারটি বাস ও বিএম কলেজ ক্যাম্পাসে ভাঙচুর করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাত সা‌ড়ে ১২টা থেকে উভয় গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়, যা দফায় দফায় হামলা ও সংঘর্ষের [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://imnews24.com/archives/63901">বিএম কলেজ ও ববি শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ, আহত শতাধিক</a> appeared first on <a href="https://imnews24.com">IM News</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) ও সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজে শিক্ষার্থীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। এসময় উভয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চারটি বাস ও বিএম কলেজ ক্যাম্পাসে ভাঙচুর করা হয়েছে।</p>
<p>মঙ্গলবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাত সা‌ড়ে ১২টা থেকে উভয় গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়, যা দফায় দফায় হামলা ও সংঘর্ষের মধ্য দিয়ে ভোর ৫টা পর্যন্ত চলে।</p>
<p>কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন। শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শী জানায়, বরিশাল নগরের ব্যাপ্টিস্ট মিশন রোডের বাসিন্দা বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তাসনুভা চৌধুরি জোয়ার পরিবারের সঙ্গে জমি নিয়ে পার্শ্ববর্তী পরিবারের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। গত সোমবার বিএম কলেজের কয়েকজন শিক্ষার্থী বিরোধ নিরসনের লক্ষ্যে ঘটনাস্থলে যায়। কিন্তু ওই শিক্ষার্থীদের সঙ্গে জোয়াদের কথাকাটাকাটি হলে বিষয়টি জোয়া ববি শিক্ষার্থী তার বন্ধুদের জানায়। পরে তারা সেখানে গেলে জানতে পারে জোয়া ও তার মাকে হেনস্তা-অপমান করা হয়েছে। এরপর বিএম কলেজ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায় জোয়ার বন্ধুরা। পরে বিএম কলেজের শিক্ষার্থীরা সেখান থেকে চলে আসে। পরে হামলা ও হেনস্তার অভিযোগ এনে মঙ্গলবার বিকেলে পাল্টাপাল্টি মানববন্ধন করে ববি ও বিএম কলেজের শিক্ষার্থীরা।</p>
<p>এদিকে মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে নগরের বটতলা এলাকায় ববির দুই শিক্ষার্থীকে একা পেয়ে মারধর করে বিএম কলেজের শিক্ষার্থীরা। তখন প্রাণ বাঁচাতে ওই দুইজন দৌড়ে পাশেই থাকা বটতলা পুলিশ ফাঁড়িতে ঢুকে আশ্রয় নেন।</p>
<p>সহপাঠীদের মারধর করার খবর পেয়ে রাত ১২টা নাগাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০/৫০ জন শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি বাসে করে সেখানে এলে বিএম কলেজের শিক্ষার্থীরা সেই বাসে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। এতে বাসের চালকসহ ১৫/২০ জন আহত হন। পরে সহপাঠীদের মারধর করার খবর পৌঁছলে বাস-ট্রাক বোঝাই হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নগরের বটতলা এলাকার আশপাশে এসে জড়ো হয়। অন্যদিকে বিএম কলেজের শিক্ষার্থীরাও ক্যাম্পাস ও তার আশপাশের এলাকায় অবস্থান নেয়। এসময় বিভিন্ন স্থানে উভয় পক্ষের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।</p>
<p>পরে রাত ১টা থেকে পৌনে ৩টা পর্যন্ত বিএম কলেজ ক্যাম্পাসে ঢুকে ববি শিক্ষার্থীরা হামলা চালায়। হামলার প্রথম পর্যায়ে বিএম কলেজের শিক্ষার্থীরা পালটা হামলা চালানোর চেষ্টা করলেও সংখ্যায় অনেক কম হওয়ায় খুব বেশিক্ষণ টিকতে পারেনি।</p>
<p>বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বিএম কলেজের শিক্ষার্থীরা তাদেরসহ সাধারণ মানুষের ওপর হামলা চালিয়েছে। তাদের দাবি, বিএম কলেজের এক শিক্ষার্থী যে ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত তিনি বিরোধীয় জমি দখলের চেষ্টায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী ও তার পরিবারকে হেনস্তা করেছে। আর তার প্রতিবাদ জানাতে গেলে ববি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালানো হয়।</p>
<p>তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে বিএম কলেজের শিক্ষার্থীরা জানায়, বিরোধ সমাধানের চেষ্টা চালাতে গিয়ে সমন্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান রাফিসহ বিএম কলেজের শিক্ষার্থীরা হামলার শিকার হয়েছেন। এর প্রতিবাদ জানাতে গেলে রাতে ববি শিক্ষার্থীরা শুধু বিএম কলেজের শিক্ষার্থীদের ওপর নয়, প্রশাসনিক ভবন, আবাসিক হল ও বেশ কিছু বাস ভাঙচুর করেছে।</p>
<p>স্থানীয়রা জানায়, রাত ৩টার দিকে ব‌রিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচজন শিক্ষার্থী বিএম কলেজের ভেতরে আটকা পড়ার খবর পাওয়া যায়। পরে সেনাবাহিনীর সদস্যদের হস্তক্ষেপে পুরো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলেও বিএম কলেজের আশেপাশে হামলা-পালটা হামলার খবর পাওয়া যাচ্ছিল।</p>
<p>বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জানায়, নগরের ব্যাপ্টিস্ট মিশন রোডে বাড়ি দখল করতে ভাড়া ক‌রে নি‌য়ে গিয়েছিল বিএম কলেজের সমন্বায়ক প‌রিচয় দেওয়া মোস্তা‌ফিজুর রহমান রা‌ফি‌কে। সেখানে গি‌য়ে রাফি ও তার সঙ্গে থাকা লোকজন বাড়ির মূল মালিকদের ওপর হামলা ক‌রে। সেখানে হামলার শিকার হয়েছেন আমা‌দের শিক্ষার্থী জোয়া। খবর পেয়ে আমরা ওই রা‌তেই ঘটনাস্থলে উপ‌স্থিত হ‌য়ে হামলার কারণ জান‌তে চাইলে আমা‌দের ওপরও হামলার চেষ্টা ক‌রে রাফি। প‌রে এঘটনায় থানায় জিডি ক‌রেন জোয়া।</p>
<p>তারা আরও জানায়, মঙ্গলবার রাত ১০টায় আমা‌দের দুই শিক্ষার্থীকে নগরের বটতলা এলাকায় একা পেয়ে বেধরক মারধর ক‌রে বিএম কলেজের শিক্ষার্থীরা। এই দুই ঘটনা মি‌লেই ঝামেলা হ‌য়ে‌ছে। প্রথম দিকে আমা‌দের পাঁচজন শিক্ষার্থীকে আটকে রে‌খে‌ছে বিএম কলেজের শিক্ষার্থীরা, পাশাপা‌শি আমা‌দের বাসও ভাঙচুর করা হ‌য়ে‌ছে। সশস্ত্র হামলায় আমা‌দের অনেকে আহত হ‌য়ে‌ছে। আমরা বিএম কলেজে অভিযান চা‌লি‌য়ে অস্ত্র উদ্ধারের দাবি জানিয়েছি সেনাবাহিনীর কাছে।</p>
<p>বিএম কলেজের শিক্ষার্থীরা জানায়, বেশ কয়েক দিন যাবত এক ম‌হিলা বিএম কলেজে এসে সমন্বায়কদের সহায়তা চাচ্ছিলেন তার বা‌ড়ি দখল করা হ‌য়ে‌ছে জা‌নি‌য়ে। তার অনুরোধের প্রেক্ষিতে সমন্বায়ক মোস্তা‌ফিজুর রহমান ওই ম‌হিলার বাড়িতে তার প্রতিপক্ষের সঙ্গে আলোচনার জন্য যান। ত‌বে বাড়িতে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ব‌রিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী প‌রিচয় দেওয়া জোয়া সমন্বায়কদের গালাগাল শুরু ক‌রেন। প‌রে জোয়া তার বয়ফ্রেন্ডকে কল করলে তিনি ব‌রিশাল বিশ্ববিদ্যালয় থে‌কে বাসে করে বেশ কয়েকজন শিক্ষর্থীরা ঘটনাস্থলে এসে বিএম কলেজের সমন্বায়কের ওপর হামলা চালায়।</p>
<p>আমা‌দের তিন‌টি বাস, প্রশাসনিক ভবন, ক্লাস রুম, তিন‌টি হ‌লে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়। ভাঙচুর করা হয় বিএম ক‌লেজ এলাকার দোকানপাটও। দুইটা পারিবারিক বিষয় যে সংঘ‌র্ষের রূপ দি‌য়ে‌ছে সে‌টি আমরা মোটেই মে‌নে নি‌তে পার‌ছি না। ব‌রিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ও বিএম কলেজের শিক্ষার্থী‌দের আন্দোলনের ফসল। এই হামলার সমীচীন জবাব আমরা খুব দ্রুতই দেব। এই ঘটনায় আমা‌দের প্রায় ৪৫ জন শিক্ষার্থী আহত হ‌য়ে‌ছেন।</p>
<p>বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের প্রধান ড. উন্মেষ রায় জানান, হামলায় ব‌রিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শতা‌ধিক শিক্ষার্থী হাসপাতাল থে‌কে চি‌কিৎসা নিয়েছেন। এখন ৩৩ জ‌নের মত ভ‌র্তি রয়েছেন। ব‌রিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে ফি‌রে গিয়েছেন। তবে বিএম কলেজের কারও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।</p>
<p>The post <a href="https://imnews24.com/archives/63901">বিএম কলেজ ও ববি শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ, আহত শতাধিক</a> appeared first on <a href="https://imnews24.com">IM News</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://imnews24.com/archives/63901/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>মেয়রের বিরুদ্ধে কয়েক কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ</title>
		<link>https://imnews24.com/archives/63200</link>
					<comments>https://imnews24.com/archives/63200#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আইএম নিউজ]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 08 Jul 2024 11:02:41 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বরিশাল]]></category>
		<category><![CDATA[বরিশাল বিভাগ]]></category>
		<category><![CDATA[সারাদেশ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://imnews24.com/?p=63200</guid>

					<description><![CDATA[<p>পৌরসভার নামে নদী ও খাল দখল, পৌর বাস টার্মিনাল, যাত্রী ছাউনি, পাবলিক টয়লেটসহ সড়ক ও জনপদের জমি দখল করে অবৈধভাবে পৌরসভার নামে বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ করে শপিং মল, দোকান ঘর লিজ এবং অধিক মূল্যে ভাড়া দিয়ে কয়েক কোটি টাকা হাতি নেওয়া হয়েছে। আর এ অভিযোগ উঠেছে জেলার বাকেরগঞ্জ পৌরসভার মেয়র লোকমান হোসেন ডাকুয়ার বিরুদ্ধে। সচেতন [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://imnews24.com/archives/63200">মেয়রের বিরুদ্ধে কয়েক কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ</a> appeared first on <a href="https://imnews24.com">IM News</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>পৌরসভার নামে নদী ও খাল দখল, পৌর বাস টার্মিনাল, যাত্রী ছাউনি, পাবলিক টয়লেটসহ সড়ক ও জনপদের জমি দখল করে অবৈধভাবে পৌরসভার নামে বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ করে শপিং মল, দোকান ঘর লিজ এবং অধিক মূল্যে ভাড়া দিয়ে কয়েক কোটি টাকা হাতি নেওয়া হয়েছে।<br />
আর এ অভিযোগ উঠেছে জেলার বাকেরগঞ্জ পৌরসভার মেয়র লোকমান হোসেন ডাকুয়ার বিরুদ্ধে। সচেতন এলাকাবাসীর মধ্যে এনিয়ে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হলেও পৌর মেয়রের ভয়ে প্রকাশ্যে কেউ কথা বলতে সাহস পাচ্ছেন না। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বাকেরগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড ব্রীজ সংলগ্ন শ্রীমন্ত নদীতে হকার্স মার্কেট নির্মান করেছেন পৌর মেয়র লোকমান হোসেন ডাকুয়া।<br />
ওই মার্কেটের চা দোকানী পৌরসভার ৪নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা জহিরুল ইসলাম জানান, নির্মিত ওই হকার্স মার্কেটে ৪১টি দোকান রয়েছে। তিনি একটি ছোট দোকান ৮৩ হাজার টাকা অগ্রিম প্রদানের পর মাসিক ১৫শ’ টাকা ভাড়ায় নিয়েছেন। অপর চায়ের দোকানী সমির বলেন, আড়াই লাখ টাকা অগ্রিম দিয়ে আমি এই মার্কেটে দুটি দোকান নিয়েছি। প্রতি মাসে দুই দোকানে ভাড়া দেই আট হাজার টাকা। এভাবেই সব দোকানী অগ্রিম টাকা দিয়ে দোকান ভাড়া নিয়েছেন।<br />
সূত্রমতে, পৌরসভার ফান্ডে টাকা জমা দেওয়ার নামে অগ্রিম বাবদ মেয়র লোকমান হোসেন প্রায় ৫০ লাখ টাকা নিয়েছেন ওইসব দোকানঘর ভাড়া দিয়ে। পাশাপাশি প্রতিমাসে ওই মার্কেটের দোকানগুলো থেকে লাখ লাখ টাকা ভাড়া উত্তোলন করা হচ্ছে। বাস টার্মিনালের রেস্টুরেন্ট মালিক বাবুল মুন্সি অভিযোগ করে বলেন, আমার কাছ থেকে ২ লাখ ৭০ হাজার টাকা অগ্রিম নেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত কোন কাগজপত্র দেওয়া হয়নি।<br />
সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলা শহরের প্রাণকেন্দ্র থেকে বয়ে যাওয়া তুলাতলী নদী হয়ে পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদর রোড হয়ে শহরের মধ্যদিয়ে বয়ে যাওয়া শ্রীমন্ত নদীর সাথে সংযোগ হয়েছে জেলখানার খাল। ওই খালের ওপর পৌরসভার তত্ত¡াবধানে একটি মসজিদ গড়ে উঠলেও সেই মসজিদের নাম ব্যবহার করে মেয়র লোকমান হোসেন শপিং মল মার্কেট নির্মাণ করে দখল করে নিয়েছেন খালটির দুইপাশ। সেখানে পাঁচ থেকে শুরু করে ১০ লাখ টাকা অগ্রিম নিয়ে দোকান ঘর ভাড়া দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বাকেরগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন সড়ক ও জনপদের জমি দখল করে পৌর বাস টার্মিনাল নির্মাণ করেছেন পৌরসভার মেয়র লোকমান হোসেন ডাকুয়া। সেই বাস টার্মিনানের দ্বিতীয় তলায় লোকমান হোসেন ডাকুয়া নিজ মালিকানায় গড়ে তুলেছেন এলএফজি চাইনিজ রেস্টুরেন্ট।<br />
সূত্রমতে, ওই বাস টার্মিনালের যাত্রী ছাউনিতে দোকান ঘর করে পাঁচ লাখ টাকা অগ্রিম নিয়ে শংকর সাহার কাছে ভাড়া দিয়েছেন পৌর মেয়র। এছাড়া বাস টার্মিনালে অর্ধশতাধিক দোকান ঘর নির্মানের পর পাঁচ থেকে সাত লাখ টাকা অগ্রিম নিয়ে অধিক মূল্যে ভাড়া দেওয়া হয়েছে।<br />
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক ভাড়াটিয়া দোকান মালিকরা বলেন, তাদের কাছ থেকে অগ্রিম টাকা নেওয়া হলেও পৌর মেয়র অদ্যবর্ধি তাদের কাউকে কোন দলিল বা চুক্তিপত্র কিছুই দেননি। তারা আরও বলেন, শুধু বাস টার্মিনাল থেকেই দোকান ঘর ভাড়া দিয়ে অগ্রিম বাবদ মেয়র লোকমান হোসেন প্রায় ৫০ লাখ টাকা নিয়েছেন। এছাড়া পৌর সুপার মার্কেটে নকশা বহির্ভূতভাবে সিঁড়ির নিচে ও মার্কেটের বাহিরে একাধিক দোকান ঘর নির্মাণ করে লিজ দেয়ার নামে অগ্রিম বাবদ কয়েক লাখ টাকা নিয়েছেন পৌর মেয়র।<br />
কয়েক কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ অস্বীকার করে বাকেরগঞ্জ পৌরসভার মেয়র লোকমান হোসেন ডাকুয়া বলেন, হকার্স মার্কেট নির্মাণে যে টাকা খরচ হয়েছে সেই হিসেবে দোকানদারদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের জমি যখন দরকার হবে তখন তাদের ফেরত দেওয়া হবে।<br />
এ ব্যাপারে বাকেরগঞ্জ পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী শহিদুল ইসলাম বলেন, হকার্স মার্কেটের দোকান লিজ দেওয়া কিংবা অগ্রিম টাকা নেয়ার কোন বিধান নেই। যদি কেউ নিয়ে থাকেন সেটা সম্পূর্ণ অবৈধ। বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ খালেদ বিন অলীদ বলেন, সরেজমিনে গিয়ে শ্রীমন্ত নদী ও জেলখানার খালটির বর্তমান পরিস্থিতি দেখে দখলদারদের তালিকা করে উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।<br />
সার্বিক বিষয়ে বাকেরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ সাইফুর রহমান বলেন, নদী ও জেলখাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতায়। তারা যদি জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে সহায়তা চায়, সেক্ষেত্রে আমরা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে তাদের সহযোগিতা করবো।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>The post <a href="https://imnews24.com/archives/63200">মেয়রের বিরুদ্ধে কয়েক কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ</a> appeared first on <a href="https://imnews24.com">IM News</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://imnews24.com/archives/63200/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>গণসংযোগে নেমে টাকা বিতরণের অভিযোগ চেয়ারম্যান প্রার্থীর বিরুদ্ধে</title>
		<link>https://imnews24.com/archives/60432</link>
					<comments>https://imnews24.com/archives/60432#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আইএম নিউজ]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 09 May 2024 12:08:17 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বরিশাল]]></category>
		<category><![CDATA[বরিশাল বিভাগ]]></category>
		<category><![CDATA[সারাদেশ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://imnews24.com/?p=60432</guid>

					<description><![CDATA[<p>বরিশালের মুলাদি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দোয়াত কলম প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী জহির উদ্দিন খসরুর বিরুদ্ধে গণসংযোগের সময় ভোটারদের টাকা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এরই মধ্যে টাকা দেওয়ার একটি ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ায় এ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে পুরো উপজেলাজুড়ে। এ ঘটনায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগ দিয়েছেন আনারস প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী মো তারিকুল হাসান [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://imnews24.com/archives/60432">গণসংযোগে নেমে টাকা বিতরণের অভিযোগ চেয়ারম্যান প্রার্থীর বিরুদ্ধে</a> appeared first on <a href="https://imnews24.com">IM News</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>বরিশালের মুলাদি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দোয়াত কলম প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী জহির উদ্দিন খসরুর বিরুদ্ধে গণসংযোগের সময় ভোটারদের টাকা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এরই মধ্যে টাকা দেওয়ার একটি ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ায় এ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে পুরো উপজেলাজুড়ে।<br />
এ ঘটনায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগ দিয়েছেন আনারস প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী মো তারিকুল হাসান খান মিঠু।<br />
তারিকুল হাসান খান মিঠু তার অভিযোগ পত্রে লেখেন, গত ৬ মে উপজেলার সাফিপুর ইউনিয়নে গণসংযোগ করার সময় চরপদ্ধা গ্রামের নলী বাড়িতে ভোটারদের প্রভাবিত করতে জহির উদ্দিন খসরু টাকা বিতরণ করেন। এর আগে ৫ মে কাজিরচর ইউনিয়নের রাগুয়া কাজিরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে জনসভা করেন তিনি। এসব চেয়ারম্যান প্রার্থী জহির উদ্দিন খসরু নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে পোস্ট করেন। আবেদনপত্রে আচরণ বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে খসরুর প্রার্থিতা বাতিলের দাবি করেন তারিকুল হাসান খান মিঠু।<br />
তবে অভিযোগ মানতে নারাজ জহির উদ্দিন খসরু। তিনি বলেন, সাফিপুর ইউনিয়নে গণসংযোগ করার সময় এলাকাবাসী জানান একজনের দোকানঘর পুড়ে গেছে। তখন যে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তাকে আমি দুই হাজার টাকা দিই। মানবসেবা বা কাউকে দান করা কি অপরাধ? প্রার্থীদের কাছে তো মানুষের আশা থাকে। সেখান থেকে আমার সাধ্য অনুযায়ী সাহায্য করেছি। এছাড়া জনসভার যে অভিযোগ করা হয়েছে সেটা তো উঠান বৈঠক ছিল। নির্বাচন কমিশন যদি আমাকে ডাকে প্রমাণসহ জবাব দেব।<br />
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মুলাদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার নিজাম উদ্দিন বলেন, অভিযোগপত্র পাওয়া মাত্রই বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে আমরা ব্যবস্থা নেব।</p>
<p>The post <a href="https://imnews24.com/archives/60432">গণসংযোগে নেমে টাকা বিতরণের অভিযোগ চেয়ারম্যান প্রার্থীর বিরুদ্ধে</a> appeared first on <a href="https://imnews24.com">IM News</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://imnews24.com/archives/60432/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>১৪ বছর পালিয়েও রক্ষা হলো না যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামির</title>
		<link>https://imnews24.com/archives/58324</link>
					<comments>https://imnews24.com/archives/58324#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আইএম নিউজ]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 28 Mar 2024 14:41:02 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বরিশাল]]></category>
		<category><![CDATA[বরিশাল বিভাগ]]></category>
		<category><![CDATA[সারাদেশ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://imnews24.com/?p=58324</guid>

					<description><![CDATA[<p>১৪ বছর পালিয়ে থেকেও রক্ষা হয়নি ধর্ষণ মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামির। পুলিশের জালে ধরা পড়ার পরে তাকে এরই মধ্যে সাজাভোগের জন্য কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। গ্রেপ্তার এনায়েত রাঢ়ী বরিশালের উজিরপুর থানাধীন হারতা ইউনিয়নের কালবিলা গ্রামের মো. শাহজাহান রাঢ়ীর ছেলে। পুলিশ জানিয়েছে, বুধবার রাতে ঢাকার গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর থানা এলাকা থেকে র‌্যাব-৩ এর সহযোগিতায় গ্রপ্তার করা হয় [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://imnews24.com/archives/58324">১৪ বছর পালিয়েও রক্ষা হলো না যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামির</a> appeared first on <a href="https://imnews24.com">IM News</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>১৪ বছর পালিয়ে থেকেও রক্ষা হয়নি ধর্ষণ মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামির। পুলিশের জালে ধরা পড়ার পরে তাকে এরই মধ্যে সাজাভোগের জন্য কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। গ্রেপ্তার এনায়েত রাঢ়ী বরিশালের উজিরপুর থানাধীন হারতা ইউনিয়নের কালবিলা গ্রামের মো. শাহজাহান রাঢ়ীর ছেলে।<br />
পুলিশ জানিয়েছে, বুধবার রাতে ঢাকার গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর থানা এলাকা থেকে র‌্যাব-৩ এর সহযোগিতায় গ্রপ্তার করা হয় তাকে।<br />
থানা পুলিশের তথ্যানুযায়ী, উজিরপুর থানায় ২০০৯ সালে সাতলা গ্রামের এক নারী এনায়েত রাঢ়ীর বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন সংশোধনী ২০০৩ এর ৯ (১) ধারায় মামলা করে।<br />
২০১০ সালে বরিশালে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল তাকে যাবজ্জীবন সাজা দেওয়া হয়। এরপর থেকে এনায়েত রাঢ়ী আত্মগোপনে চলে যায়। টানা ১৪ বছরের মাথায় সে আইনশৃঙ্খল বাহিনীর হাতে ধরা পড়লো।<br />
উজিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাফর আহম্মেদ জানান, এএসআই আল মামুন ফোর্সসহ ২৭ মার্চ রাতে অভিযান চালিয়ে গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর থানা এলাকা থেকে এনায়েতকে গ্রেপ্তার করে। আর অভিযানে র‌্যাব -৩ এর সদস্যরা সহযোগিতা করে। তিনি বলেন, বরিশালে আনার পর গ্রেপ্তার আসামিকে বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) আদালতে পাঠানো হলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।</p>
<p>The post <a href="https://imnews24.com/archives/58324">১৪ বছর পালিয়েও রক্ষা হলো না যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামির</a> appeared first on <a href="https://imnews24.com">IM News</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://imnews24.com/archives/58324/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বরিশালে দোল উৎসবে উচ্ছ্বাস</title>
		<link>https://imnews24.com/archives/58177</link>
					<comments>https://imnews24.com/archives/58177#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আইএম নিউজ]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 25 Mar 2024 15:30:43 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বরিশাল]]></category>
		<category><![CDATA[বরিশাল বিভাগ]]></category>
		<category><![CDATA[সারাদেশ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://imnews24.com/?p=58177</guid>

					<description><![CDATA[<p>বরিশালে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের দোল পূর্ণিমা উৎসব পালিত হচ্ছে। সোমবার (২৫ মার্চ) সকাল থেকেই মন্দিরে মন্দিরে পূজার অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এছাড়াও নিজেদের বসতবাড়িতেও ভগবানের পূজা করেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। পরে রঙ খেলায় মেতে ওঠেন তারা। দোল উৎসব উপলক্ষে দেশের সব থেকে বড় আয়োজন ছিলো বরিশাল নগরের এলাকার শ্রী শ্রী শংকর মঠে। এখানে পূজা উদযাপন কমিটি-১৪৩০ এর [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://imnews24.com/archives/58177">বরিশালে দোল উৎসবে উচ্ছ্বাস</a> appeared first on <a href="https://imnews24.com">IM News</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>বরিশালে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের দোল পূর্ণিমা উৎসব পালিত হচ্ছে। সোমবার (২৫ মার্চ) সকাল থেকেই মন্দিরে মন্দিরে পূজার অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এছাড়াও নিজেদের বসতবাড়িতেও ভগবানের পূজা করেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। পরে রঙ খেলায় মেতে ওঠেন তারা।<br />
দোল উৎসব উপলক্ষে দেশের সব থেকে বড় আয়োজন ছিলো বরিশাল নগরের এলাকার শ্রী শ্রী শংকর মঠে। এখানে পূজা উদযাপন কমিটি-১৪৩০ এর উদ্যোগে সকালে শিব পূজার মধ্য দিয়ে শ্রী শ্রী শংকর মঠে উৎসবের শুরু হয়। আর সকাল সাড়ে ১০ টায় দোল উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেনে শ্রী শ্রী শংকর মঠ পূজা উদযাপন কমিটির উপদেষ্টা ও হিন্দু ধর্মীয় কল্যান ট্রাষ্টের সাবেক ট্রাষ্টি ভানু লাল দে।<br />
এসময় উপস্থিত ছিলেন সুরঞ্জিত দত্ত লিটু, মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বিশ্বজিৎ ঘোষ বিষু, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ গোপাল সাহা, শ্রী শ্রী শংকর মঠ পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি কানু সাহা ও সাধারণ সম্পাদক তন্ময় দাস তপু।<br />
পরে মঠ প্রাঙ্গনে তরুণ-তরুণীসহ বিভিন্ন শ্রেনী-পেশার মানুষ আবির খেলায় মেতে ওঠেন। যে উৎসবের আনন্দ বাড়িয়ে দেয় ডিজে গান। যা পরিচালনা করেন ডিজে আজিম। এরপর বেলা দেড়টায় মঠ প্রাঙ্গনে মহাপ্রসাদ বিতরণ করা হয়।<br />
শ্রী শ্রী শংকর মঠ পূজা উদযাপন কমিটির সহ-সভাপতি আকাশ দাস বলেন, শ্রী-শ্রী শংকর মঠে এবারের দোল উৎসবের আয়োজন শুধু বরিশাল নয়, গোটা দেশের মধ্যেই সবথেকে বড় আয়োজন। যেখানে শুধু বরিশাল নয় ফরিদপুর, রাজশাহী, ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানের বাসিন্দারা অংশগ্রহন করেন।<br />
অনুষ্ঠানে দেড় হাজারের বেশি সনাতন ধর্মালম্বীরা অংশগ্রহন করে জানিয়ে তিনি বলেন, এ আয়োজনকে ঘিরে আগে থেকেই সব ধরণের প্রস্তুতি আগে থেকেই নেয়া ছিল। অংশগ্রহনকারীরা সবাই আগে থেকে কুপন ও টি-শার্ট সংগ্রহ করেছেন। নিরাপত্তার স্বার্থে কুপন ছাড়া কেউ মন্দিরের ভেতরে প্রবেশ করতে পারেনি। আর যথেষ্ট ভলান্টিয়ারও রাখা ছিল, ফলে কোন অপ্রিতীকর ঘটনা ছাড়াই উৎসবমুখর পরিবেশে এত বড় আয়োজন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে।<br />
এদিকে ভক্ত ও কলেজ ছাত্রী সম্পা দাস বলেন, ভারতসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় দোল উৎসবে অংশগ্রহণ করেছি, তবে এত শৃঙ্খল ও উৎসবমুখর পরিবেশে বিশাল এ আয়োজন বরিশালেও যে সম্ভব তা বুঝিয়ে দিল শংকর মঠ পূজা উদযাপন কমিটি। যেখানে শত শত বিভিন্ন শ্রেণি ও বয়সের নারী পুরুষ হোলি খোলায় মেতে ওঠেন আপটন মনে। আশাকরি তারা এ ধারাবাহিকতায় বজায় রাখবে।<br />
এদিকে সরকারি ব্রজমোহন কলেজেও দোল উৎসব পালন করা হয়। রাধা কৃষ্ণের অষ্টসখার নৃত্যের তালে বরিশালের ব্রজমোহন কলেজ চত্বরে শুরু হয় দোল উৎসবের এখানকার সূচনাপর্ব। মানুষে মানুষ প্রেম ভালোবাসার বন্ধনে অনিন্দ্য সুন্দর পৃথিবী গড়ার বার্তা দেয়া হয়। আবিরের রঙে রঙিন করে একে অপরের সঙ্গে সৌহার্দ্য স্থাপনেই এ আয়োজন বলে জানান আয়োজক সনাতন বিদ্যার্থী সংসদ।</p>
<p>The post <a href="https://imnews24.com/archives/58177">বরিশালে দোল উৎসবে উচ্ছ্বাস</a> appeared first on <a href="https://imnews24.com">IM News</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://imnews24.com/archives/58177/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>পিস হিসেবে কিনে বাজারে কেজি দরে বিক্রি</title>
		<link>https://imnews24.com/archives/57903</link>
					<comments>https://imnews24.com/archives/57903#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আইএম নিউজ]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 21 Mar 2024 11:03:31 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বরিশাল]]></category>
		<category><![CDATA[বরিশাল বিভাগ]]></category>
		<category><![CDATA[সারাদেশ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://imnews24.com/?p=57903</guid>

					<description><![CDATA[<p>*হাত ঘুরলেই তরমুজের দাম আকাশ ছোঁয়া * বেশির ভাগ তরমুজই অপরিপক্ব মৌসুমি ফল তরমুজ। গরমে যেমন জনপ্রিয় তেমনি রমজানে ইফতারিতেও রসালো ফল তরমুজের বিকল্প ভাবেন না অনেকেই। তবে বরিশালের বাজারে রসালো এই ফল কিনতে গিয়ে ক্রেতারা প্রতিনিয়ত প্রতারিত হচ্ছেন। ক্ষেত ও মোকাম থেকে পিস হিসেবে কেনা হলেও খুরচা হাটবাজারে বিক্রি করা হচ্ছে কেজি দরে। ফলে [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://imnews24.com/archives/57903">পিস হিসেবে কিনে বাজারে কেজি দরে বিক্রি</a> appeared first on <a href="https://imnews24.com">IM News</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><strong>*হাত ঘুরলেই তরমুজের দাম আকাশ ছোঁয়া</strong><br />
<strong>* বেশির ভাগ তরমুজই অপরিপক্ব</strong><br />
মৌসুমি ফল তরমুজ। গরমে যেমন জনপ্রিয় তেমনি রমজানে ইফতারিতেও রসালো ফল তরমুজের বিকল্প ভাবেন না অনেকেই। তবে বরিশালের বাজারে রসালো এই ফল কিনতে গিয়ে ক্রেতারা প্রতিনিয়ত প্রতারিত হচ্ছেন। ক্ষেত ও মোকাম থেকে পিস হিসেবে কেনা হলেও খুরচা হাটবাজারে বিক্রি করা হচ্ছে কেজি দরে। ফলে ফলে পাইকার বাজারের এক থেকে দেড়শত টাকার তরমুজও খুচরা বাজারের ক্রেতাদের কিনতে হচ্ছে দ্বিগুণ দামে।<br />
ক্রেতাদের অভিযোগ বাজারে বর্তমানে যে তরমুজ মিলছে, তার বেশির ভাগ অপরিপক্ব। কাটার পর ভেতরে লাল রং ধারণ করলেও এখনও পুরোপুরি মিষ্টতা আসেনি। এক কথায় দাম অনুযায়ী কাঙ্ক্ষিত ফলের স্বাদও নেওয়া যাচ্ছে না।<br />
বরিশাল নগরের বাংলাবাজার এলাকার বাসিন্দা রিমা আক্তার বলেন, সারাদিন রোজা রেখে ইফতারে রসালো তরমুজের চাহিদা রয়েছে পরিবারের সবার। তাই তরমুজ কিনতে বাজারে এসে দেখি পিস নয়, গত বছরের মতো এবারও তরমুজ কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। এবারে দামও বেশি, যেখানে গতবছর ৫০ টাকা কেজিতে তরমুজ কেনা গেছে, এবার সেখানে ৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজি দাম চাওয়া হচ্ছে।<br />
তবে মোখলেছুর রহমান নামে অপর একজন জানান, অনেক জায়গাতেই তরমুজ ওজনে বিক্রি হয় না, ছোট তরমুজ পিস হিসেবে বিক্রি করে। আর বড় তরমুজের গায়ে দাম লিখে রাখা হয়। আর সেই হিসাব কষলে তরমুজের কেজি ৬০ থেকে ৭০ টাকাও পড়ে যায়।<br />
তিনি বলেন, মোবাইল কোর্টসহ বিভিন্ন অভিযানের কারণে দিন দিন ধান্দাবাজির কৌশল পাল্টাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা, ফলে অভিযানিক দলকেও কৌশল পাল্টানো উচিত।<br />
প্রান্তিক চাষি, পাইকার ও আড়তদাররা জানান, পাইকারি মোকামে কখনই কেজিতে তরমুজ বিক্রি হয় না। তরমুজের মৌসুম কিছুদিন আগে শুরু হয়েছে। তবে রমজান মাসে চাহিদা বেশি থাকায় দাম কিছুটা বাড়তি। বর্তমান বাজারে ছোট আকারের একশ পিস তরমুজ তিন থেকে চার হাজার টাকায় আর সবচেয়ে বড় আকারের (৭-১২ কেজি) একশ’ পিস তরমুজ ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকাতেও বিক্রি হচ্ছে।<br />
পাইকার দর হিসেবে বড় আকারের তরমুজের প্রতি পিসের দাম পড়ছে আড়াইশ থেকে তিনশত টাকা। যা খুচরা বিক্রেতারা নানান কৌশলে ছয় থেকে নয়শ’ টাকায় বিক্রি করছেন।<br />
যদিও খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, তাদের হাতে এসেই তরমুজের পচন শুরু হয়, আবার ক্রেতা কেটে ভেতরে সাদা দেখলেও নিতে চায় না, সেই হিসেবে ভর্তুকিটা তাদেরই বেশি। তাই কেজিতে বিক্রি ছাড়া উপায় থাকে না। যদিও তিন থেকে চার বছর আগে পিস হিসেবেই খুচরা বাজারে তরমুজ বিক্রি করেই লাভবান হতেন ব্যবসায়ীরা।<br />
কৃষি অধিদপ্তরের বরিশাল আঞ্চলিক কার্যালয়ের তথ্যানুয়ায়ী, বর্তমানে দেশে তরমুজ আবাদের প্রধান ক্ষেত্র ভোলা, পটুয়াখালী ও বরগুনা। বিভাগের অন্য তিন জেলা বরিশাল, ঝালকাঠি ও পিরোজপুরে বিচ্ছিন্নভাবে তরমুজ আবাদ হয়। আর তরমুজ কৃষকের মাঠ ও মোকামের আড়তে সর্বত্রই পিস হিসেবেই বিক্রি করছে।<br />
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীর ছোট বাইশদিয়া গ্রামের চাষি জুবাইয়েদুল ইসলাম জানান, এ বছরে তিনি ১৩ কানি জমিতে তরমুজের আবাদ করেছেন। এতে খরচ হয়েছে ৩০ লাখ টাকা। আর এখন পর্যন্ত যে তরমুজ বিক্রি করছেন তা পিস হিসেবে বিক্রি করেছেন। বড় তরমুজগুলোতে ৩০ হাজার টাকা দর পেয়েছেন। অথচ খুচরা বাজারে সেই তরমুজই দ্বিগুণ দামে কিনতে হচ্ছে ক্রেতাদের।<br />
এদিকে ভোলার চাষি কামরুল জানান, এবারে মৌসুমের শুরু থেকেই রমজান মাস থাকায় দর কিছুটা ভালোই পাওয়া যাচ্ছে। তবে আকার যতই বড় হোক না কেন তিনশ’ টাকার ওপর পিস প্রতি দাম উঠে না পাইকার বাজারে। তাহলে সেই তরমুজ ভোক্তা কেন দ্বিগুণ দামে পাঁচ থেকে সাতশ’ টাকায় কিনছেন।<br />
আর চাষিরা আড়তে আনার পর যেখানে পিস হিসেবে তরমুজ বিক্রি হয়, সেখানে খুচরা বিক্রেতারাও পিস হিসেবেই কেনেন বলে জানিয়েছেন বরিশাল ফল আড়তদার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি কার্তিক দত্ত।<br />
তিনি জানান, নগরের পোর্টরোডের মাছের আড়ত থেকে শুরু করে অন্যান্য ফলের আড়তও এখন তরমুজের দখলে। যা মৌসুম জুড়েই থাকবে, এখান থেকে শুধু বরিশালের নয় গোটা দেশে পিস হিসেবে তরমুজ পাঠানো হয়।<br />
কৃষি বিপণন অধিদপ্তর বরিশাল জেলা বিপণন কর্মকর্তা মো. রাসেল খান বলেন, পাইকার বাজারে তরমুজের আমদানির ওপরে প্রতিনিয়ত দাম পরিবর্তন হচ্ছে। বরিশাল নগরে খুচরা বিক্রেতারা নানা কৌশলে কেজিতেই তরমুজ বিক্রি করছেন। তারা আগেই ওজন দিয়ে দাম নির্ধারণ করে রাখেন। তাতে কেজিপ্রতি ৭০ থেকে ৮০ টাকা দাম পড়ছে।<br />
আঞ্চলিক কৃষি অফিসের তথ্য বলছে, বরিশাল অঞ্চলের পটুয়াখালী, বরগুনা, ভোলা ও ঝালকাঠিতে এবার প্রচুর তরমুজ চাষ হয়েছে। চলতি মৌসুমে গোটা বরিশাল বিভাগে ৬১ হাজার ২৫৮ হেক্টর জমিতে তরমুজ আবাদ হয়েছে। গত মৌসুমে আবাদের পরিমাণ ছিল ৬৪ হাজার ১৮৩ হেক্টর। অর্থাৎ গত বছরের চেয়ে এবার দুই হাজার ২৯৫ হেক্টর কম জমিতে তরমুজ আবাদ হয়েছে।</p>
<p>The post <a href="https://imnews24.com/archives/57903">পিস হিসেবে কিনে বাজারে কেজি দরে বিক্রি</a> appeared first on <a href="https://imnews24.com">IM News</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://imnews24.com/archives/57903/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>পাঁচ ব্যবসায়িকে জরিমানা</title>
		<link>https://imnews24.com/archives/57743</link>
					<comments>https://imnews24.com/archives/57743#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আইএম নিউজ]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 19 Mar 2024 09:27:15 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বরিশাল]]></category>
		<category><![CDATA[বরিশাল বিভাগ]]></category>
		<category><![CDATA[সারাদেশ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://imnews24.com/?p=57743</guid>

					<description><![CDATA[<p>দ্রব্যমূল্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে জেলার গৌরনদী উপজেলার বাটাজোর বন্দরে অভিযান চালিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত। মঙ্গলবার (১৯ মার্চ) সকালে অভিযান পরিচালনাকারী গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ আবু আবদুল্লাহ খান জানান, নিয়মিত বাজার মনিটরিংয়ের অংশ হিসেবে বাটাজোর বন্দরে অভিযান চালিয়ে মূল্য তালিকা না থাকা ও বেশি দামে পণ্য বিক্রির অপরাধে পাঁচ ব্যবসায়ির কাছ থেকে ছয় [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://imnews24.com/archives/57743">পাঁচ ব্যবসায়িকে জরিমানা</a> appeared first on <a href="https://imnews24.com">IM News</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>দ্রব্যমূল্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে জেলার গৌরনদী উপজেলার বাটাজোর বন্দরে অভিযান চালিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত। মঙ্গলবার (১৯ মার্চ) সকালে অভিযান পরিচালনাকারী গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ আবু আবদুল্লাহ খান জানান, নিয়মিত বাজার মনিটরিংয়ের অংশ হিসেবে বাটাজোর বন্দরে অভিযান চালিয়ে মূল্য তালিকা না থাকা ও বেশি দামে পণ্য বিক্রির অপরাধে পাঁচ ব্যবসায়ির কাছ থেকে ছয় হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। অভিযানকালে গৌরনদী মডেল থানা পুলিশ উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>The post <a href="https://imnews24.com/archives/57743">পাঁচ ব্যবসায়িকে জরিমানা</a> appeared first on <a href="https://imnews24.com">IM News</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://imnews24.com/archives/57743/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>মুখদিয়ে শিস বাঁজিয়ে বিশ্বের প্রথম রেকর্ড</title>
		<link>https://imnews24.com/archives/55507</link>
					<comments>https://imnews24.com/archives/55507#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আইএম নিউজ]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 15 Feb 2024 11:35:41 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বরিশাল]]></category>
		<category><![CDATA[বরিশাল বিভাগ]]></category>
		<category><![CDATA[সারাদেশ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://imnews24.com/?p=55507</guid>

					<description><![CDATA[<p>৫৭ সেকেন্ডে ৫৪ সেন্টিসেকেন্ডে সবচেয়ে বেশিবার শিসের মাধ্যমে বাংলা গানের বিভিন্ন সুর বাঁজিয়ে বিশ্বে প্রথম রেকর্ড করেছেন বরিশাল বিএম কলেজের প্রাক্তন ছাত্র কুমার কাকন উজ্জ্বল। ইতোমধ্যে তিনি ইন্টারন্যাশনাল বুকস অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম তোলার কৃতিত্ব হিসেবে সনদপত্র হাতে পেয়েছেন। হুইসেল ক্যাটাগরিতে পুরো বিশ্বে কুমার কাকন উজ্জ্বল-ই প্রথম ‘লংগেস্ট টাইম টু হুইসেল’ টাইটেলে রেকর্ডটি অর্জন করেছেন। [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://imnews24.com/archives/55507">মুখদিয়ে শিস বাঁজিয়ে বিশ্বের প্রথম রেকর্ড</a> appeared first on <a href="https://imnews24.com">IM News</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>৫৭ সেকেন্ডে ৫৪ সেন্টিসেকেন্ডে সবচেয়ে বেশিবার শিসের মাধ্যমে বাংলা গানের বিভিন্ন সুর বাঁজিয়ে বিশ্বে প্রথম রেকর্ড করেছেন বরিশাল বিএম কলেজের প্রাক্তন ছাত্র কুমার কাকন উজ্জ্বল। ইতোমধ্যে তিনি ইন্টারন্যাশনাল বুকস অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম তোলার কৃতিত্ব হিসেবে সনদপত্র হাতে পেয়েছেন।<br />
হুইসেল ক্যাটাগরিতে পুরো বিশ্বে কুমার কাকন উজ্জ্বল-ই প্রথম ‘লংগেস্ট টাইম টু হুইসেল’ টাইটেলে রেকর্ডটি অর্জন করেছেন। ঝালকাঠি পৌর এলাকার সিটি পার্ক সড়কের বাসিন্দা ও ঝালকাঠি পৌরসভার কর্মকর্তা উত্তম কুমার রায় ও আইনজীবী শিউলি রানী রায়ের এক ছেলে ও এক মেয়ের মধ্যে কাকন বড়।<br />
ঝালকাঠি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং বরিশাল সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজ থেকে ২০১৮ সালে এইচএসসি পাশ করেন কাকন। ২০২২ সালে ভারত সরকারের অধীনে স্টাডি ইন ইন্ডিয়া (এসআইআই) স্কলারশিপ বিষয়ে ফুল-ফ্রি নিয়ে ব্যাঙ্গালুরের জেইন ইউনিভার্সিটি থেকে বায়োকেমিস্ট্রি জেনেটিক্স এন্ড বায়োটেকনোলজি বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি সম্পন্ন করেছেন কাকন। তিনি ভারতের বেঙ্গালুরে থেকে ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম অন্তর্ভুক্তির জন্য ২০২২ সালে আবেদন করেন।<br />
ইন্টারন্যাশনাল বুকস অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস কর্তৃপক্ষের কাছে ‘লংগেস্ট টাইম টু হুইসেল’ ক্যাটাগরিতে ভিডিও পাঠানোর পর চলতি বছরের ৬ জানুয়ারি তা গৃহীত হয়। পরে বিশ্বরেকর্ড গড়ার স্বীকৃতি পান বাংলাদেশী এ তরুণ।<br />
কাকন বলেন শিস নিয়ে পথচলা শুরু হয় ২০১৮ সালে। যখন দেখছি মানুষ এটাকে খুব ভালোভাবে গ্রহণ করছে, পছন্দ করছে, তখনই এটা নিয়ে স্বপ্নটা বড় হতে থাকে। তখন থেকেই ইচ্ছে ছিল শিসের মাধ্যমে বাংলা গানকে পুরো বিশ্বের কাছে কিভাবে তুলে ধরা যায়। তিনি আরও বলেন, যেহেতু ছোটবেলা থেকেই আমি মিউজিকের সাথে যুক্ত ছিলাম, তাই শিস (হুইসেল) আমার আয়ত্ব করতে খুব একটা কষ্ট করতে হয়নি। শুধু নিয়মিতভাবে প্রাকটিস করেছি। এখন আমি যেকোনো গান শুনে সাথে সাথে সেই গানের শিস বাঁজাতে পারি। কাকন বলেন, সবথেকে বেশি ভালো লাগছে নিজের বাংলা ভাষার গানকে বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরতে পেরে এবং সেই বাংলা গানে শিস বাঁজিয়ে প্রথম বিশ্ব রেকর্ডের স্বীকৃতিপত্র হাতে পেয়ে।<br />
শিস বাঁজিয়ে বিশ্বরেকর্ড গড়ায় বরিশাল বিএম কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মোহাম্মদ গোলাম কিবরিয়া বলেন, শিস বাঁজিয়ে বাংলা গান গোটা বিশ্বের কাছে তুলে ধরার পাশাপাশি বিশ্বরেকর্ড গড়ার স্বীকৃতি অর্জন করায় আমাদের প্রাক্তন ছাত্র কুমার কাকন উজ্জ্বলকে নিয়ে আমরা গর্বিত।</p>
<p>The post <a href="https://imnews24.com/archives/55507">মুখদিয়ে শিস বাঁজিয়ে বিশ্বের প্রথম রেকর্ড</a> appeared first on <a href="https://imnews24.com">IM News</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://imnews24.com/archives/55507/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>বরিশাল আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে শান্তিপূর্ণ ভোট গ্রহণ</title>
		<link>https://imnews24.com/archives/55500</link>
					<comments>https://imnews24.com/archives/55500#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আইএম নিউজ]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 15 Feb 2024 11:31:23 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[বরিশাল]]></category>
		<category><![CDATA[বরিশাল বিভাগ]]></category>
		<category><![CDATA[সারাদেশ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://imnews24.com/?p=55500</guid>

					<description><![CDATA[<p>শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমূখর পরিবেশের মধ্যদিয়ে ঐতিহ্যবাহী বরিশাল আইনজীবী সমিতির নির্বাচনের ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রæয়ারী) সকাল নয়টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে চলে বিকেল চারটা পর্যন্ত। এবারের নির্বাচনে বরিশাল আইনজীবী সমিতির ১১ পদের বিপরীতে আওয়ামী লীগ সমর্থিত সাদা প্যানেল ও বিএনপি সমর্থিত নিল প্যানেল থেকে ২২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন। বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://imnews24.com/archives/55500">বরিশাল আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে শান্তিপূর্ণ ভোট গ্রহণ</a> appeared first on <a href="https://imnews24.com">IM News</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমূখর পরিবেশের মধ্যদিয়ে ঐতিহ্যবাহী বরিশাল আইনজীবী সমিতির নির্বাচনের ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রæয়ারী) সকাল নয়টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে চলে বিকেল চারটা পর্যন্ত। এবারের নির্বাচনে বরিশাল আইনজীবী সমিতির ১১ পদের বিপরীতে আওয়ামী লীগ সমর্থিত সাদা প্যানেল ও বিএনপি সমর্থিত নিল প্যানেল থেকে ২২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন।<br />
বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ সমর্থিত সাদা প্যানেল থেকে সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন অ্যাডভোকেট মোঃ গোলাম কবির বাদল, সাধারণ সম্পাদক পদে অ্যাডভোকেট খান মোঃ মোর্শেদ, সহ-সভাপতি পদে অসিত রঞ্জন দাস, আমিরুল ইসলাম খান মঞ্জু, অর্থ সম্পাদক পদে মোঃ মিজানুর রহমান টিটু, যুগ্ম সম্পাদক পদে প্রদিপ কুমার রায় উজ্জল ও ইমতিয়াজ আহমেদ, সদস্য পদে সজল মাহমুদ, মিলন ভূইয়া, সোহেল রানা শান্ত ও নুপুর রানি ভদ্র।<br />
বিএনপি সমর্থিত নিল প্যানেলের সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন অ্যাডভোকেট সাদেকুর রহমান লিঙ্কন, সাধারণ সম্পাদক পদে অ্যাডভোকেট মির্জা মোঃ রিয়াজ হোসেন, সহ-সভাপতি অসিম কুমার বাড়ৈ ও মোঃ তরিকুল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক পদে ফরিদ উদ্দিন, যুগ্ম সম্পাদক পদে মনির হোসেন ও রাকিব হাসান, সদস্য পদে রিয়াজুল হক, মাইনুল ইসলাম সজল, আবুল খায়ের রতন ও ফাহাদ বিন আহসান।<br />
আইনজীবী সমিতির এবারের নির্বাচনে একমাত্র হেভিওয়েটের ভোটার অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমাউন ও গোলাম আব্বাস চৌধুরী আলাল ছাড়া অন্য কাউকে দেখা যায়নি। ভোট দিতে আসেননি পাট ও বস্ত্র মন্ত্রী অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক, কেন্দ্রীয় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ার, মোয়াজ্জেম হোসেন আলালসহ অন্যান্য সদস্যরা।<br />
নির্বাচন কমিশনের আহবায়ক অ্যাডভোকেট লস্কর নুরুল হক জানান, নির্বাচনে ৯৬৫ জন আইনজীবী ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। সকাল নয়টা থেকে শুরু করে একটানা ভোটগ্রহন চলবে দুপুর একটা পর্যন্ত। এরপর দুপুরের মধ্যাহ্নভোজের বিরতীর পর পুনরায় দেড়টা থেকে পুনরায় ভোটগ্রহন শুরু হয়ে চলে বিকেল চারটা পর্যন্ত।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>The post <a href="https://imnews24.com/archives/55500">বরিশাল আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে শান্তিপূর্ণ ভোট গ্রহণ</a> appeared first on <a href="https://imnews24.com">IM News</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://imnews24.com/archives/55500/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
