<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>মতামত Archives - IM News</title>
	<atom:link href="https://imnews24.com/%e0%a6%ae%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%a4/feed" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://imnews24.com/মতামত</link>
	<description>Popular Bangla News Portal</description>
	<lastBuildDate>Wed, 07 Jun 2023 06:54:51 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=7.0</generator>

<image>
	<url>https://imnews24.com/wp-content/uploads/2023/03/cropped-logo-32x32.jpg</url>
	<title>মতামত Archives - IM News</title>
	<link>https://imnews24.com/মতামত</link>
	<width>32</width>
	<height>32</height>
</image> 
	<item>
		<title>শিশু রিফাতের কাছে জাতীয় মাছ কেন পাঙাশ?</title>
		<link>https://imnews24.com/archives/33109</link>
					<comments>https://imnews24.com/archives/33109#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আইএম নিউজ]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 07 Jun 2023 06:54:51 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[মতামত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://imnews24.com/?p=33109</guid>

					<description><![CDATA[<p>গ্রামের নিতান্ত সাধারণ শিশু রিফাতের সরলতায় অনেকেই মুগ্ধ হয়েছেন, কারও চোখে পানি এসেছে! দেশের সাড়ে সাত লাখ কোটি টাকার বাজেটে তার মতো মাদ্রাসাপড়ুয়া প্রায় ১৪ লাখ কওমি, হাফেজি, নুরানি ইত্যাদি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য মোট বরাদ্দকৃত অর্থ শূন্য টাকা। কওমি শিক্ষার উচ্চ স্তরের ‘নামমাত্র’ স্বীকৃতি সেখানে রাজনীতির উপস্থিতিকে জানান দিলেও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনার দিক থেকে বিষয়টি লাখ লাখ [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://imnews24.com/archives/33109">শিশু রিফাতের কাছে জাতীয় মাছ কেন পাঙাশ?</a> appeared first on <a href="https://imnews24.com">IM News</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div id="eb5bd95b-ab10-4cf9-a024-cc13764f1210">
<div class="storyCard eyOoS">
<div class="   
                  story-element"></p>
<div class="story-element story-element-text">
<div>
<p>গ্রামের নিতান্ত সাধারণ শিশু রিফাতের সরলতায় অনেকেই মুগ্ধ হয়েছেন, কারও চোখে পানি এসেছে! দেশের সাড়ে সাত লাখ কোটি টাকার বাজেটে তার মতো মাদ্রাসাপড়ুয়া প্রায় ১৪ লাখ কওমি, হাফেজি, নুরানি ইত্যাদি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য মোট বরাদ্দকৃত অর্থ শূন্য টাকা। কওমি শিক্ষার উচ্চ স্তরের ‘নামমাত্র’ স্বীকৃতি সেখানে রাজনীতির উপস্থিতিকে জানান দিলেও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনার দিক থেকে বিষয়টি লাখ লাখ শিশুর ভাগ্য নির্ধারণে সরকার ও রাষ্ট্রের অনুপস্থিতিকেও নির্দেশ করে।</p>
<p>ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে শিশু রিফাতকে ক্লাসে শিক্ষক প্রশ্ন করছেন, আমাদের জাতীয় মাছ কী? রিফাত আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে চিৎকার করে উত্তর দিচ্ছে, জাতীয় মাছ পাঙাশ! ছোট্ট হয়েও শিশুটি সবচেয়ে যৌক্তিক উত্তরই দিয়েছে। দেশের ধনবৈষম্য আমাদের গরিবদের এমন প্রান্তিক অবস্থানে ঠেলে দিয়েছে, যাদের কাছে ইলিশ, গরু, মুরগিসহ প্রাণিজ প্রোটিন আজ সোনার হরিণ অর্থাৎ ‘ফার বিয়োন্ড লাক্সারি’। রিফাতদের আমিষের একমাত্র উৎস পাঙাশই, ফলে তাঁর চোখে যৌক্তিকভাবেই পাঙাশ জাতীয় মাছ হওয়ার দাবিদার!</p>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div id="cff64e37-817b-491d-a6d3-b312ca97ae45">
<div class="storyCard eyOoS">
<div class="   
                  story-element"></p>
<div class="story-element story-element-text">
<div>
<p>জাতিসংঘের চরম দারিদ্র্য ও মানবাধিকারবিষয়ক স্পেশাল র‌্যাপোর্টিয়ার অলিভিয়ার ডি শুটার বলেছেন, ‘বাংলাদেশে দারিদ্র্য বিমোচনে সাফল্যের সূচকগুলো সমাজের পুরো চিত্রকে তুলে ধরছে না। এখানে আয়বৈষম্য বাড়ছে। সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে নতুন দরিদ্র।</p>
<p>সামাজিক নিরাপত্তা খাতের বাজেটের একটা বড় অংশ সরকারি কর্মচারীদের পেনশনে ব্যয় করা হয়। সাম্প্রতিক বছরগুলোয় চরম দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে আসা অনেক মানুষ এখন দারিদ্র্যসীমার সামান্য ওপরে উঠেছে। হঠাৎ কোনো বিপদ এলে সেটা মোকাবিলা করার মতো অবস্থা তাদের নেই। অনেক পরিবার, দারিদ্র্যসীমার ঠিক ওপরে উঠে এলেও তাদের টিকে থাকার সামর্থ্য নেই। তাদের অর্থ সঞ্চয় করা বা পুঁজি জমানোর সক্ষমতা নেই। ধাক্কা সামলানোর মতো কোনো সম্পদ তাদের নেই। তাদের আমিষ কেনার সামর্থ্য নেই। ফলে, দারিদ্র্য বিমোচনে বাংলাদেশের অগ্রগতি ভঙ্গুর।’ মি. শুটার মনে করেন, স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উঠে আসার ধাক্কা সামলাতে বাংলাদেশের উন্নয়নের মডেল পরিবর্তন করা উচিত। (বিবিসি বাংলা, ৩০ মে ২০২৩)।</p>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<p>The post <a href="https://imnews24.com/archives/33109">শিশু রিফাতের কাছে জাতীয় মাছ কেন পাঙাশ?</a> appeared first on <a href="https://imnews24.com">IM News</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://imnews24.com/archives/33109/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>`তোর চাকরি হইলে বাগানের কাজ ছেড়ে দেব&#8217;</title>
		<link>https://imnews24.com/archives/1764</link>
					<comments>https://imnews24.com/archives/1764#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আইএম নিউজ]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 17 Aug 2022 14:25:27 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[মতামত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://imnews24.com/?p=1764</guid>

					<description><![CDATA[<p>মৌলভীবাজার জেলার শমসেরনগরে ফাঁড়ি কানিহাটি চা-বাগানের এক চা শ্রমিক পরিবারের ছেলে আমি। জন্মের ছয় মাসের মাথায় বাবাকে হারিয়েছি। মা চা-বাগানের শ্রমিক। তখন মজুরি পেতেন দৈনিক ১৮ টাকা। সেই সময় আমাকে পটের দুধ খাইয়ে, অন্যের বাসায় রেখে মা যেতেন বাগানে কাজ করতে। ২০০৭ সালে আমি ক্লাস ফাইভে পড়ি। মায়ের মজুরি তখন ৮৮ টাকা। এক দিন বললেন, [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://imnews24.com/archives/1764">`তোর চাকরি হইলে বাগানের কাজ ছেড়ে দেব&#8217;</a> appeared first on <a href="https://imnews24.com">IM News</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div class="" dir="auto">
<div class="" dir="auto">
<div class="ecm0bbzt hv4rvrfc ihqw7lf3 dati1w0a" data-ad-comet-preview="message" data-ad-preview="message">
<div class="j83agx80 cbu4d94t ew0dbk1b irj2b8pg">
<div class="qzhwtbm6 knvmm38d">
<div class="kvgmc6g5 cxmmr5t8 oygrvhab hcukyx3x c1et5uql ii04i59q">
<div dir="auto"><strong>মৌ</strong>লভীবাজার জেলার শমসেরনগরে ফাঁড়ি কানিহাটি চা-বাগানের এক চা শ্রমিক পরিবারের ছেলে আমি। জন্মের ছয় মাসের মাথায় বাবাকে হারিয়েছি। মা চা-বাগানের শ্রমিক। তখন মজুরি পেতেন দৈনিক ১৮ টাকা।</div>
</div>
<div class="cxmmr5t8 oygrvhab hcukyx3x c1et5uql o9v6fnle ii04i59q">
<div dir="auto">সেই সময় আমাকে পটের দুধ খাইয়ে, অন্যের বাসায় রেখে মা যেতেন বাগানে কাজ করতে।</div>
</div>
<div class="cxmmr5t8 oygrvhab hcukyx3x c1et5uql o9v6fnle ii04i59q">
<div dir="auto">২০০৭ সালে আমি ক্লাস ফাইভে পড়ি। মায়ের মজুরি তখন ৮৮ টাকা। এক দিন বললেন, ‘বাজারে গিয়ে পাঁচ কেজি চাল নিয়ে আয়।’ সেই চাল দিয়ে এক মাস চলেছে আমাদের। পরদিন সকালে স্কুলে যাওয়ার আগে দেখি মা চাল ভাজলেন। পলিথিনে সেই ভাজা চাল, আটার রুটি আর লাল চা একটা বোতলে ভরে গামছায় প্যাঁচালেন। আর আমাকে আটার রুটি ও লাল চা দিলেন। দুপুরে খেতে গিয়ে দেখি শুধু পেঁয়াজ, শুকনা ভাত, তেল আর লবণ আছে। তা দিয়ে মেখে খেলাম। রাতেও কোনো তরকারি ছিল না। তখন পাশের বাসার কাকু আমাকে ডেকে কুমড়া আর আলু দিয়েছিলেন, যা দিয়ে আমরা দুইটা দিন পার করেছিলাম। তখন কুপি বাতির আলোয় পড়তাম। মা আগেই রেডি করে দিতেন বাতি। তেল শেষ হয়ে গেলে আর পড়া হতো না। দোকানদার বাকিতে তেল দিতেন না।</div>
</div>
<div class="cxmmr5t8 oygrvhab hcukyx3x c1et5uql o9v6fnle ii04i59q">
<div dir="auto">পঞ্চম শ্রেণির পর ভর্তি পরীক্ষায় পাস করে ক্যামেলিয়া ডানকান ফাউন্ডেশন স্কুলে পাঁচ বছরের জন্য ফ্রি পড়ালেখার সুযোগ পাই। মা অনেক খুশি হয়েছিলেন। তখন তাঁর সামান্য আয়ের একটা অংশ থেকে আমাকে টিফিন খাওয়ার জন্য প্রতি সপ্তাহে ৭০-৮০ টাকা দিতেন।</div>
</div>
<div class="cxmmr5t8 oygrvhab hcukyx3x c1et5uql o9v6fnle ii04i59q">
<div dir="auto">২০১৩ সালে বিএএফ শাহীন কলেজে ভর্তি হই। তখন মা ১০২ টাকা করে পেতেন। এই সময়ে তিনি গ্রামীণ ব্যাংক থেকে কিস্তি তুলে আমার ভর্তির টাকা, ইউনিফর্ম আর বই-খাতা কিনে দিয়েছিলেন।</div>
</div>
<div class="cxmmr5t8 oygrvhab hcukyx3x c1et5uql o9v6fnle ii04i59q">
<div dir="auto">২০১৪ ডিসেম্বর। মায়ের হাতে টাকা নেই। তখন এইচএসসির রেজিস্ট্রেশন চলছিল। মা ৫০ টাকার একটা নোট দিয়ে চোখের জল ফেলতে ফেলতে বলেছিলেন, ‘কেউ ধার দেয়নি রে বাপ।’ কলেজের এক শিক্ষকের কাছ থেকে ধার নিয়ে সেবার রেজিস্ট্রেশন ফি দিয়েছিলাম।</div>
</div>
<div class="cxmmr5t8 oygrvhab hcukyx3x c1et5uql o9v6fnle ii04i59q">
<div dir="auto">এইচএসসির পর ভর্তি পরীক্ষার কোচিং। মা তখন আবার লোন নিলেন গ্রামীণ ব্যাংক থেকে। লোনের কিস্তির জন্য এই সময় মা বাড়ি থেকে অনেক দূরে গিয়ে বালু শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। বিনিময়ে পেতেন ৩০০ টাকা। আমি জানতাম ঘরে চাল নেই। শুধু আলু খেয়েই অনেক বেলা কাটিয়েছিলেন মা।</div>
</div>
<div class="cxmmr5t8 oygrvhab hcukyx3x c1et5uql o9v6fnle ii04i59q">
<div dir="auto">এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পেলাম। মা তখন কী যে খুশি হয়েছিলেন! কিন্তু ভর্তির সময় যত ঘনিয়ে আসছিল, মায়ের মুখটা তত মলিন দেখাচ্ছিল। কারণ চা-বাগানে কাজ করে যা পান তা দিয়ে তো সংসারই চলে না। ভর্তির টাকা দেবেন কোথা থেকে। পরে এলাকার লোকজন চাঁদা তুলে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিতে সহায়তা করল। বিশ্ববিদ্যালয়ে টিউশনি করেই চলতাম। হলের ক্যান্টিনে ২০ টাকার সবজি-ভাত খেয়েই দিন পার করেছি। অনেক দিন সকালে টাকার অভাবে নাশতাও করতে পারিনি। দুর্গাপূজায় কখনো একটা নতুন জামা কিনতে পারিনি।</div>
</div>
<div class="cxmmr5t8 oygrvhab hcukyx3x c1et5uql o9v6fnle ii04i59q">
<div dir="auto">২০১৮ সালে শ্রেষ্ঠ মা হিসেবে উপজেলায় মাকে সম্মাননা দেওয়া হবে বলে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে জানানো হয়। পরে মায়ের নামটা কেটে দেওয়া হয়েছিল। খোঁজ নিয়ে জেনেছি, মা আমার চা শ্রমিক। স্টেজে উঠে নাকি কিছু বলতে পারবেন না। তাই নাম কেটে দিয়েছে! মা এখনো প্রতিদিন সকালে একটা বোতলে লবণ, চা-পাতা ভর্তা, আটার রুটি, সামান্য ভাত পলিথিনে ভরে নিজের পাতি তোলার গামছায় মুড়িয়ে নিয়ে দৌড়ান চা-বাগানে। আট ঘণ্টা পরিশ্রম করে মাত্র ১২০ টাকা মজুরি পান! এই মজুরিতে কিভাবে চলে একজন শ্রমিকের সংসার? আজকাল মায়ের শরীর আর আগের মতো সায় দেয় না। বলেন, ‘তোর চাকরি হইলে বাগানের কাজ ছেড়ে দেব। আমি এখন সেই দিনের প্রতীক্ষায় আছি।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="cxmmr5t8 oygrvhab hcukyx3x c1et5uql o9v6fnle ii04i59q">
<div dir="auto">&#8211; সন্তোষ রবিদাস অঞ্জন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<p>The post <a href="https://imnews24.com/archives/1764">`তোর চাকরি হইলে বাগানের কাজ ছেড়ে দেব&#8217;</a> appeared first on <a href="https://imnews24.com">IM News</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://imnews24.com/archives/1764/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>প্রতিটি বাঙ্গালীর হৃদয়ে বেঁঁচে আছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান</title>
		<link>https://imnews24.com/archives/1409</link>
					<comments>https://imnews24.com/archives/1409#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আইএম নিউজ]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 14 Aug 2022 16:01:12 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[মতামত]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://imnews24.com/?p=1409</guid>

					<description><![CDATA[<p>মোঃ মাহমুদ হোসেন রিপন:: একটি জাতিকে নেতা শূণ্য করার জন্য, একটি জাতিকে তার ইতিহাস ভুলিয়ে দেওয়ার জন্য একটি জাতিকে বীরত্ব গাথা মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিকে মুছে দেওয়ার নিমিত্তে যে দেশি বিদেশী ষড়যন্ত্র হয়েছিল, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট নারকীয় হত্যাকান্ড তারই প্রকাশ পায়। বেশ কিছু বিপদগামী সেনা সদস্য সপরিবারে জাতির পিতাকে হত্যা করে এদেশের পরাজিত শক্তিকে পূণনূত্থানের যে [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://imnews24.com/archives/1409">প্রতিটি বাঙ্গালীর হৃদয়ে বেঁঁচে আছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান</a> appeared first on <a href="https://imnews24.com">IM News</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p><span class="tojvnm2t a6sixzi8 abs2jz4q a8s20v7p t1p8iaqh k5wvi7nf q3lfd5jv pk4s997a bipmatt0 cebpdrjk qowsmv63 owwhemhu dp1hu0rb dhp61c6y iyyx5f41"><strong>মোঃ মাহমুদ হোসেন রিপন::</strong> একটি জাতিকে নেতা শূণ্য করার জন্য, একটি জাতিকে তার ইতিহাস ভুলিয়ে দেওয়ার জন্য একটি জাতিকে বীরত্ব গাথা মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিকে মুছে দেওয়ার নিমিত্তে যে দেশি বিদেশী ষড়যন্ত্র হয়েছিল, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট নারকীয় হত্যাকান্ড তারই প্রকাশ পায়। বেশ কিছু বিপদগামী সেনা সদস্য সপরিবারে জাতির পিতাকে হত্যা করে এদেশের পরাজিত শক্তিকে পূণনূত্থানের যে স্বপ্ন দেখেছিল তা এই জাতি পূরণ করতে দেয়নি। সেদিনের সেই হত্যাকান্ড ছিল জাতির ইতিহাসে এক বড় কলংক। দেশের স্থপিত ও নির্বাচিত রাষ্ট্র প্রধানকে তার পরিবারের সদস্যসহ এমন ভয়াবহভাবে হত্যার ঘটনা পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল। একটি স্বাধীন, সার্বভৌম রাষ্ট্রকে ব্যর্থ রাষ্ট্র হিসাবে পৃথিবীর সবার কাছে পরিচয় করিয়ে দেয়ার জন্যই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করা হয়। জাতির পিতার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে একটি দেশ যখন ক্রমাগত সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিলো, অর্থনৈতিক মুক্তি এবং সমৃদ্ধ দেশ গড়ার জন্য, ঠিক তখনই সা¤্রজ্যবাদের মদদদাতারা বাঙ্গালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে র্নিমম, নৃশংসভাবে হত্যা করে। মানুষ প্রিয়জন হারালে যেভাবে শোকে পাথর হয়ে যায়, তেমনি জাতির পিতাকে হারিয়ে এদেশের মানুষ শোকে পাথর হয়ে গিয়ে ছিলো। দেশ থমকে গিয়েছিলো। বাংলার মাটিতে যত মহা পুরুষের জন্ম হয়েছে , জাতির পিতা ছিলেন তাদের মধ্যে অগ্রগণ্য। তিনি বাঙ্গালি জাতির জনক। স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি। তার দুরদর্শী ও জোরালো নেতৃত্বে একটি পরাধীন জাতি স্বাধীন জাতি হিসাবে বিশ্বের বুকে পরিচিতি লাভ করে। তিনি নির্মাণ করেন একটি স্বাধীন, স্বার্বভৌম, আদর্শ একটি রাষ্ট্র, একটি বাংলাদেশ। হে জাতির পিতা, শোকের এই দিনে বিন¤্র শ্রদ্ধা এবং ভালবাসায় তোমায় স্মরণ করছি। তোমার স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তোলার সাধনা করে যাচ্ছি। সত্যিই, আজকের এই দিনে শোককে শক্তিতে রূপান্তর করে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তোলার জন্য আমাদেরকে শপথ নিতে হবে।</span></p>
<p><strong><em>-লেখক :চেয়ারম্যান, ৫ নং শৌলজালিয়া ইউনিয়ন পরিষদ,কাঠালিয়া, ঝালকাঠি।</em></strong></p>
<p>The post <a href="https://imnews24.com/archives/1409">প্রতিটি বাঙ্গালীর হৃদয়ে বেঁঁচে আছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান</a> appeared first on <a href="https://imnews24.com">IM News</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://imnews24.com/archives/1409/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>মোটরসাইকেলে সব নিষেধাজ্ঞা কেন?</title>
		<link>https://imnews24.com/archives/829</link>
					<comments>https://imnews24.com/archives/829#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[আইএম নিউজ]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 09 Aug 2022 04:34:26 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[মতামত]]></category>
		<category><![CDATA[মোটরসাইকেলে সব নিষেধাজ্ঞা কেন?]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://imnews24.com/?p=829</guid>

					<description><![CDATA[<p>মোটরসাইকেল জনপ্রিয় বাহন এই বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। তা নিয়ে আলোচনা বা সমালোচনা লেগেই আছে। ঈদুল আজহায় দেশের মহাসড়কে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য মোটরসাইকেলের চলাচল সীমিত করা হয়েছিল, এছাড়াও পদ্মা সেতু ও এর এক্সপ্রেসওয়েতে মোটরসাইকেলের চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। অনেক দেশেই এক্সপ্রেসওয়ে রোডে মোটরসাইকেলের চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়েছে সড়ক নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে যেমন পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়া, [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://imnews24.com/archives/829">মোটরসাইকেলে সব নিষেধাজ্ঞা কেন?</a> appeared first on <a href="https://imnews24.com">IM News</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>মোটরসাইকেল জনপ্রিয় বাহন এই বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। তা নিয়ে আলোচনা বা সমালোচনা লেগেই আছে। ঈদুল আজহায় দেশের মহাসড়কে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য মোটরসাইকেলের চলাচল সীমিত করা হয়েছিল, এছাড়াও পদ্মা সেতু ও এর এক্সপ্রেসওয়েতে মোটরসাইকেলের চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়েছিল।</p>
<p>অনেক দেশেই এক্সপ্রেসওয়ে রোডে মোটরসাইকেলের চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়েছে সড়ক নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে যেমন পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়া, সাউথ কোরিয়া, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, ভেনিজুয়েলা ইত্যাদি দেশে সব ধরনের এক্সপ্রেস রোডে মোটরসাইকেলের চলাচল নিষিদ্ধ, চায়নাতে ৭০ কিমি/ঘণ্টা-এর কমে এক্সপ্রেস রোডে মোটরসাইকেল চলাচল নিষিদ্ধ, তাইওয়ানে এক্সপ্রেস রোডে ৫৫০ সিসি-এর কম ক্ষমতাসম্পন্ন মোটরসাইকেল চলাচল নিষিদ্ধ।</p>
<p>আমরা যদি একইভাবে মোটরসাইকেলকে নিয়ন্ত্রণ করতে চাই তাহলে এটা হবে পুলিশের জন্য আরেকটি বড় মাথা ব্যথার কারণ আর এই সুযোগে অনেক অব্যবস্থাপনা বা হয়রানির ঘটনাও ঘটতে পারে।</p>
<p>আমাদের মনে রাখতে হবে যে, যেসব দেশ এক্সপ্রেস রোডে মোটরসাইকেলের চলাচল নিষিদ্ধ করেছে তাদের কিন্তু রাস্তার পরিমাণ অনেক এবং বিকল্প রাস্তা ও বিকল্প পরিবহন ব্যবস্থা এতটাই উন্নত যে তারা চাইলেই সহজেই এই ধরনের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে পারে।</p>
<p>আমাদের দেশে যেহেতু সড়কের পরিমাণ একদিকে কম অন্যদিকে বিকল্প পরিবহন ব্যবস্থা নেই বললেই চলে, সেহেতু মোটরসাইকেলের উপর দীর্ঘমেয়াদি নিষেধাজ্ঞা জনজীবনে বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে।</p>
<p>মনে রাখতে হবে, একটি ওষুধ রোগীর জন্য যতই প্রয়োজনীয় হোক না কেন যদি এর পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া বেশি হয় তাহলে একজন অভিজ্ঞ ডাক্তার ঐ ওষুধ প্রয়োগের আগে কিছুদিন সময় নিয়ে আগে রোগীকে স্থিতিশীল করেন।</p>
<p>মোটরসাইকেল অবশ্যই ঝুঁকিপূর্ণ একটি বাহন বলে প্রমাণিত কিন্তু আমরা দুই দিনের সিদ্ধান্তে একে মহাসড়কে চলাচল দীর্ঘমেয়াদে নিষিদ্ধ করতে গেলে তা হিতে বিপরীত হবে এবং সব চাপ এসে পড়বে প্রশাসন বা পুলিশের ওপর।</p>
<p>উদাহরণস্বরূপ নসিমন, করিমন, থ্রি হুইলারকে মহাসড়কে নিষিদ্ধ করা হয়েছে কিন্তু এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে গিয়ে আমরা পুরো চাপ দিয়ে দিলাম পুলিশের কাঁধে।</p>
<p>এই সিদ্ধান্ত টেকসইভাবে বাস্তবায়নের জন্য আমাদের প্রয়োজন ছিল সার্ভিস রোডের এবং স্বল্প দূরত্বে চলাচলের জন্য ছোট কোস্টার বাস বা পিক-আপের। কিন্তু এসব প্রস্তুতি ছাড়াই যখন আমরা এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে গেলাম দেখা গেল পুলিশ যখন এদের আটক করে তখন জনগণ থেকে শুরু করে অনেক রাজনৈতিক চাপ এসে পড়ে তাদের ওপর।</p>
<p>এখন আমরা যদি একইভাবে মোটরসাইকেলকে নিয়ন্ত্রণ করতে চাই তাহলে এটা হবে পুলিশের জন্য আরেকটি বড় মাথা ব্যথার কারণ আর এই সুযোগে অনেক অব্যবস্থাপনা বা হয়রানির ঘটনাও ঘটতে পারে।</p>
<p>মনে রাখতে হবে, মানুষের আচরণ পরিবর্তন হুট করে হয় না, সময় দিতে হয় এবং এর জন্য কৌশলী হতে হয়। বনের রাজা সিংহকে আপনি-আমি ভয় পেয়ে খাঁচায় রেখে নিরাপদ দূরত্ব থেকে দেখি সেই সিংহকেই কিন্তু কেউ না কেউ পোষ মানায়, প্রশিক্ষণ দিয়ে খেলা দেখায়।</p>
<p>যিনি এই সিংহকে দিয়ে আজ সার্কাসে খেলা দেখাচ্ছেন তিনি কিন্তু এই কাজ দুই দিনেই করার চেষ্টা করেননি, বরং তিনি ধীরে ধীরে সিংহের আচরণ পরিবর্তন করেছেন।</p>
<p>যে প্রাণীর ভাষা আমরা জানি না, যে প্রাণী আদতে হিংস্র, যে কি না থাকে বনের মধ্যে, তাকে নিয়ন্ত্রণ করার কৌশল যখন আমাদের জানা, তখন যারা মোটরসাইকেল চালিয়ে আমাদের যানজট এড়িয়ে নির্দিষ্ট সময়ে পৌঁছে দিচ্ছেন, তারা আমার পাশেই থাকেন, যার ভাষা আমরা জানি, যিনি ২০২২ সালের রোজার ঈদে আমাদের বাসের বাড়তি ভাড়া দেওয়া থেকে রক্ষা করলেন তাকে কি আমরা তার ভালোর জন্য, তার নিরাপত্তার জন্য কিছুটা নিয়ন্ত্রণ করতে পারব না?</p>
<p>অবশ্যই পারব, আর এজন্য আমাদের প্রয়োজন হবে মোটরসাইকেল আরোহীদের নিরাপদ করা এবং একই সাথে তাদের নিয়ন্ত্রণ করার জন্য কিছু মধ্যপন্থা ব্যবহার করা।</p>
<p>ঝুঁকিপূর্ণ মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ করতে হলে এবং এর আরোহীদের নিরাপদ করতে হলে কী কী কারণে সাধারণত দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি ঘটে তা জানা দরকার।</p>
<p>দুর্ঘটনার তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ করে দুর্ঘটনা রিসার্চ ইন্সটিটিউট বেশ কয়েকটি কারণ চিহ্নিত করেছে। যেমন হেলমেট ব্যবহার না করা বা মানসম্মত হেলমেট ব্যবহার না করা, গতিসীমার চাইতে বেশি গতিতে চালানো, নেশা বা অ্যালকোহলের প্রভাব, চালকের বয়স ও অভিজ্ঞতার ঘাটতি, বেপরোয়া বা এলোমেলোভাবে চালানো, ভুলভাবে ব্রেক প্রয়োগ করা ইত্যাদি।</p>
<p>শুধুমাত্র চালকের কারণেই যে দুর্ঘটনা ঘটে তা কিন্তু নয়, অনেক সময় রাস্তার কারণেও মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা ঘটে যেমন, একই রাস্তায় বিভিন্ন ধরনের ও বিভিন্ন গতির যান চলাচল, রাস্তার খারাপ অবস্থা, রাস্তার নির্মাণ ত্রুটি, রাস্তার পার্শ্ববর্তী পরিবেশ, আচমকা ঘটে যাওয়া কোনো ঘটনা ইত্যাদি।</p>
<p>আমরা একদিকে যেমন মোটরসাইকেলের সংখ্যাকে নিয়ন্ত্রণ করব অন্যদিকে এর আরোহীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার শর্তে সড়ক মহাসড়কে চলতেও দিব। এক্ষেত্রে যেসব কারণে দুর্ঘটনা ঘটে সেইসব কারণকে আমরা সিস্টেম থেকে তুলে দেওয়ার চেষ্টা করতে পারি।</p>
<p>যেমন হেলমেটের স্ট্যান্ডার্ড নির্ধারণ করে কঠোরভাবে সেই মানসম্মত হেলমেট ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে, মহাসড়কে মোটরসাইকেলের জন্য আলাদা গতিসীমা দেওয়া যেতে পারে এবং কেউ যদি তা অমান্য করে তাহলে সর্বোচ্চ ফাইন ও ঐ চালকের লাইসেন্স সাময়িক স্থগিত বা ঐ মোটরসাইকেলের মহাসড়কে চলাচল সাময়িক নিষিদ্ধ করা যেতে পারে।</p>
<p>মহাসড়কে চলাচলের জন্য ন্যূনতম বয়সসীমা দেওয়া যেতে পারে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক প্রকাশিত ‘Powered Two-Three Wheeler Safety-A Road Safety Manual for Decision Maker and Practitioners’ অনুসারে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশে ১৫ থেকে ৩৫ বছরের মানুষের মোটরসাইকেলের মৃত্যুহার বেশি যেখানে উন্নত দেশে তা গড়ে ৫৫ বছর।</p>
<p>এই বিশ্লেষণ বিবেচনায় একটি নিরাপদ বয়সসীমা আমরা নির্ধারণ করতে পারি মহাসড়কে মোটরসাইকেল চালানোর অনুমতি প্রদানের ক্ষেত্রে, এছাড়াও অন্যান্য সড়কে একজন যাত্রী নিয়ে চলাচল করতে পারলেও মহাসড়কে চালক ব্যতীত অন্য কোনো যাত্রী পরিবহনে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া যেতে পারে, মোটরসাইকেলের ইঞ্জিনের সিসি নির্ধারণ করা যেতে পারে।</p>
<p>শুধুমাত্র চালকের কারণেই যে দুর্ঘটনা ঘটে তা কিন্তু নয়, অনেক সময় রাস্তার কারণেও মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা ঘটে যেমন, একই রাস্তায় বিভিন্ন ধরনের ও বিভিন্ন গতির যান চলাচল&#8230;</p>
<p>পৃথিবীর অনেক দেশেই মহাসড়কে চলাচলের জন্য একটা নির্দিষ্ট সিসি সীমা রয়েছে, এক্ষেত্রে ন্যূনতম ১৫০ সিসি মোটরসাইকেল মহাসড়কে চলাচলে অনুমতি দেওয়া যেতে পারে, মহাসড়কে চলাচলের জন্য ব্যক্তিগত নিরাপত্তা উপকরণ যেমন নি গার্ড, রেট্র-রিফ্লেক্টিভ ভেস্ট ইত্যাদি বাধ্যতামূলক করা যেতে পারে।</p>
<p>এর পাশাপাশি সড়কে যেন কোনো প্রকার গর্ত, পিচ্ছিল উপকরণ, দৃষ্টি প্রতিবন্ধকতা, ভাঙাচোরা ইত্যাদি না থাকে তা নিশ্চিত করতে হবে এবং পর্যাপ্ত সাইন ও মার্ক থাকতে হবে।</p>
<p>যেসব কোম্পানি রাইড শেয়ারিং করছে তারা যেন বাধ্যতামূলক তাদের চালককে সড়ক নিরাপত্তার প্রশিক্ষণ প্রদান করে তা নিশ্চিত করতে হবে। এভাবে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে আমরা একদিকে যেমন মোটরসাইকেলের চলাচল সীমাবদ্ধ করতে পারব তেমনিভাবে এর ব্যবহারকারীদের নিরাপদ রাখতে পারব।</p>
<p>বর্তমানে একটি মিনিবাস (নাগরিক যোগাযোগ ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ বাহন)-এর বিপরীতে মোটরসাইকেল আছে প্রায় ১৩৫টি। এভাবে হিসাব করলে দেখা যাবে যেকোনো বাহনের তুলনায় মোটরসাইকেলের সংখ্যা অস্বাভাবিকভাবে বেশি।</p>
<p>আমি নীতিনির্ধারকদের কাছে জানতে চাই, তারা কি ১৩৫ জন মোটরসাইকেল চালককে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য তাদের মেধা, শ্রম ও সম্পদ বিনিয়োগ করবেন নাকি তার বিপরীতে মাত্র ৩ জন বাস চালককে নিয়ন্ত্রণ করার কথা চিন্তা করবেন।</p>
<p>আশা করি, আমাদের নীতিনির্ধারকেরা সঠিক সিদ্ধান্ত নিবেন আর একই সাথে ধীরে ধীরে সঠিক কৌশলে বিদ্যমান মোটরসাইকেল ব্যবহারকারীদের আচরণগত পরিবর্তনের মাধ্যমে সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন। আমি এটাও আশা করছি যে, মোটরসাইকেলের এই পরীক্ষায় আমরা সঠিক প্রশ্ন নির্বাচন করে যোগাযোগ ব্যবস্থায় ভালো নম্বর অর্জন করব।</p>
<p><strong>কাজী মো. সাইফুন নেওয়াজ ।। সহকারী অধ্যাপক, এক্সিডেন্ট রিসার্চ ইন্সটিটিউট, বুয়েট</strong></p>
<p>The post <a href="https://imnews24.com/archives/829">মোটরসাইকেলে সব নিষেধাজ্ঞা কেন?</a> appeared first on <a href="https://imnews24.com">IM News</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://imnews24.com/archives/829/feed</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
