১১ বছর বয়সের শিশু তার সৎ মায়ের সংসারে চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালী এলাকায় বসবাস করত। ভিকটিমের বাবা পেশায় জেলে। তিনি প্রায় সময়ই ১৫/২০ দিন সাগরে অবস্থান করতেন। ভিকটিমের সৎ মায়ের সঙ্গে আসামি আরাফাত ও সাহাদাত হোসেনের পরকীয়া সম্পর্ক ছিল। ভিকটিমের বাবা যখন সাগরে মাছ ধরতে যেতেন তখন আসামিরা প্রায় সময় ভিকটিমদের বাড়িতে আসতেন। গত বছরের ২ অক্টোবর ভিকটিমের বাবা মাছ ধরতে গেলে আরাফাত ও সাহাদাত তাদের বাড়িতে এসে শিশুটিকে গণধর্ষণ করে।
২৮ অক্টোবর ভিকটিমের দাদি তাদের বাড়িতে বেড়াতে আসেন। ভিকটিমকে অসুস্থ অবস্থায় দেখে দাদির সন্দেহ হয়। জিজ্ঞাসাবাদে ভিকটিম তার দাদিকে গণধর্ষণের কথা বর্ণনা করে। ভিকটিমের দাদি ভিকটিমকে ডাক্তারী পরীক্ষা করে জানতে পারেন ভিকটিম অন্তঃসত্ত্বা।
এ ঘটনায় ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালী থানায় ৩ জনকে আসামি করে একটি মামলা করেন।
এরপর থেকে অভিযুক্তরা গা ঢাকা দেয়। র্যাব-৭ বহু তথ্য-তালাশের পর জানতে পারে সাহাদাত চট্টগ্রাম মহানগরীর পাহাড়তলী থানাধীন অলংকার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অবস্থান করছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার র্যাব-৭মামলার অন্যতম প্রধান আসামী সাহাদত হোসেনকে গ্রেফতার করে। সাহাদাতের বাবার নাম আব্দুল খালেক। পরে তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করেছে।
