জাতিসংঘে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের অন্তর্বর্তীকালীন রাষ্ট্রদূত ডরোথি শিয়া নিরাপত্তা পরিষদকে (ইউএনএসসি) বলেছেন, নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠক শান্তি প্রচেষ্টাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। তার কথায়, এই বৈঠকটি এমন এক প্রতিকূল ভূমিকার প্রতিফলন যা এই পরিষদে এবং সমগ্র জাতিসংঘ ব্যবস্থায় অনেক সরকারই এই ইস্যুতে পালন করেছে।
ডরোথি শিয়ার দাবি, যুক্তরাষ্ট্র গাজায় জিম্মি ব্যক্তিদের মুক্ত করা, যুদ্ধের অবসান ঘটানো এবং গাজার বেসামরিক নাগরিকদের হামাসমুক্ত একটি ভবিষ্যৎ দেয়ার জন্য নিরলসভাবে কাজ করছে।
এ লক্ষ্য পূরণে শিয়া বলেন, “আমাদের হামাসের ওপর দায় চাপাতে হবে” এবং হামাসসহ গাজার অন্যান্য “সন্ত্রাসী” সংগঠনকে পুরোপুরি দায়ী করতে হবে। তার দাবি, ইউএনএসসি-র এই বৈঠক সেই প্রচেষ্টাকে বাধাগ্রস্ত করছে।
ইসরায়েলের একাধিক যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘনের বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে শিয়া বলেন, ইসরায়েল এ পর্যন্ত তিনটি যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব গ্রহণ করেছে, কিন্তু হামাস বারবার সেগুলো প্রত্যাখ্যান করেছে এবং তাই তারা সৎভাবে আলোচনায় অংশ নিচ্ছে না।
শিয়ার ভাষায়, “সহজ সত্য হলো, যদি হামাস জিম্মিদের এবং পুরো গাজাকে মুক্তি দিত, তাহলে এই যুদ্ধ আজই শেষ হতে পারত।” তিনি অভিযোগ করেন, হামাস ও অন্যান্য কিছু দেশ ইসরায়েল এবং বিতর্কিত গাজা হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশন নিয়ে মিথ্যা ছড়িয়ে সক্রিয়ভাবে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করছে।
প্রসঙ্গত, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহুর গাজা ভূখণ্ডের বিষয়ে নতুন পরিকল্পনার প্রেক্ষিতে জরুরি সভা ডাকে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ। রোববার নিউইয়র্কে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সূত্র : আল জাজিরা
