ঢাকা শুক্রবার , ২২ আগস্ট ২০২৫
আজকের সর্বশেষ সবখবর

জন্মনিয়ন্ত্রণ পিলের দাম দিতে গিয়ে বিপত্তি বাধায় স্বামীর পরকীয়ার খবর জানলেন স্ত্রী, ভাঙল সংসার

আইএম নিউজ ডেস্ক
আগস্ট ২২, ২০২৫ ৯:২২ অপরাহ্ণ
Link Copied!

অত্যন্ত গোপনীয়তার সঙ্গে জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল কিনতে গিয়েছিলেন স্বামী। কিন্তু মোবাইলের মাধ্যমে পেমেন্ট দিতে গেলে তা ব্যর্থ হওয়ায় সেই তথ্য চলে যায় স্ত্রীর মোবাইলে। আর এর মাধ্যমেই স্বামীর পরকীয়ার খবর জেনে যায় স্ত্রী। খবর এনডিটিভি

সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গুয়াংডন প্রদেশের ইয়াংজিয়াংয়ের ওই ব্যক্তি ফার্মেসিতে জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল কিনতে যান। কিন্তু মোবাইলের মাধ্যমে ১৫.৮ ইউয়ান পরিশোধ করতে গিয়ে সমস্যায় পড়েন।

পরে ফার্মেসির কর্মীরা মেম্বরশিপ কার্ডে থাকা নম্বরে কল দিয়ে ওই অর্থ উদ্ধার করে। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত কলটি ওই ব্যক্তির স্ত্রীর ফোনে যায়। তৎক্ষণাৎ সে জিজ্ঞাসা করে যে কি কেনা হচ্ছে। এ সময় ফার্মেসির কর্মীরা জানান, জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল কেনা হচ্ছে। আর এতেই স্বামীর পরকীয়ার খবর পেয়ে যান তিনি।

ওই ব্যক্তি দাবি করেছেন, ঘটনাটি দুইটি পরিবারের সম্পর্ক নষ্ট করে দিয়েছে এবং এর জন্য তিনি ফার্মেসিকে দায়ী করেছেন। তিনি ওষুধ কেনার রসিদ এবং ইয়াংজিয়াং পাবলিক সিকিউরিটি ব্যুরোর গাওশিন শাখার অধীনে পিংগাং থানার জারি করা ১২ আগস্টের একটি পুলিশ রিপোর্ট জমা দিয়েছেন।

হেনান জেজিন ল’ ফার্মের পরিচালক ফু জিয়ান এলিফ্যান্ট নিউজকে বলেন, ওই ব্যক্তি আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করতে পারেন, তবে তা কঠিন হবে।

ফু বলেন, ‘ওই ব্যক্তির অবিশ্বস্ততাই পরিবার ভাঙনের প্রধান কারণ এবং তাকে নিজের কাজের জন্য দায় স্বীকার করতে হবে। অন্যদিকে, যদি ফার্মেসি সত্যিই তার গোপনীয়তা লঙ্ঘন করে থাকে, তবে তাদেরও আইনগতভাবে জবাবদিহি করতে হবে।’

ফু আরও বলেন, ফার্মেসির তথাকথিত তথ্য ফাঁসের সঙ্গে তার দাম্পত্য জীবনের ভাঙনের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে কিনা তা প্রমাণে তাকে পর্যাপ্ত প্রমাণ উপস্থাপন করতে হবে। তিনি বলেন, ফোন কলটি বৈধ মনে হচ্ছে এবং ইচ্ছাকৃতভাবে তথ্য ফাঁস করার উদ্দেশ্যে করা হয়নি, ফলে তার অধিকার লঙ্ঘনের দাবি করা অত্যন্ত কঠিন হবে।

এর আগে এক চীনা নারী তার স্বামীর ভাড়া করা অ্যাপার্টমেন্টে একটি গোপন ক্যামেরা স্থাপন করেন।  যেখানে তার স্বামী আরেকজন স্ত্রীকে নিয়ে থাকতেন। পরে ওই ভিডিও অনলাইনে ফাঁস করে দেয়া হয়। পরবর্তীতে আদালতের রায়ে ওই নারীকে অনলাইন থেকে ভিডিও মুছে ফেলার নির্দেশ দেয়া হয়। তবে অন্য স্ত্রীর ক্ষতিপূরণ বা ক্ষমা প্রার্থনার আবেদন নাকচ করা হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন....