স্পোর্টস ডেস্ক :: টেস্ট ক্রিকেটের কৌশল যদি হয়, বল দেখা এবং ছাড়া। তাহলে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের কৌশল নিশ্চয়ই, বল দেখা এবং মারা। তবে ছাড়ার আর মারার প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশ দল অন্যদের থেকে যেন বেশ পিছিয়ে। টেস্টে যেন প্রতিটি বলেই রান চাই, টি-টোয়েন্টিতে সে তুলনায় ডট বলের সংখ্যা ঢের। কুড়ি ওভারের ফরম্যাটে ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দেয় ডট বল। সঙ্গে পাওয়ার হিটারের অভাব বেশ জোরাল।
সম্প্রতি এই পাওয়ার হিটিংয়ের আক্ষেপ বেশ গাঢ় হয়েছে দেশের ক্রিকেটাঙ্গনে। টি-টোয়েন্টিতে ঘুরে দাঁড়ানোর কৌশলে ব্যাটসম্যানদের পাওয়ার হিটিংয়ের দক্ষতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। এজন্য প্রয়োজন একজন পাওয়ার হিটিং কোচ। তবে নতুন করে বাইরে থেকে কোচ নিয়োগ দিচ্ছে না বিসিবি। বর্তমান ব্যাটিং কোচ জেমি সিডন্সের আগ্রহেই তাকে পাওয়ার হিটিংয়ের বাড়তি দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানালেন বিসিবি সভাপত নাজনুল হাসান পাপন।
আজ বৃহস্পতিবার মিরপুরে সংবাদমাধ্যমকে পাপন বলেন, ‘এখানে পাওয়ার হিটিংয়ের কোনো বিকল্প নাই। ১৩০-১৪০ করে হয়তো একটা জিতে যাবো একদিন, কিন্তু এটা আমাদের হতে পারে না। আমাদের ১৮০-৯০, ২০০ করতে হবে। এটা মাথায় রেখেই আমাদের খেলতে হবে। আমাদের যে প্ল্যান এখন চলছে এমন কোনো লক্ষণ দেখছি না। খেলার মধ্যেও দেখি না। সেজন্য কী করা যায় এটা নিয়ে আলাপ করছিলাম। তখন জেমি এসে বলল ও নাকি এটাতে খুব আগ্রহী।’
যোগ করে পাপন, ‘কদিন আগে জিমি (সিডন্স) আমার বাসায় এসেছিল। কিছু বিষয় নিয়ে আমরা আলোচনা করছিলান। যদি আমরা জিততে চাই বা ভালো করতে চাই টি-টোয়েন্টির ভাবনাটা পরিবর্তন করতে হবে। আমরা একটা পাওয়ার হিটিং কোচ নিয়ে আলোচনা করছিলাম। তো তখন জিমি বলল ওর নাকি এটাতে বিশেষত্ব আছে। আমরা দেখছি এই এশিয়া কাপটা না আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে পরবর্তী বিশ্বকাপ। কারণ, ওইটা আরও চ্যালেঞ্জিং। কারণ, ওইটা অস্ট্রেলিয়ায়। ওসব জায়গায় তো আমরা স্ট্রাগল করি। সেসব কথা মাথায় রেখে আমরা কাজ করছি।’
আজ হঠাৎ মিরপুরে অনুশীলন দেখতে আসার কারণ প্রসঙ্গে পাপন বলছিলেন, ‘যেহেতু এশিয়া কাপে দল যাচ্ছে। যাওয়ার আগে জেমি ইতোমধ্যেই চলে এসেছে, ওর সঙ্গে বসেছিলাম। শুনলাম এখানে অনুশীলন হচ্ছে, কয়েকজন করছে। কী করছে, না করছে, পাওয়ার হিটিংয়ের ওপর কাজ করছে, এসব নিয়ে আলাপ হয়েছে। আমরা চিন্তা করছিলাম পাওয়ার হিটিংয়ের জন্য বাইরে থেকে বিশেষ কাউকে নিয়ে আসব।’
