জনগণ নির্বাচন চায়, আর সে জন্য একটি নিরপেক্ষ কেয়ারটেকার সরকার গঠন করতে হবে। তবে এ নির্বাচন কোনোভাবেই ড. মুহাম্মদ ইউনূসের অধীনে হবে না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
শেখ হাসিনা বলেন, ইউনূসের অধিনে কোন নির্বাচন হবে না। অন্তর্বর্তী সরকারের অবস্থার অবসান ঘটাতেই হবে। তার জন্য সকলকে ঐক্যবদ্ধ ও সচ্চার হতে হবে এবং ইউনূসকে পদত্যাগ করতে হবে, তারপর নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে হবে।
অডিও বার্তায় শেখ হাসিনা অভিযোগ করে বলেন, ১৫ জুলাই থেকে যেসব হত্যাকাণ্ড ও সন্ত্রাস ঘটেছে, সেগুলো পরিকল্পিতভাবে ঘটানো হয়েছে। তিনি দাবি করেন, ‘এই খুনি-সন্ত্রাসী মাস্টারমাইন্ডদের দায়মুক্তি দেয়া হয়েছে। অথচ মামলা দেয়া হয়েছে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে। এমনকি ১৫ আগস্টে ৩২ নম্বরে ফুল দিতে যাওয়া এক গরিব রিকশাওয়ালাকেও নির্যাতন করা হয়েছে।’
শেখ হাসিনার অডিও কথাটি শুনতে এখানে ক্লিক করুন
প্রসঙ্গত, সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করে ১৯৯৬ সালে ত্রয়োদশ সংশোধনী জাতীয় সংসদে গৃহীত হয়। প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হকের নেতৃত্বে সাত বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চ ২০১১ সালের ১০ মে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল ঘোষণা করে রায় দেন। এর মাস দেড়েক পরেই ৩০ জুন সংসদে গৃহীত সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর সময় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়।
