শারীরিক কার্যকলাপের স্তর হল শারীরিক কাজ বা কার্যকলাপের সমস্ত পরিমাণ যা একটি ব্যক্তি দ্বারা নির্ধারিত হয়। এই স্তরগুলি আলাদাভাবে বিভক্ত হতে পারে এবং একটি ব্যক্তির দৈনন্দিন জীবনে বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় হতে পারে।
শারীরিক কার্যকলাপের স্তরগুলি নিম্নলিখিতঃ
প্রথম স্তর – এই স্তরটি দৈনন্দিন জীবনযাপনের সাধারণ কার্যকলাপ নির্দেশ করে। এই স্তরে আমরা আমাদের দৈনন্দিন কাজগুলি পালন করি যেমন সঠিক খাদ্য ও পানীয় গ্রহণ, স্বচ্ছতার উপকরণ ব্যবহার এবং সহজ পদক্ষেপ নেওয়া যা আমাদের শারীরিক স্বাস্থ্য ও সম্পূর্ণ জীবনযাপনের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ।
দ্বিতীয় স্তর – এই স্তরে আমরা শারীরিক শিক্ষা এবং ব্যায়াম সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারি। এই স্তরে আমরা ব্যায়াম, যোগাসন এবং অন্যান্য শারীরিক কার্যকলাপ শিখতে পারি যা আমাদের শারীরিক ক্ষমতা এবং শক্তি উন্নতি সাধন করে।
শারীরিক কার্যকলাপের তৃতীয় স্তরটি ব্যায়াম এবং শারীরিক ক্ষমতা বৃদ্ধির স্তর। এই স্তরে ব্যায়াম, ব্যালেন্সিং, স্ট্রেচিং, কার্ডিও এবং সাধারণ ফিটনেস কার্যকলাপের মাধ্যমে আমরা আমাদের শারীরিক ক্ষমতা ও শারীরিক স্থায়িত্ব বৃদ্ধি করতে পারি।
শারীরিক কার্যকলাপের ৪থ স্তরে সম্পূর্ণ স্বাস্থ্যবান এবং স্বাস্থ্যকর থাকার জন্য নির্ধারিত করা কয়েকটি কার্যকলাপ নিম্নলিখিত হতে পারেঃ
ক. উচ্চতম স্তরের শারীরিক কার্যকলাপ শুরু করার জন্য পুরোপুরি পরিচ্ছন্ন পরিসরে রানিং বা ওয়াকিং করা। উচ্চতম স্তরের ব্যক্তিরা প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট যাবত ব্যায়াম করা উচিত।
খ. নিয়মিত ভাবে উচ্চতম স্তরের ভিটামিন ও খনিজ যুক্ত খাদ্য গ্রহণ করা। সম্পূর্ণ সবজি ও ফলের প্রয়োজন পূরণ করতে হবে।
গ. মানসিক এবং শারীরিক কার্যকলাপ দুটি একটি সমন্বিত পদক্ষেপ। শারীরিক কার্যকলাপ মানসিক স্বাস্থ্যকে ভালোভাবে প্রভাবিত করে এবং মানসিক স্বাস্থ্য শারীরিক স্বাস্থ্যের উন্নয়নে সহায়তা করে। একটি স্বাস্থ্যবান মানসিকভাবে এবং শারীরিকভাবে সমন্বিত হলে জীবন উন্নয়নে সহায়তা হয়। মানসিক এবং শারীরিক কার্যকলাপ একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রিক পদক্ষেপ, যা জীবনে একটি সুস্থ ও সমৃদ্ধ সমাজ উন্নয়নে সহায়তা করে।
প্রতিবেদক:
মোঃ সাগর
গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়,রংপুর
