দীর্ঘ ৩৩ বছর পর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বইছে নির্বাচনের হাওয়া। এবার জাকসু নির্বাচনে চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় রয়েছেন ২১টি আবাসিক হলের ১১ হাজার ৯১৯ জন ভোটার। এরমধ্যে নারী ৪৯ শতাংশ।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে নানা ইস্যুতে পুরুষের সঙ্গে সমানতালে সোচ্চার হলেও নির্বাচন ঘিরে নারীদের অংশগ্রহণ তুলনামূলকভাবে কম। শিক্ষার্থীদের দাবি, ক্যাম্পাসে নারী বিদ্বেষমূলক আচরণ, হেনস্তা এবং সামাজিকভাবে তাদের খাটো করার প্রবণতা এখনও অনলাইন-অফলাইন উভয় জায়গাতেই বিদ্যমান।
নারীদের এই পিছিয়ে পড়াকে দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষকরা। তাদের ভাষ্য, নির্বাচনে প্রার্থীতা জানানোর মানেই হলো নিজেকে সামনে নিয়ে আসা, আলাদা অবস্থান তৈরি করা। কিন্তু সমাজে এখনও নারী নেতৃত্বকে ঘিরে রক্ষণশীল মানসিকতা বিরাজ করছে। পাশাপাশি নারীদের দমনে বিভিন্ন কৌশল ব্যবহার করা হয়, যা তাদের রাজনীতিতে অংশ নিতে আতঙ্কিত করে তোলে।
অন্যদিকে প্রশাসনের দাবি, নারীর অংশগ্রহণ বাড়াতে তারা সজাগ। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর রাশেদুজ্জামান বলেন, “নির্বাচনে নারীদের জন্য ছয়টি পদ আলাদাভাবে সংরক্ষিত রাখা হয়েছে। এটি নারী নেতৃত্বকে এগিয়ে নিতে যুগোপযোগী সিদ্ধান্ত।”
আন্দোলনের মতো ভবিষ্যতের ছাত্র রাজনীতির নেতৃত্বেও নারীর শক্ত অবস্থানে থাকবে বলে আশা সংশ্লিষ্টদের।
