ঢাকা শনিবার , ১১ অক্টোবর ২০২৫
আজকের সর্বশেষ সবখবর

৫ বছর পর ঢামেকে ফের বোনম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট কার্যক্রম চালু

আইএম নিউজ ডেস্ক
অক্টোবর ১১, ২০২৫ ৪:১১ অপরাহ্ণ
Link Copied!

করোনা মহামারির কারণে দীর্ঘ ৫ বছর বন্ধ থাকার পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে অস্থিমজ্জা প্রতিস্থাপন তথা বোনম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্ট আধুনিকায়ন ও কার্যক্রম পুনরায় চালু করা হয়েছে। শনিবার (১১ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নতুন ভবনের ১০ তলায় এ সেবার উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম।

উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের স্বাস্থ্য উপদেষ্টা বলেন, কোভিড শুরুর পর থেকে ঢাকা মেডিকেলের বোনম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্টের যে অবকাঠামো ছিল তা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় কার্যক্রম চেঞ্জ হয়ে যায়। তারপর থেকে বন্ধ থাকে। এরপর ২০২৩ সালে চালু করার চেষ্টা করা হলেও বিভিন্ন কারনে চালু করা সম্ভব হয়নি। আজ সম্পুর্ন রুপে এটা চালু করা হলো।

তিনি বলেন, ৫ বছর পর এই ইউনিটটি পুনরায় চালু করা হলো। দেশে এখন বোনম্যারো ট্রান্সপ্লান্টের রোগীর সংখ্যা প্রায় ১০ হাজার। প্রতি বছর প্রায় এক হাজার রোগীকে ট্রান্সপ্লান্ট সেবা দেওয়া হয়। এ বছর ২০০টি ট্রান্সপ্লান্ট সম্পন্ন হয়েছে। অসহায় রোগীদের ট্রান্সপ্লান্ট সেবার জন্য সরকারের পক্ষ থেকেও ফান্ড প্রদান করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এই চিকিৎসা একটা ব্যয়বহুল চিকিৎসা। রোগীদের প্রতি আমাদের অনুরোধ থাকবে যাদের সামর্থ্য আছে, তারা সুযোগটা নিতে যাবেন না। যাদের সামর্থ্য নাই তারাই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে সুযোগটা নিবেন।

প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. মোঃ সায়েদুর রহমান বলেন, কোভিডের কারনে ঢাকা মেডিকেলের বোনম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্টের যে অবকাঠামো ছিল তা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় কার্যক্রম চেঞ্জ হয়ে যায়। আমরা দায়িত্ব নেয়ার পর এখান থেকে জানানো হয়, এরপর পুর্নগঠন করে পুর্নস্থাপন করে যে জায়গায় রিপেয়েবল ছিল, সে জায়গায় রিপিয়ার করা হয়েছে। এটা আন্তর্জাতিক মানের বিএমটি ইউনিট। এখানে সব ধরেনের ল্যাব ফ্যাসিলিটিজ আছে। এবং আমাদের দেশের দুই জায়গা চট্রগ্রাম ও স্যার সলিমুল্লাহ থেকে দুইজন দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষক আছে। সেই দুজন প্রশিক্ষিত হেমাটোলোজিস্টের তত্বাবধানে এবং ঢাকা মেডিকেলে একজন আছে তাদের দ্বারা চলবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে সরকারে কর্মরত হেমাটোলজিস্টদের মধ্যে বিএমটি ট্রেইন যারা আছেন তাদের সবাইকে এতসাথে করে এই সেন্টার চালু করা হয়েছে। আমরা আসা করি এটা একটি টেকনিক্যাল বোডি হিসেবে কাজ করবে। এখানে বর্তমানে ৫জন ভর্তি আছে। আসা করি এক থেকে দুই সপ্তাহের মধ্যে ট্রান্সপ্যান্ট হয়ে যাবে। আমরা আসা করি আগামী এক বছরের মধ্যে দেশের সর্বচ্চ বিএমটি এখানে হবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. মোঃ আসাদুজ্জামান, উপ পরিচালক ডা. মোঃ আশরাফুল আলম, সহকারী পরিচালক ডা. মোঃ আব্দুর রহমানসহ হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও সকল কর্মকর্তা কর্মচারী বৃন্দ।

সংবাদটি শেয়ার করুন....