ঢাকা শনিবার , ১ অক্টোবর ২০২২
আজকের সর্বশেষ সবখবর

নদীভাঙনে ভিটেমাটি হারা গুচ্ছগ্রামের বাসিন্দারা

আইএম নিউজ
অক্টোবর ১, ২০২২ ৬:৩৭ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :: সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর থানার দক্ষিণে আবারও যমুনার ভাঙন শুরু হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে ও শনিবার সকালে প্রায় ২৭টি ঘরবাড়ি বিলীন হয়েছে। হুমকিতে এনায়েতপুর-পাচিল আঞ্চলিক সড়কসহ চার গ্রামের কয়েক হাজার ঘরবাড়ি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও তাঁত কারখানা।

এদিকে এনায়েতপুর থানাধীন জালালপুর আবাসন প্রকল্প ও গুচ্ছগ্রামেও ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। গত সপ্তাহে চারটি ঘর গত সাত দিনে যমুনা নদীতে বিলীন হয়েছে। গুচ্ছগ্রামের ২৩৮ ঘরের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে নদীভাঙন, ঝড় ও আগুনে পুড়ে ৯০টি ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এখন রয়েছে ১৪৮টি। সেগুলোও ভাঙনের মুখে থাকায় অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছেন বাসিন্দারা। এ ছাড়া আরও দেড় শতাধিক ঘরবাড়ি ভাঙনের মুখে রয়েছে। ভাঙন আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন গুচ্ছগ্রামের মানুষ।

জানা গেছে, ২০০৫ ও ২০০৯-১০ অর্থবছরে জালালপুর ইউনিয়নে সরকারি আবাসন ও গুচ্ছগ্রাম প্রকল্পের আওতায় ২৩৮ গৃহহীন পরিবারকে ঘর বরাদ্দ দেওয়া হয়।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, যমুনা নদীতে তীব্র ঘূর্ণাবর্তের সৃষ্টি হয়ে এনায়েতপুর থানার দক্ষিণে আবারও ভাঙন শুরু হয়েছে। চলতি মাসে অর্ধশতাধিক ঘরবাড়ি, ফসসি জমি, বসতভিটা নদীগর্ভে চলে গেছে। এ ছাড়া জালালপুর আবাসন প্রকল্পও গুচ্ছগ্রামের ঘরগুলোও নদীতে বিলীন হওয়ার পথে। ভাঙন রোধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি এলাকাবাসীর।

এদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্র জানিয়েছেন, চৌহালী উপজেলাধীন এনায়েতপুর খাজা ইউনুস আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দক্ষিণ থেকে পাচিল পর্যন্ত সাড়ে ৬ কিলোমিটার স্থায়ী বাঁধ নির্মাণে ৬৫০ কোটি টাকার প্রকল্পের কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। চলতি বছরের দফায় দফায় যমুনার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় কাজ সাময়িক বন্ধ রয়েছে। শুষ্ক মৌসুমে পুনরায় কাজ শুরু হবে। বাঁধের কাজ শেষ হলে তখন এ এলাকাতে আর নদীভাঙন থাকবে না।

এ বিষয়ে জালালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সুলতান মাহমুদ জানান, আবাসনের ১৪৮ ঘরসহ তিনটি গ্রামের বহু ঘরবাড়ি, আঞ্চলিক সড়কসহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বহু স্থাপনা ভাঙনের মুখে রয়েছে। সরকারি বরাদ্দকৃত ৬৫০ কোটি টাকার কাজ চলামান না রাখায় দফায় দফায় ভাঙনে বিলীন হচ্ছে বিশাল জনপদ। দ্রুত স্থায়ী কাজের দাবি জানাই।

সংবাদটি শেয়ার করুন....