গত বুধবার রাত সাড়ে ৯টায় উপজেলার বড় কাঠালিয়া গ্রামের মৃত শাজাহান জমাদ্দারের বিধবা স্ত্রী নুরজাহান বেগমের বসতঘরে আগুন লাগে। প্রথমে এলাকাবাসীর সহায়তায় আগুন নেভানোর চেষ্টা করা হয়। মুহুর্তের মধ্যে আগুন পুরো ঘরে ছড়িয়ে পড়লে নিয়ন্ত্রনের বাইরে চলে যায়। এ সময় গৃহকর্ত্রী নুরজাহান ঐ ঘরে আটকা পড়ে ছিলেন। উপস্থিত জনতার প্রচেষ্টার পর ঘরের জানালা ভেঙ্গে তাকে উদ্ধার করে। পরে খবর পেয়ে কাঠালিয়া ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌছায়, প্রায় দুই ঘন্টার চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে। ইতোমধ্যে নুরজাহানের পুরো ঘর ও মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
নুরজাহানের পুত্রবধু রুমা জানান, আমার শাশুড়ি ঘরে একা থাকে আমরা পাশে পৃথক ঘরে থাকি। রাতে হঠাৎ আমার শাশুরি আগুন, আগুন, বাচাঁও, বাচাঁও বলে চিৎকার করে। তখন আমারা এসে দেখি ঘরের বারান্দায় আগুন জ¦লছে। আমাদের ডাক-চিৎকারে গ্রামবাসী ছুটে আসেন। তখনও আমার শাশুরি ঘরের ভিতরে আটকা ছিলেন। ঘরের জানালা ভেঙ্গে শাশুড়িকে উদ্ধার করি। কিছু ক্ষনের মধ্যেই সম্পুন্ন ঘরে আগুন লেগে যায়। ফায়ার সার্ভিস আসতে আসতে পুরো ঘরটি আগুনে পুড়ে যায়। আমার শাশুরি সহায় সম্বল বলতে যা ছিলো তা সব শেষ হয়ে গেছে।
কাঠালিয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের ১নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য মোঃ নুরুল আলম মিলু বলেন- অসহায় পরিবারের জন্য আমাদের সরকারিভাবে যা করনীয় রয়েছে আমরা সেই ধরনের সাহায্য সহযোগিতা করব।
কাঠালিয়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মোঃ শহিদুল ইসলাম জানান, বৈদ্যুতিক শর্ট-সার্কিট থেকে আগুন লেগেছে বলে প্রাথমিক ভাবে ধারনা করা হচ্ছে। আমরা দুই ঘন্টা চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনি।
