শীতকালীন সবজি চাষে ব্যস্ত সময় পার করছে কিশোরগঞ্জের বিভিন্ন উপজেলার কৃষকরা। শীতের আগেই আগাম শাকসবজি বাজারে তুলতে পারলেই অধিক টাকা উপার্জন করা সম্ভব বলে চারা তৈরী ও জমি পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা।
কিশোরগঞ্জের কৃষি বিভাগ সূত্রে জানাযায়, জেলার ১৩টি উপজেলায় ১০ হাজার ১২০ হেক্টর জমিতে সবজি চাষ হয়েছে। এর মধ্যে কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলায় ৬৯০ হেক্টর, পাকুন্দিয়া উপজেলায় ১২৯০ হেষ্টর, কটিয়াদী উপজেলায় ১৩৫০ হেক্টর, করিমগঞ্জ উপজেলায় ১২৬০ হেক্টর, তাড়াইল উপজেলায় ৮১০, ইটনা উপজেলায় ৫৯৫ হেক্টর, মিঠামইন উপজেলায় ৩৪০ হেক্টর, বাজিতপুর উপজেলায় ১০৫০ হেক্টর, কুলিয়ারচর উপজেলায় ৭৩৫ হেক্টর ও ভৈরব উপজেলায় ৭০০ হেক্টর জমিতে শীতকালীন সবজি চাষ করা হয়েছে। বেগুন, মুলা, টমেটো, শিম, বরবটি, শসা, লাউ, কুমড়া, ফুলকপি, বাঁধাকপি সহ বিভিন্ন জাতের সবজি চাষ করার লক্ষ্য নিয়ে কৃষকরা মাঠে নেমেছে। সমপ্রতি চাষিরা সবজি চাষ করে লাভবান হওয়ায় আগাম মুলা, বেগুন, শিম, ফুলকপি, বাঁধাকপি, লালশাক, তিতা, করলা, টমেটো, ঢেরস, পালং শাক ও পুঁই শাক ইত্যাদি। স্থানীয় কয়েকজন কাঁচামাল ব্যবসায়ী জানান, যে কোনো সবজি যদি মৌসুমের শুরুতে বাজারে তোলা যায়, তবে তার দাম বেশি পাওয়া যায়। এ ছাড়া জেলা সদর, উপজেলায় ব্যাপক হারে সবজি চাষ হয়। এখান থেকে প্রচুর পরিমাণ সবজি স্থানীয়ভাবে চাহিদা মিটিয়ে অন্যান্য স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। কৃষকরা ক্ষেত থেকে আগাছা পরিস্কার এবং পর্যাপ্ত পানি দিচ্ছে। কেউ কেউ ফসলের উপর বিভিন্ন পোকা-মাকড় থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য কীটনাশক ছিটিয়ে যাচ্ছে। প্রতিটি জমিতেই ভালো ফসল উৎপাদনের জন্য কৃষকরা যত্ম সহকারে পরিশ্রম করে যাচ্ছে। তবে মাঠ থেকে পরিপূর্ণ শাকসবজি তুলতে আরও কয়েকদিন সময় লাগবে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. আব্দুস সাত্তার বলেন, ‘উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা সার্বক্ষণিক কৃষকদের পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন এবং প্রতিটি ইউনিয়নে ৩ জন করে উপ-সহকারী কৃষি প্রকৌশলী মাঠে নিয়োজিত আছে।
