সম্প্রতি চীনের প্রযুক্তি ও সহযোগিতায় ঢাকায় পহেলা বৈশাখে যে ‘ড্রোন শো’ দেখানো হয়, তা এখন জাপানের মাথা ব্যাথার কারণ। কি হলো, কেনো হলো, কিভাবে হলো– তা নিয়ে অনুসন্ধান করে বিস্তারিত জানতে চায় দেশটি। পূর্ব এশিয়াসহ বিশ্বে চীন তার বলয় বাড়িয়ে চলছে। যা পশ্চিমাসহ জাপানের অস্বস্থিরতার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
জুলাই অভ্যুত্থানের পর এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ এসেছে চীন থেকে। এছাড়া প্রধান উপদেষ্ঠা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রথম দ্বিপক্ষীয় সফর বেইজিংয়ে। পাশাপাশি চলতি মাসে চীনের বাণিজ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে ব্যবসায়ি ও বিনিয়োগকারিদের বিশাল এক বহর বাংলাদেশ সফরে আসছে।
প্রধান উপদেষ্টার টোকিও সফরে পুরো বিষয়গুলো বুঝতে চাইবে। পাশাপাশি বাংলাদেশে চীনের ক্রমবর্ধমান উপস্থিতির বিষয়টি নিয়েও বৈঠকের দ্বিতীয় অংশে নিজ অস্বস্থির কথা জানাবে তারা। আঞ্চলিক রাজনীতির প্রেক্ষাপটে বিষয়গুলো শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠকে আসতে পারে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলেন এমন ধারনা মেলে।
বিষয়গুলো নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা নাম না প্রকাশের শর্তে বলেন, বাংলাদেশ সব সময়ে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্কে বিশ্বাস করে। আর এর ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে। কোন দেশের সঙ্গে কি রকম সম্পর্ক হবে, এটি অন্য কোনো দেশ বলে দিতে পারে না। বাংলাদেশ তার বাস্তব পরিস্থিতিগুলো তুলে ধরেছে। আর মূল কথা হচ্ছে দ্বিতীয় কোনো দেশের সঙ্গে সম্পর্কের কারণে তৃতীয় দেশ আক্রান্ত হবে, এমন কোনো কাজ করে না ঢাকা।
