সুজলা, সুফলা, শস্য শ্যামলা ভরা আমাদের এই বাংলাদেশের একটি ঋতুর আসে একেক রুপে রং নিয়ে আসে ছড়ায় সুগন্ধ। ঋতু রাজ বসন্ত এসেছে, সেঁজেছে প্রকৃতি, ছন্দময় হয়েছে জীবন বৈচিত্র। বইতে শুরু করেছে বসন্তের হালকা হিমেল বাতাস। বাড়ির আনাচে-কানাচে, রাস্তার পাশে এবং বনে-বাগানে ফুঁটতে শুরু করেছে পলাশ, কৃষ্ণচূড়া, রাধাঁচূড়া, শিমুল, জবাসহ বাহারি ফুল। কুকিলের কন্ঠে ভেসে আসছে কুহু কুহু ঐক্যতান, থেমে থাকছে না তারুন্যের সাহসী উচ্ছাস আর বাঁধ ভাঙ্গা আবেগের জোয়ার যেন বসন্তের প্রকৃতির সাথে মিলেমিশে একাকার হয়েছে। অনেকের কাছে বসন্ত হল প্রেমের ঋতু। প্রেমের অপ্রতুল বার্তা নিয়ে আগমন ঘটেছে ঋতুরাজের। সারাদেশে প্রেমিক-প্রেমিকাদের পরণে থাকে পাঞ্জাবী আর বাসন্তি শাড়ি এ দৃশ্য দেখা যায় রাস্তা ঘাটে, বিনোদন পার্কে, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস গুলোতে। শুধু এখানেই থেমে থাকেনি প্রকৃতি বসন্ত, বসন্ত আবাহনের এসব সন্ধান মেলে বাংঙ্গালির মনন আলোরিত নজরুল, অতুল প্রসাদ, জসিম উদ্দিন সহ আব্দুল করিম ও রবি ঠাকুরের সৃষ্টি সম্ভারে।
বসন্তের প্রকৃতির অনুভুতি সর্ম্পকে জানতে চাইলে রংপুর বেগম রোকেয়া কলেজের বাংলা বিভাগের শেষ বর্ষের ছাত্রী মমতাজ জাহান পিয়া বলেন, শীতের রুক্ষতা পেছনে ফেলে প্রকৃতিকে আবার নতুন করে সাজিয়ে তোলে বসন্ত। বসন্ত শুধু প্রকৃতিকে নয় মানুষের মনেও জাগায় প্রাণের ছোঁয়া। আর বাতাসে ভাসে মিষ্টি ফুলের ঘ্রাণ।
কথা হয় একজন প্রকৃতি প্রেমিক ও কবি শহিদুল ইসলামের সাথে। তিনি বলেন বসন্ত মানে পূর্ণতা, বসন্তের প্রকৃতি নিয়ে আসে নতুন প্রাণের উচ্ছাস প্রানবান্ত হয়েছে জীবন। গাছে গাছে গজিয়াছে নতুন পাতা। ফুলে মুকুল আসে। প্রজাপ্রতিরা রঙিন ডানা মেলে জানায় ঋতুরাজ বসন্তের আগমনী বার্তা। সবকিছু মিলিয়ে যেন বসন্তে প্রকৃতি সেজেছে অপরুপ মহিমায়।
