বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে এখনও বহিরাগতের উপস্থিতি ও গোয়েন্দাদের সরকারি দলের পক্ষে অবস্থান নির্বাচন ২০১৮ সালের দিকে নিয়ে যাওয়ার আশংকা প্রকাশ করে সংবাদ সম্মেলনে করছেন জাতীয় পার্টি জাপা প্রার্থী প্রকৌশলী ইকবাল হোসেন তাপস।
রোববার (১১ জুন) সকালে জাপা প্রার্থীর প্রধান নির্বাচনীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন লাঙল প্রতীকের এই প্রার্থী।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, আমরা শুনেছি রাতের অন্ধকারে কলোনি গুলোতে কালো টাকা নিয়ে নৌকার সমর্থকরা ভোটারদের কাছে যাচ্ছে। এসময় গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা পার্শ্ববর্তী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও পৌরসভার মেয়ররা সাথে থাকছে। তারা (নৌকা) এখনো তাদের বাহিনী নিয়ে নগরীতে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালাচ্ছে। গতকাল (১০জুন) শেষ প্রচারনায় দেখেছেন পঙ্কজ দেবনাথ এমপি কিভাবে প্রকাশ্যে মহড়া চালিয়েছে আর দায়িত্বশীলরা নিরবতা পালন করছেন। বিভিন্ন হোটেল ও মোটেলে বহিরাগতরা এখনও অবস্থান করছে। তারা এখনো কি চাই?তিনি আরো বলেন,১নং ওয়ার্ডের জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক চুন্নুকে হুমকি দিয়েছে সাদাপোষাকধারিরা। তারা হুমকি দিয়ে বলেছে কেন্দ্রে গেলে হাত-পা ভেঙে দেওয়া হবে। আজ রাতে কি হতে পারে আমি জানিনা। তবে আমি সিইসির কাছে অনুরোধ করছি, এখনো সময় আছে সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত করুন। বরিশাল পুলিশ কমিশনারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি বলেন, বহিরাগতদের বের করার ব্যাবস্থা গ্রহণ করুন।
ভোটারদের প্রতি আহবান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, আপনারা ভোট কেন্দ্রে আসুন, কোন কিছুতে ভয় পাবেননা। জনগণ ভোট দিতে পারলে আমাদের বিজয় সুনিশ্চিত ইনশাআল্লাহ।
তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আরও বলেন, ২০১৮ ও ২০২৩ একই ফ্রেমে বাঁধা। দু’জনই প্রধানমন্ত্রীর আত্মীয়। আর সে কারনে সর্বশেষ প্রচাারনায় ‘খোকন সেরনিয়াবাত বলেছেন -আমাকে উন্নয়নের দায়িত্ব দিয়ে পাঠিয়েছে প্রধানমন্ত্রী’ আর এই বক্তব্যের প্রতিফলন দেখছি বিভিন্ন সংস্থা ও বাহিনী নৌকার মাঝিকে মেয়র করার জন্য সবকিছুই করছে। গাজীপুরে কাজ হয়নি এখানেও কাজ হবেনা। ভোটারদের ¯্রােত কেউ ঠেকাতে পারবে না। তিনি বলেন,আমি কাউকে ভয় করিনা, আমি মাঠে আছি, থাকবো।আমার মৃত্যু হলে ভোট কেন্দ্রে হবে। আমি আমার ভোটারদের ফেলে কোথাও যাব না।
