ঢাকা রবিবার , ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
আজকের সর্বশেষ সবখবর

কে এই বৈজয়ন্ত বিশ্বাস ভিক্টর? কেন তিনি এত আলোচিত?

নোবাজ্জেল হোসেন কুষ্টিয়া জেলা প্রতিনিধি
ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৪ ১১:৫৩ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

 খোকসা বাসস্ট্যান্ডে অপরিকল্পিতভাবে নির্মিত মরণফাঁদ আইল্যান্ডের কারণে বারবার সড়ক দুর্ঘটনায় একের পর এক তাজা প্রাণ ঝরে যেতে থাকলে বৈজয়ন্ত বিশ্বাস ভিক্টর ২০২২ সালের জুলাই মাসে সড়ক ও জনপথ বিভাগের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মাধ্যমে ওই আইল্যান্ড ভেঙে দেন যা তাকে নিজ উপজেলায় কিংবদন্তিতে পরিণত করে।

খোকসাতে বিষধর সাপের কামড়ে বিভিন্ন বয়সের মানুষের প্রাণহানি ঘটতে থাকলে বৈজয়ন্ত বিশ্বাস ভিক্টর খোকসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সাপের কামড়ের অ্যান্টিভেনম প্রদানের জন্য ডাঃ মোঃ আবুল ফয়েজ (সাবেক মহাপরিচালক, হেলথ সার্ভিসেস) কর্তৃক মেডিকেল অফিসারদের যথাযথ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেন যার ফলে চারিদিকে তার খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয় রাজনৈতিক রেষারেষির কারণে ৭ বছর ধরে পড়ে থাকা সোমশপুর-সেনগ্রাম ১৩ কিলোমিটার রাস্তা আলোর মুখ দেখে বৈজয়ন্ত বিশ্বাস ভিক্টরের আন্তরিক প্রচেষ্টায় যার কারণে তিনি স্থানীয় মানুষের মনের মণিকোঠায় স্থান করে নেন।
খোকসা মডেল মসজিদের কাজ সম্পন্ন হবার পরও ঠিকাদারের বিল পরিশোধকে কেন্দ্র করে মসজিদ বন্ধ করে রাখা হলে আবার এগিয়ে আসেন বৈজয়ন্ত বিশ্বাস ভিক্টর। গণপূর্ত বিভাগের সাথে আলোচনা করে তিনি পরদিনই মসজিদ উন্মুক্ত করে দেন যা ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের কাছে দারুণ সমাদৃত হয়।
খোকসার পাটচাষীরা পানির অভাবে পাট জাগ দিতে না পারলে বৈজয়ন্ত বিশ্বাস ভিক্টর আবারো ত্রাতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হন। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরকে দিয়ে সিরাজপুর হাওর খননের উদ্যোগ গ্রহণ করেন যার ফলে তিনি খোকসার জনসাধারণের আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতীকে পরিণত হন।
খোকসার চকহরিপুর ব্রিজ চলাচলের অনুপযোগী হয়ে গেলে বৈজয়ন্ত বিশ্বাস ভিক্টর স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের মাধ্যমে ব্রিজটির দ্রুত বাস্তবায়ন কার্যকর করেন যার দ্বারা তিনি সাধারণ মানুষের অভূতপূর্ব শ্রদ্ধা ও সম্মান লাভ করেন।
রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার এক মানসিক ভারসাম্যহীন মহিলা (আরজিনা) বাড়ি থেকে হারিয়ে খোকসাতে চলে এলে বৈজয়ন্ত বিশ্বাস ভিক্টর রংপুর রেঞ্জের ডিআইজির মাধ্যমে তার বাড়ির ঠিকানা খুঁজে বের করেন যা মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার এক অসাধারণ নজির স্থাপন করে।
খোকসা রেলওয়ের স্টেশনের ওপর দিয়ে পদ্মাসেতু হয়ে ঢাকামুখী বেনাপোল এক্সপ্রেসের কোনো যাত্রাবিরতি ছিল না। বৈজয়ন্ত বিশ্বাস ভিক্টরের জোরালো ভূমিকার কারণে শেষ পর্যন্ত খোকসা স্টেশনে ট্রেনটির যাত্রাবিরতি দেওয়া হয় যা খোকসা তো বটেই সমগ্র কুষ্টিয়া জুড়ে তুমুল সাড়া ফেলে। এর ফলে তিনি খোকসাতে তুঙ্গস্পর্শী জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।
এভাবেই নিজের উপজেলা খোকসার জনগণের প্রাণের মানুষ হয়ে উঠেছেন বৈজয়ন্ত বিশ্বাস ভিক্টর।
সংবাদটি শেয়ার করুন....