দেশের উপকূলীয় জনপদ বরগুনার বেতাগীতে এবারের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো: খলিলুর রহমান খানের কাছে হেরেছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাকসুদুর রহমান ফোরকান।
খলিলুর রহমান তিনি উপজেলার হোসনাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান ছিলেন এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও হোসনাবাদ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি। এবারে তিনি তার দল উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান মাকসুদুর রহমান ফোরকানকে হারিয়ে তার স্থলাভিসিক্ত হলেন।
খলিলুর রহমান খান বিশিস্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক এবং বেতাগী বালিকা বিদ্যালয় এন্ড কলেজের সভাপতি। দ্বিতীয় ধাপে ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্ব›িদ্বতা করেন। গত মঙ্গলবার সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে উৎসবমুখর পরিবেশে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
জানা গেছে, তিনি প্রথমবারেই উপজেলা নির্বাচনে অংশ গ্রহন করে বেসরকারিভাবে প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী চেয়ারম্যান পদে মটর সাইকেল প্রতীক নিয়ে ১২ হাজার ৩২১ ভোট পেয়ে বিজয়ের মালা ছিনিয়ে আনলেন। তার নিকটতম প্রতিদ্ব›িদ্ব উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান খ,ম ফাহরিয়া সংগ্রাম আমিনুল পেয়েছেন ১০ হাজার ৩৮ ভোট।
এ উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যানপদে ৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্¦িতা করেন। এর মধ্যে সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আ: সোবাহান পেয়েছেন ৯ হাজার ৭০৯ ভোট, উপজেলা পরিষদের বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান মাকসুদুর রহমান ফোরকান পেয়েছেন ৭ হাজার ৬১৩ ভোট, বরগুনা জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা নাহিদ মাহামুদ হোসেন লিটু পেয়েছেন ২ হাজার ৩১৮ ভোট, কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য আমিনুল ইসলাম শিপন ৭২৪ ভোট ও আওয়ামী লীগ নেতা রিয়াজ মৃধা পেয়েছেন ১৮১ ভোট।
বেতাগী উপজেলা পরিষদের নয়া চেয়ারম্যান খলিলুর রহমান খান তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন,‘বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার ন্যায় সব সময় আমার চিন্তা দেশ ও মানুষের জন্য কাজ করার। আমার এ জয়ে ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই এবং সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিশন বাস্তবায়নে সকলের সহযোগিতায় বেতাগী উপজেলাকে স্মাট ও মডেল উপজেলা হিসেবে গড়তে চাই।’
বেতাগী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ফারুক আহমদ বলেন,‘অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে প্রশাসন বদ্ধপরিকর ছিল। ফলে উৎসবমুখর পরিবেশে এবং নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করতে পারায় সকল শ্রেণি পেশার মানুষকে ধণ্যবাদ জানাই।’
