ভারতে পাচারের জন্য ২১টি স্বর্ণের বার নিয়ে মোটরসাইকেল যোগে সীমান্ত এলাকায় যাচ্ছিল পাচারকারি। খবর পেয়ে অভিযান চালায় বিজিবি। এ সময় বিজিবি সদস্যদের ধাওয়া খেয়ে পুকুরে ঝাঁপ দেয় পাচারকারি। স্বর্ণের বারগুলো ফেলে দেয় পুকুরে। পরে পুকুরে সেচ দিয়ে স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়।
বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) দুপুরে চুয়াডাঙ্গার সীমান্ত শহর দর্শনায় এ ঘটনা ঘটে। আটককৃত আবেদিন মিয়া (২৮) চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার সীমান্ত ইউনিয়নের গয়েশপুর গ্রামের আনার আলীর ছেলে।
বিজিবি চুয়াডাঙ্গা-৬ ব্যাটালিয়নের সহকারী পরিচালক মো. হায়দার আলী জানান, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে দর্শনা সীমান্ত দিয়ে স্বর্ণ চোরাচালানের উদ্দেশ্যে মোটরসাইকেল যোগে দুই ব্যক্তি ভারত সীমান্তের দিকে যাচ্ছিলো। বিজিবির টহল দল ওই মোটরসাইকেল চালককে থামার সংকেত দেয়। এক পর্যায়ে মোটরসাইকেল চালক পালিয়ে যায়। তবে মটরসাইকেলের আরোহী পার্শ্ববর্তী একটি পুকুরে ঝাঁপ দেয়। এ সময় তার কাছে থাকা একটি প্যাকেট পানিতে ফেলে দেয়। বিজিবির সদস্যরাও পানিতে ঝাঁপিয়ে পড়ে তাকে আটক করে।
পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে স্বর্ণের বার থাকা একটি প্যাকেট পানিতে ফেলা দেয়ার কথা স্বীকার করে। পরবর্তীতে পুকুরে সেচ দিয়ে মোট ২১টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়। স্বর্ণের বারগুলোর মোট ওজন ২ কেজি ৪শ’ ৪৯ গ্রাম। যার আনুমানিক বাজার মূল্য ৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা।
তিনি আরও জানান, আটক আবেদিন মিয়াকে দর্শনা থানায় সোপর্দ করা হয়েছে আর উদ্ধার করা স্বর্ণেরবার চুয়াডাঙ্গা ট্রেজারি অফিসে জমা দেয়া হয়েছে। এ ঘটনায় বিজিবির নায়েক মো জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে দর্শনা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
