রংপুরের মানুষের জন্য অবিস্মরণীয় ও বীরত্ব গাঁথার দিন। অথচ স্বাধীনতার ৫২ বছরেও মেলেনি সেদিনের সেই আত্মদানকারী শহীদের স্বীকৃতি।তবে জেলা প্রশাসনের আশ্বাস মিলবে সেই স্মৃতিময় অবিস্মরণীয় বীরত্ব গাঁথার।এটি ছিল একটি বিরল সাহসিকতার ঘটনা। বাঁশের লাঠি, তীর-ধনুক নিয়ে ক্যান্টনমেন্ট ঘেরাও করার নজির বিশ্বে আর কোনো দেশে নেই। অথচ বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার ৫২ বছর পার হলেও এখনো মেলেনি জাতীয়ভাবে সেদিনের স্বীকৃতি। ঘেরাও অভিযানের আহব্বানে পাকবাহিনীর বিরুদ্ধে গর্জে উঠার সাজ সাজ রব পড়ে যায় রংপুর জুরে। বঙ্গবন্ধুর ডাকেই তাঁরা সাড়া দিয়েছিলেন বললেন সেই দিনের ঘটনার বেঁচে যাওয়া অকুতোভয় বীর সন্তানরা। রংপুর ক্যান্টনমেন্ট ঘেরাও করে এক অনন্য ইতিহাসের জন্ম দিয়েছিল অকুতোভয় বীর বাঙালি। মিলবে সেই স্মৃতিময় অবিস্মরণীয় বীরত্ব গাঁথার স্বীকৃতি আশ্বাস এই কর্মকর্তা।জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের পর দেশের মানুষ প্রস্তুতি গ্রহণ করে সশস্ত্র সংগ্রামের। এরই অংশ হিসেবে রংপুর ক্যান্টনমেন্ট ঘেরাও এর ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে এখানকার স্বাধীনতাকামী মানুষেরা ।
