পুরাতন ইটভাটা গুলো পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য বিষফোঁড়া হয়ে দাড়িয়ে রয়েছে অপর দিকে অবৈধ ভাবে ম্যানেজ প্রক্রিয়ায় সকলের নিরবতায় নতুন ইট ভাটা নির্মাণ চলমান থাকায় উদ্বেগ বাড়ছে জনমনে। সংবাদ প্রকাশের পর ও স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের তোপের মুখে স্থানীয় প্রশাসনের অভিযানে নির্মাণাধীন অবৈধ ওই ইটভাটা ভেঙ্গে ফেলার জন্য সাত দিনের সময় নিয়ে মুচলেকা দেন ভাটা মালিক গোকুল চন্দ্র। গত ১৮ মে বৃহস্পতিবার গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলা সহকারী (ভূমি) কমিশনার এস.এম ফয়েজ উদ্দীন এক অভিযানে পশ্চিম গোপীনাথপুর নতুন ওই ইটভাটা নির্মাণ কার্যক্রম বন্ধ করেন। সেই সঙ্গে আগামী সাত (৭) দিনের মধ্যে উক্ত ইট ভাটা মালিক পক্ষ ভেঙ্গে নিবেন বলে মুচলেকা গ্রহন করেন। তবে অদৃশ্য কারণে মুচলেকা ৭ দিন পেরিয়ে ২১ দিনে এসে ইটভাটার চিমনি নির্মাণ কাজ শেষ করা হয়েছে। এখন চলছে অবৈধ ভাবে ইটভাটার ব্যাটারী নির্মাণ কাজের পরিকল্পনা।
পলাশবাড়ী উপজেলার ৪নং বরিশাল ইউনিয়নের পশ্চিম গোপীনাথপুর গ্রামে একটি নতুন ইট-ভাটা তৈরির উদ্দেশ্যে চিমনি নির্মাণ কাজ শুরু করেন। এ বিষয়টি স্থানীয় সাংবাদিকদের নজরে আসলে তা নিয়ে খবর প্রকাশে ছবি ও তথ্য সংগ্রহকালে মোবাইল ফোনে প্রতিনিধিকে ডাটা মালিক শ্রী গোকুল চন্দ্ৰ বিভিন্ন হুমকি প্রদান করেন। পরবর্তীতে খবর প্রকাশ পেলে ওই ভাটা বন্ধে অভিযান পরিচালনা করেন এবং ভাটা নিজ উদ্যোগে উচ্ছেদ করার জন্য ভাটা মালিকের নিকট মুচলেকা গ্রহন করেন পলাশবাড়ী উপজেলা সহকারী ভূমি কর্মকর্তা এস.এম ফয়েজ উদ্দীন। এ বিষয়ে তিনি নিয়মিত মামলা দায়ের কথা জানালেও আদৌ তা জানা বা দেখা যায়নি।
স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের নিকট উক্ত ইটভাটার নির্মাণের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস প্রদান করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার কামরুজ্জামান নয়ন।
অপরদিকে অভিযানের পর হতে দিনের পর দিন পেরিয়ে গেলেও ভাটা সরিয়ে নেওয়ার মুচলেকা দিয়ে অবৈধ ভাটা নির্মাণ কাজ চলমান থাকায় পলাশবাড়ী উপজেলা সহকারি কমিশনার ভূমি, উপজেলা নির্বাহী অফিসারের ভূমিকা নিয়ে ব্যাপক জল্পনা কল্পনা চলছে সর্বস্তরের মানুষের মাঝে।
উল্লেখ্য,পলাশবাড়ী উপজেলার একই মৌজায় নুনিয়াগাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন শ্রী গোকুল চন্দ্রদের আরও একটি ইটভাটা চালু রয়েছে। বিতর্কিত ওই স্থান থেকে ইটভাটা সরাতে এই নতুন ইটভাটা নির্মাণ কাজ ব্যাপক নাটকীয়তায় এবং সংশ্লিষ্টদের ম্যানেজ করে নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে।
